নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বিচারকদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা বিচার বিভাগ রাতের বেলা মোমবাতি জ্বেলে গণতন্ত্র হত্যা করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেবেন না। জাতি প্রত্যাশা করে বিচার বিভাগ বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য ১৩তম সংশোধনীর মতো কোনো রায় প্রদান করবেন না। যে রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিলোপ সাধন করা হয়েছে, তার পর থেকে বিগত ১৭ বছরে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ বিনা দোষে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। ৬ লাখের বেশি মানুষ রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। আমরা এমন বিচার বিভাগ চাই না। আমাদের প্রত্যাশা, আপনারা (বিচার বিভাগ) ন্যায়বিচার করুন।’
রাজধানীর একটি হোটেলে বিচার বিভাগীয় জাতীয় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রোববার এসব কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। ‘জুডিসিয়াল ইন্ডিপেন্ডেন্ট অ্যান্ড এফিসিয়েন্সি’ শীর্ষক ওই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কর্মকর্তা, বিভিন্ন জেলায় কর্মরত জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিচারকদের বিচার প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পুলিশ বিভাগের যারা ফ্যাসিজমের পক্ষে, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য দুবৃত্তায়নের আশ্রয় নিয়েছিল তাদের অনেকে বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু যারা রাতের বেলায় মোমবাতি জ্বেলে অন্যায়ভাবে গণতন্ত্র হত্যার জন্য, বাংলাদেশের মানুষকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার জন্য, সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছেন—তাদের কারও কারও বদলি হয়েছে মাত্র। এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতি ব্যক্তি টু ব্যক্তি ক্যান্সারের মতো হয়েছে। কিন্তু ইনটেলেকচ্যুয়াল (বুদ্ধিবৃত্তিক) দুর্নীতি হয়েছে অ্যাটম বোমার মতো। যেসব বিচারকেরা ইনটেলেকচ্যুয়াল দুর্নীতির মাধ্যমে বিচার বিভাগকে ধ্বংস করেছে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে—আমি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে তাদের বিচারের মুখোমুখি করার পক্ষে মত দিচ্ছি। যাতে বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিজমের জন্ম না হয়। যাতে আর গুম–খুনের রাজনীতি চালু না হয়। বিচারবহির্ভুতভাবে মানুষ হত্যার সংস্কৃতি চালু না হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বিচারকদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা বিচার বিভাগ রাতের বেলা মোমবাতি জ্বেলে গণতন্ত্র হত্যা করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেবেন না। জাতি প্রত্যাশা করে বিচার বিভাগ বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য ১৩তম সংশোধনীর মতো কোনো রায় প্রদান করবেন না। যে রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিলোপ সাধন করা হয়েছে, তার পর থেকে বিগত ১৭ বছরে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ বিনা দোষে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। ৬ লাখের বেশি মানুষ রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। আমরা এমন বিচার বিভাগ চাই না। আমাদের প্রত্যাশা, আপনারা (বিচার বিভাগ) ন্যায়বিচার করুন।’
রাজধানীর একটি হোটেলে বিচার বিভাগীয় জাতীয় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রোববার এসব কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। ‘জুডিসিয়াল ইন্ডিপেন্ডেন্ট অ্যান্ড এফিসিয়েন্সি’ শীর্ষক ওই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কর্মকর্তা, বিভিন্ন জেলায় কর্মরত জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিচারকদের বিচার প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পুলিশ বিভাগের যারা ফ্যাসিজমের পক্ষে, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য দুবৃত্তায়নের আশ্রয় নিয়েছিল তাদের অনেকে বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু যারা রাতের বেলায় মোমবাতি জ্বেলে অন্যায়ভাবে গণতন্ত্র হত্যার জন্য, বাংলাদেশের মানুষকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার জন্য, সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছেন—তাদের কারও কারও বদলি হয়েছে মাত্র। এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতি ব্যক্তি টু ব্যক্তি ক্যান্সারের মতো হয়েছে। কিন্তু ইনটেলেকচ্যুয়াল (বুদ্ধিবৃত্তিক) দুর্নীতি হয়েছে অ্যাটম বোমার মতো। যেসব বিচারকেরা ইনটেলেকচ্যুয়াল দুর্নীতির মাধ্যমে বিচার বিভাগকে ধ্বংস করেছে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে—আমি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে তাদের বিচারের মুখোমুখি করার পক্ষে মত দিচ্ছি। যাতে বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিজমের জন্ম না হয়। যাতে আর গুম–খুনের রাজনীতি চালু না হয়। বিচারবহির্ভুতভাবে মানুষ হত্যার সংস্কৃতি চালু না হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ শুক্রবার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন আরও ১৮ জন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আজ মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শেষে তাঁরা প্রার্থিতা ফেরত পান। একই সঙ্গে যশোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোছা. সাবিরা সুলতানাসহ চারজনের প্রার্থিতা বহাল রেখেছে ইসি।
৪ ঘণ্টা আগে
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণা করে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার অস্তিত্বকে ধারণ করতে হবে।’
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে এমন ৯৪৭টি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দ্রুত এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কারের জন্য ৬ কোটি ৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে কোন কোন বিদ্যালয় মেরামত হবে, কোন
৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশ অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ ও ২ আসনের নতুন তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতেই ভোট হবে, তবে অন্যান্য বিষয়ের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে