সৌগত বসু, ঢাকা

গতবারের চেয়ে এবারের ঈদযাত্রায় ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যা কমেছে। গরম, লোডশেডিং ও ট্রেনে টিকিটবিহীন যাত্রীর নিষেধাজ্ঞার ফলে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা কমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার ও বুধবার বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের ২৯ লাখ ৯২৩ জন মোবাইল সিম গ্রাহক ঢাকা ছেড়েছেন। যার মধ্যে মঙ্গলবার ছেড়েছেন ১২ লাখ ২৮ হাজার ২৭৮ জন এবং গতকাল বুধবার ছেড়েছেন ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৬৪৫ জন।
ঈদের ছুটি এবার নির্বাহী আদেশে এক দিন বাড়ানো হয়েছে। তাই মঙ্গলবার ছিল শেষ কর্মদিবস। সেই অনুযায়ী ঘরে ফেরা যাত্রীর সংখ্যা গতবার থেকে প্রায় অর্ধেক কম।
২০২২ সালের সিমের তথ্য বলছে, ঢাকা ছেড়েছিল প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ মানুষ। আর ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগেই ঢাকা ছেড়েছিল প্রায় ৭৩ লাখ। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৫ লাখ। সে সময় করোনা থাকলেও ঈদযাত্রায় মানুষের সংখ্যা কমেনি।
তবে গত দুই দিনে এবার ঢাকা ছেড়েছে মাত্র ২৯ লাখ মানুষ। আগামী শনিবার ঈদ হলে বাকি থাকবে দুই দিন। আর এই দুই দিনে ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যা গতবারের চেয়ে বেশি হবে না বলে ধারণা অনেকের। ট্রেনে নির্দিষ্টসংখ্যক যাত্রী আর গরম ও গ্রামে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে রাজধানীকেই উপযুক্ত মনে করছে তারা।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নিয়াজ মোর্শেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের ছুটি আছে, তবে বাড়ি যাওয়া হবে না। গ্রামে গত কয়েক দিনে লোডশেডিং বেশি। এই গরমে বিদ্যুৎ না থাকলে গ্রামে টেকা দায় হয়ে পড়বে।’
একই কথা বলছেন সংবাদমাধ্যমে চাকরিরত নিশাত বিজয়। তাঁর বাড়ি যশোরে। নিশাত বলেন, ‘খুলনা বিভাগে গরম অনেক। বৃষ্টি হবে না। তাই ঈদের ছুটিতে ঢাকায় থাকব।’

গতবারের চেয়ে এবারের ঈদযাত্রায় ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যা কমেছে। গরম, লোডশেডিং ও ট্রেনে টিকিটবিহীন যাত্রীর নিষেধাজ্ঞার ফলে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা কমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার ও বুধবার বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের ২৯ লাখ ৯২৩ জন মোবাইল সিম গ্রাহক ঢাকা ছেড়েছেন। যার মধ্যে মঙ্গলবার ছেড়েছেন ১২ লাখ ২৮ হাজার ২৭৮ জন এবং গতকাল বুধবার ছেড়েছেন ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৬৪৫ জন।
ঈদের ছুটি এবার নির্বাহী আদেশে এক দিন বাড়ানো হয়েছে। তাই মঙ্গলবার ছিল শেষ কর্মদিবস। সেই অনুযায়ী ঘরে ফেরা যাত্রীর সংখ্যা গতবার থেকে প্রায় অর্ধেক কম।
২০২২ সালের সিমের তথ্য বলছে, ঢাকা ছেড়েছিল প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ মানুষ। আর ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগেই ঢাকা ছেড়েছিল প্রায় ৭৩ লাখ। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৫ লাখ। সে সময় করোনা থাকলেও ঈদযাত্রায় মানুষের সংখ্যা কমেনি।
তবে গত দুই দিনে এবার ঢাকা ছেড়েছে মাত্র ২৯ লাখ মানুষ। আগামী শনিবার ঈদ হলে বাকি থাকবে দুই দিন। আর এই দুই দিনে ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যা গতবারের চেয়ে বেশি হবে না বলে ধারণা অনেকের। ট্রেনে নির্দিষ্টসংখ্যক যাত্রী আর গরম ও গ্রামে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে রাজধানীকেই উপযুক্ত মনে করছে তারা।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নিয়াজ মোর্শেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের ছুটি আছে, তবে বাড়ি যাওয়া হবে না। গ্রামে গত কয়েক দিনে লোডশেডিং বেশি। এই গরমে বিদ্যুৎ না থাকলে গ্রামে টেকা দায় হয়ে পড়বে।’
একই কথা বলছেন সংবাদমাধ্যমে চাকরিরত নিশাত বিজয়। তাঁর বাড়ি যশোরে। নিশাত বলেন, ‘খুলনা বিভাগে গরম অনেক। বৃষ্টি হবে না। তাই ঈদের ছুটিতে ঢাকায় থাকব।’

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
১ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
২ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে