
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সারাদেশে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার রায় ঘোষণার সময় তাঁরা কেউ হাজির ছিলেন না, দুজনেই ভারতে অবস্থান করছেন।
দুজনেই পলাতক থাকায় মামলার পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানেত চাইলে চিফ প্রসিকিউটর মোহামামদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘দুজনকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে রাষ্ট্র দুই ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে। একটি হচ্ছে, ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত ২০১৩ সালের যে অপরাধীর বহিঃসমর্পণ চুক্তি। সেই চুক্তি অনুযায়ী তাদেরকে বাংলাদেশ ভারত সরকারের কাছে ফেরত চাইবে। তাদেরকে বাংলাদেশে ফেরত আনার মাধ্যমে সাজা কার্যকর করা যায়।’
তিনি আরো বলেন, ‘দ্বিতীয় প্রক্রিয়া হচ্ছে, ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশে এনে সেই সাজা কার্যকর করা যেতে পারে। এই ব্যাপারে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্মিলিতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আসামিরা চাইলে ৩০ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে আপিল দায়ের করতে পারবেন। কিন্তু পলাতকরা আপিল করতে পারবেন না। কারণ পলাতক ব্যক্তির আইনগত অধিকার থাকে না। আপিল করতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করতে হবে। তারপর কারাগারে গিয়ে দণ্ডিত ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।’

রাজধানীর বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন বরেণ্য শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ার। সাবেক কর্মস্থল বিটিভি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে দুই দফা জানাজার পর আজ মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে সমাহিত করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় চট্টগ্রামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
তবে রায়ের পর এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘তারেক রহমানের আমলে ফরমায়েশি রায়ে আরেকবার সাজা দেওয়া হয়েছে। প্রহসনের আদালতে ফরমায়েশি রায়ের নিন্দা করি। ইতিহাসে লেখা থাকবে, ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমানের আমলেও আমাকে প্রহসনের রায়ে সাজা দেওয়া হয়েছিল...
৯ ঘণ্টা আগে
‘ইনুর ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডে সারা দেশে প্রায় ১৪ হাজার ছাত্র-জনতা শহীদ হন। ১৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছিল। সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির আওতায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যেভাবে এই দায়টা আসে, ঠিক একই রকম দায় হাসানুল ইনুর বিরুদ্ধেও বর্তায়। শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড হলে ইনুর ১০ বছর হতে পারে না...
১০ ঘণ্টা আগে