
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে বৈঠক করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ সোমবার বেলা দেড়টার দিকে সুপ্রিম কোর্টে আসেন সিইসি। প্রায় আধঘণ্টা বৈঠক শেষে দুটার দিকে সুপ্রিম কোর্ট থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
বৈঠক শেষে বের হয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি শপথ পড়িয়েছেন। আমি বিচার বিভাগে ছিলাম। তিনি কিছুদিনের মধ্যেই অবসরে যাবেন। সে জন্য সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলাম।’
এ সময় কয়েকটি নির্বাচনী এলাকার সীমানা নিয়ে হাইকোর্টের রুলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমার অফিস কথা বলবে।’
বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাংগীর আলম, যুগ্ম সচিব মাহবুবুর রহমান সরকার উপস্থিত ছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
এর আগে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করতে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছালে তাঁদের অভ্যর্থনা জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মুন্সি মশিয়ার রহমান, আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ সাইফুর রহমান, হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (বিচার) এসকেএম তোফায়েল হাসান, স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসাইন ও হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার কাজী আরাফাত উদ্দিন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রমতে শ্রীকৃষ্ণ প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে মথুরায় এমন একসময় জন্মগ্রহণ করেন, যখন মথুরার শাসক ছিলেন নিষ্ঠুর, অত্যাচারী ও স্বৈরাচারী ‘কংস’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের পর কংসের পতন ঘটে।
৩২ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশেও গণতন্ত্রকামী জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়ে’ কংসের’ মতো এক নিষ্ঠুর শাসক জনগণের কাঁধে চেপে বসেছিল। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ‘কংস’রূপী সেই ফ্যাসিস্টদের পতন ঘটিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধি, ধর্মীয় গুরু, বিশিষ্ট নাগরিক এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পুরোহিত ও সেবায়েতগণ অংশ নিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া ‘মক্কা চুক্তি’কে তারা তেহরানের বিরুদ্ধে কোনো উদ্যোগ হিসেবে দেখছে না। একই সঙ্গে এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার আগ্রহ বা সিদ্ধান্ত নিয়েও ইরানের কোনো উদ্বেগ নেই।
১২ ঘণ্টা আগে