
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণা করে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার অস্তিত্বকে ধারণ করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবিত ছিলেন, আমি তাঁর জন্য বিভিন্ন প্রোগ্রামে যেতাম। তখন একটা কথা বলতাম, বেগম জিয়া ভালো থাকলে, ভালো থাকবে বাংলাদেশ। আমি বিশ্বাস করি, অবশ্যই উনি এখন ভালো আছেন। কিন্তু বাংলাদেশ কি ভালো আছে? বা ভালো থাকবে? যদি বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হয়, তাহলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে।’
আজ বিকেলে খালেদা জিয়ার স্মরণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘নাগরিক সমাজের’ উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘খালেদা জিয়া যখন জীবিত ছিলেন, বন্দী ছিলেন। ওনার পক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কথা বলার সুযোগ হয়েছে। তখন ওনার পক্ষে কথা বলার মানুষ খুঁজে পাওয়া যেত না।’
আইন উপদেষ্টা স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘ওনার (খালেদা জিয়া) একটা অদ্ভুত বিচার হয়েছিল, উদ্ভট বিচার। সেই বিচারে উনি শকড হয়েছিলেন অন্য পক্ষের আইনজীবীর কথা শুনে। উনি অবাক হয়ে বলেছিলেন যে “আমি মেরে খেয়েছি এতিমের টাকা”? বিস্মিত এবং ব্যথিত হয়ে বলা এই বাক্যটাকে বিচারক লিখেছিলেন যে বেগম জিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি কাজটা করেছেন।’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমি আইনের ছাত্র হিসেবে বলি, এত জঘন্য একটা বিচার হয়েছে। এটার বিপক্ষে বিবৃতি লিখে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি, ফোন করেছি বিভিন্ন মানুষকে, কিন্তু হাইকোর্টে কী করবেন না করবেন, এই ভয়ে চারজনের বেশি রাজি হয়নি। চারজনের তো বিবৃতি হয় না, এ জন্য পত্রিকায় ধরাতে পারিনি। উনি যখন মুমূর্ষু অবস্থায়, উনাকে চিকিৎসার জন্য যেন বিদেশে পাঠানো হয়, এ জন্য কত মানুষকে অনুনয়-বিনয় করেছি। অনেকের ইচ্ছা ছিল কিন্তু সাহস করেনি।’
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অনেক অসাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল। তিনি উনি সৎ, পরমতসহিষ্ণু ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। আত্মত্যাগী ভূমিকার জন্য ছিলেন অনন্য। তাঁর মধ্যে দেশপ্রেম ছিল, রুচির এক অবিস্মরণীয় প্রকাশ ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমার ভালো লাগছে, সবাই আমরা মুক্তভাবে বেগম জিয়ার প্রতি ভালোবাসা জানাতে পারছি। আল্লাহর কাছে হাজার শোকর এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা যে বাংলাদেশের মানুষ আজকে স্বাধীনভাবে ঘৃণাও প্রকাশ করতে পারছে, স্বাধীনভাবে ভালোবাসাও প্রকাশ করতে পারছে। এ জন্যই এক নেত্রীর ঠাঁই হয়েছে মানুষের হৃদয়ে, আরেকজনের ঠাঁই হয়েছে বিতাড়িত ভূমিতে।’
শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন। উপস্থাপনা করেন আশরাফ কায়সার ও কাজী জেসিন। এ সময় দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

হাকান ফিদানের এই সফরে কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—আগামীকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন। সে সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রণোদনা দেওয়ার মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সব বাংলাদেশি নাগরিককে এফডিআই আনয়নে অবদান রাখার লক্ষ্যে সরকার প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা স্কিম নীতিমালা প্রণয়ন করেছে...
২ ঘণ্টা আগে
দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, বগুড়া ও ময়মনসিংহে পৃথক ঘটনায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।
৩ ঘণ্টা আগে
‘আজ থেকে ৪০ বছর আগে আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমি তখন তাঁর ব্যক্তিগত সচিব ছিলাম। তিনি দুই দায়িত্বই সফলভাবে পালন করেছিলেন। তখন ছিল ইন্টারনেটপূর্ব যুগ। এখন প্রযুক্তির এই সময়ে দুটো কাজ একসঙ্গে করা আরও সহজ...
৪ ঘণ্টা আগে