আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে সাভারে পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টার ও আশপাশ থেকে গত সাতে মাসের মধ্যে ছয়টি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মশিউর রহমান সবুজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই ঘটনার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছেন আরেক সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ।
ভালোবাসার অভিনয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েদের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণের পর হত্যা করাই ছিল রসু খাঁর নেশা। লক্ষ্য ছিল ১০১টি হত্যাকাণ্ড ঘটানোর, কিন্তু ১১ জন নারীকে হত্যার পর পুলিশের জালে ধরা পড়ে থামতে হয় তাঁকে। বাংলাদেশের অপরাধ জগতের ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস নাম রসু খাঁকে একটি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
চাঁদপুর আদালতের সহকারী জজ অরুনাথ চক্রবর্তী আলোচিত শাহিদা বেগম হত্যা মামলায় এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত রসু খাঁকে সম্পূর্ণ ভাবলেশহীন ও নির্বিকার দেখা যায়। রসু খাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মোট ১০টি মামলার মধ্যে এটি প্রথম রায়। বাকি ৯টি মামলা এখনো বিচারাধীন।
যেভাবে অপরাধ জগতে আসেন রসু খাঁ
চাঁদপুর সদর উপজেলার মদনা গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম রশিদ খাঁ ওরফে রসু খাঁর। বাবা আবুল হোসেন ওরফে মনু খাঁ ছিলেন খেতমজুর। বাবার মৃত্যুর পর অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে পরিবারটি। জমি নিয়ে বিরোধ আর অভাবের তাড়নায় রসু জড়িয়ে পড়েন ছোটখাটো চুরিতে। এলাকাবাসী তাঁকে ‘চোর-চোট্টা’ বলে গালিগালাজ করত, যা তাঁর মনে গভীর ক্ষোভের জন্ম দেয়। ১৫-১৬ বছর আগে প্রথম বিয়ে করেন। কিন্তু বাসরঘরে গিয়ে জানতে পারেন স্ত্রীর এক চোখ অন্ধ। এই ঘটনায় প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন এবং দুই বছর পর গর্ভবতী স্ত্রীকে ফেলে শ্যালিকা রীনা বেগমকে নিয়ে টঙ্গীতে পালিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সেখানেই অপরাধ জগতের সঙ্গে স্থায়ীভাবে জড়িয়ে পড়েন।
১০১ খুনের নেপথ্যে থাকা জেদ
রসু খাঁর ভাষ্যমতে, টঙ্গীতে থাকাকালে এক পোশাককর্মীর সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারী তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করে অন্য এক যুবকের সঙ্গে প্রেমে জড়ান। রসু খাঁ এতে বাধা দিলে ওই নারী তাঁর প্রেমিকের সহযোগিতায় পাঁচ-ছয়জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে তাঁকে একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদে তুলে বেদম মারধর করেন। সেই অপমানের প্রতিশোধ নিতে এবং পুরো নারী জাতির ওপর ক্ষোভ থেকে তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, ১০১ জন নারীকে ধর্ষণ শেষে খুন করবেন। মূলত গার্মেন্ট কর্মীরাই ছিল তাঁর প্রধান টার্গেট।
হত্যাকাণ্ডের ধরন ও নৃশংসতা
রসু খাঁ মূলত ঢাকা, সাভার ও টঙ্গী এলাকার নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েদের টার্গেট করতেন। প্রেমের অভিনয় করে তাঁদের চাঁদপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়ে যেতেন। রসু খাঁ তাঁর শ্যালিকার স্বামী মান্নানের সঙ্গে মিলেও হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এমনকি নিজ শালার স্ত্রীকেও হত্যা করতে দ্বিধা করেননি। রসু ও মান্নান মিলে ২০০৭ সালের ১৯ জুন শালার স্ত্রীকে ফরিদগঞ্জের ভাটিয়া গ্রামে ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা করে পানিতে ডুবিয়ে দেন।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে রসু ভুক্তভোগী নারীদের হাত-পা বেঁধে নদী, খাল বা ডোবার পানিতে ফেলে দিতেন। অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভুক্তভোগী নারীর মুখ চেপে ধরে পানিতে চুবিয়ে রাখতেন। তাঁর এই নৃশংসতা কুখ্যাত খুনি এরশাদ শিকদারের নিষ্ঠুরতাকেও হার মানায়। তিনি স্বীকার করেছেন, হত্যার আগে ভুক্তভোগী নারীদের ধর্ষণ করতেন এবং মাঝেমধ্যে সহযোগীদেরও সুযোগ করে দিতেন।
যেভাবে ধরা পড়েন রসু খাঁ
২০০৯ সালের ৭ জুলাই পারভীন আক্তার নামের এক তিন সন্তানের জননীকে হত্যাই ছিল রসু খাঁর সর্বশেষ অপরাধ। পারভীনকে হত্যার পর নিজেই রিকশাচালক সেজে ফরিদগঞ্জ থানায় গিয়ে পুলিশকে জানান, তাঁর পরিচিত দুই ব্যক্তি এই খুনের সঙ্গে জড়িত। পুলিশ শুরুতে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করলেও কোনো ক্লু পাচ্ছিল না।
তবে ভাগ্য রসু খাঁর সহায় হয়নি। এর কিছুদিন আগে একটি মসজিদের ১২টি ফ্যান চুরির দায়ে রসু ধরা পড়েছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁর মোবাইল ফোন ও সিম কার্ডটি রেখে দেন। পরে জনৈক যুবক ওই সিমটি ব্যবহার শুরু করলে পারভীন হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মীর কাশেম ওই নম্বরে কল দেন। সিম কার্ডের সূত্র ধরেই পুলিশ শেষ পর্যন্ত কুখ্যাত খুনি রসু খাঁকে শনাক্ত করে এবং ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর টঙ্গীর বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
উচ্চ আদালতে মৃত্যুদণ্ড বহাল
২০২৪ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট পারভীন হত্যা মামলায় রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। রায়ে বলা হয়, রসু খাঁ একজন সিরিয়াল কিলার, তাই তিনি কোনো অনুকম্পা পেতে পারেন না। এই মামলায় অপর দুই আসামি জহিরুল ও ইউনুছের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হলেও রসু খাঁর ফাঁসির আদেশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
রসু খাঁ কোথায়
বর্তমানে রসু খাঁ কারাগারে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার বিচার কার্যক্রম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চলমান। তাঁর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার অধিকাংশ নারীর সঠিক পরিচয় আজও পাওয়া যায়নি।
ফাঁসির আদেশ পাওয়া রসু খাঁকে (৫২) কিছুদিন আগে কুমিল্লার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি ফাঁসির আসামিদের সেলে আছেন।
রসু খাঁ সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারাগারে কয়েদিদের বাইরের থেকে আনা খাবার গ্রহণ করা হয় না। রসু খাঁকেও কারাগারের রান্না হওয়া খাবারই খেতে হয়। তবে কোনো স্বজন এই কারাগারে রসু খাঁকে দেখতে এখনো আসেননি।
এর আগে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ ও তাঁর দুই সহযোগী। এই কারাগারের যে ভবনে ছিলেন, সেই ভবন ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হবে। সে জন্য তাঁদের কিছুদিন আগে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। নতুন ভবন নির্মিত হলে তাঁদের আবার কুমিল্লার কারাগারে ফিরিয়ে আনা হবে।
ফাঁসির আসামি রসু খাঁ ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তাঁর ভাগনেসহ তিনজনের বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতে আপিলের আবেদন (লিভ টু আপিল) করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে সাভারে পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টার ও আশপাশ থেকে গত সাতে মাসের মধ্যে ছয়টি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মশিউর রহমান সবুজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই ঘটনার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছেন আরেক সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ।
ভালোবাসার অভিনয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েদের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণের পর হত্যা করাই ছিল রসু খাঁর নেশা। লক্ষ্য ছিল ১০১টি হত্যাকাণ্ড ঘটানোর, কিন্তু ১১ জন নারীকে হত্যার পর পুলিশের জালে ধরা পড়ে থামতে হয় তাঁকে। বাংলাদেশের অপরাধ জগতের ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস নাম রসু খাঁকে একটি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
চাঁদপুর আদালতের সহকারী জজ অরুনাথ চক্রবর্তী আলোচিত শাহিদা বেগম হত্যা মামলায় এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত রসু খাঁকে সম্পূর্ণ ভাবলেশহীন ও নির্বিকার দেখা যায়। রসু খাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মোট ১০টি মামলার মধ্যে এটি প্রথম রায়। বাকি ৯টি মামলা এখনো বিচারাধীন।
যেভাবে অপরাধ জগতে আসেন রসু খাঁ
চাঁদপুর সদর উপজেলার মদনা গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম রশিদ খাঁ ওরফে রসু খাঁর। বাবা আবুল হোসেন ওরফে মনু খাঁ ছিলেন খেতমজুর। বাবার মৃত্যুর পর অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে পরিবারটি। জমি নিয়ে বিরোধ আর অভাবের তাড়নায় রসু জড়িয়ে পড়েন ছোটখাটো চুরিতে। এলাকাবাসী তাঁকে ‘চোর-চোট্টা’ বলে গালিগালাজ করত, যা তাঁর মনে গভীর ক্ষোভের জন্ম দেয়। ১৫-১৬ বছর আগে প্রথম বিয়ে করেন। কিন্তু বাসরঘরে গিয়ে জানতে পারেন স্ত্রীর এক চোখ অন্ধ। এই ঘটনায় প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন এবং দুই বছর পর গর্ভবতী স্ত্রীকে ফেলে শ্যালিকা রীনা বেগমকে নিয়ে টঙ্গীতে পালিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সেখানেই অপরাধ জগতের সঙ্গে স্থায়ীভাবে জড়িয়ে পড়েন।
১০১ খুনের নেপথ্যে থাকা জেদ
রসু খাঁর ভাষ্যমতে, টঙ্গীতে থাকাকালে এক পোশাককর্মীর সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারী তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করে অন্য এক যুবকের সঙ্গে প্রেমে জড়ান। রসু খাঁ এতে বাধা দিলে ওই নারী তাঁর প্রেমিকের সহযোগিতায় পাঁচ-ছয়জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে তাঁকে একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদে তুলে বেদম মারধর করেন। সেই অপমানের প্রতিশোধ নিতে এবং পুরো নারী জাতির ওপর ক্ষোভ থেকে তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, ১০১ জন নারীকে ধর্ষণ শেষে খুন করবেন। মূলত গার্মেন্ট কর্মীরাই ছিল তাঁর প্রধান টার্গেট।
হত্যাকাণ্ডের ধরন ও নৃশংসতা
রসু খাঁ মূলত ঢাকা, সাভার ও টঙ্গী এলাকার নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েদের টার্গেট করতেন। প্রেমের অভিনয় করে তাঁদের চাঁদপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়ে যেতেন। রসু খাঁ তাঁর শ্যালিকার স্বামী মান্নানের সঙ্গে মিলেও হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এমনকি নিজ শালার স্ত্রীকেও হত্যা করতে দ্বিধা করেননি। রসু ও মান্নান মিলে ২০০৭ সালের ১৯ জুন শালার স্ত্রীকে ফরিদগঞ্জের ভাটিয়া গ্রামে ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা করে পানিতে ডুবিয়ে দেন।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে রসু ভুক্তভোগী নারীদের হাত-পা বেঁধে নদী, খাল বা ডোবার পানিতে ফেলে দিতেন। অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভুক্তভোগী নারীর মুখ চেপে ধরে পানিতে চুবিয়ে রাখতেন। তাঁর এই নৃশংসতা কুখ্যাত খুনি এরশাদ শিকদারের নিষ্ঠুরতাকেও হার মানায়। তিনি স্বীকার করেছেন, হত্যার আগে ভুক্তভোগী নারীদের ধর্ষণ করতেন এবং মাঝেমধ্যে সহযোগীদেরও সুযোগ করে দিতেন।
যেভাবে ধরা পড়েন রসু খাঁ
২০০৯ সালের ৭ জুলাই পারভীন আক্তার নামের এক তিন সন্তানের জননীকে হত্যাই ছিল রসু খাঁর সর্বশেষ অপরাধ। পারভীনকে হত্যার পর নিজেই রিকশাচালক সেজে ফরিদগঞ্জ থানায় গিয়ে পুলিশকে জানান, তাঁর পরিচিত দুই ব্যক্তি এই খুনের সঙ্গে জড়িত। পুলিশ শুরুতে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করলেও কোনো ক্লু পাচ্ছিল না।
তবে ভাগ্য রসু খাঁর সহায় হয়নি। এর কিছুদিন আগে একটি মসজিদের ১২টি ফ্যান চুরির দায়ে রসু ধরা পড়েছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁর মোবাইল ফোন ও সিম কার্ডটি রেখে দেন। পরে জনৈক যুবক ওই সিমটি ব্যবহার শুরু করলে পারভীন হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মীর কাশেম ওই নম্বরে কল দেন। সিম কার্ডের সূত্র ধরেই পুলিশ শেষ পর্যন্ত কুখ্যাত খুনি রসু খাঁকে শনাক্ত করে এবং ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর টঙ্গীর বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
উচ্চ আদালতে মৃত্যুদণ্ড বহাল
২০২৪ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট পারভীন হত্যা মামলায় রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। রায়ে বলা হয়, রসু খাঁ একজন সিরিয়াল কিলার, তাই তিনি কোনো অনুকম্পা পেতে পারেন না। এই মামলায় অপর দুই আসামি জহিরুল ও ইউনুছের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হলেও রসু খাঁর ফাঁসির আদেশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
রসু খাঁ কোথায়
বর্তমানে রসু খাঁ কারাগারে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার বিচার কার্যক্রম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চলমান। তাঁর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার অধিকাংশ নারীর সঠিক পরিচয় আজও পাওয়া যায়নি।
ফাঁসির আদেশ পাওয়া রসু খাঁকে (৫২) কিছুদিন আগে কুমিল্লার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি ফাঁসির আসামিদের সেলে আছেন।
রসু খাঁ সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারাগারে কয়েদিদের বাইরের থেকে আনা খাবার গ্রহণ করা হয় না। রসু খাঁকেও কারাগারের রান্না হওয়া খাবারই খেতে হয়। তবে কোনো স্বজন এই কারাগারে রসু খাঁকে দেখতে এখনো আসেননি।
এর আগে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ ও তাঁর দুই সহযোগী। এই কারাগারের যে ভবনে ছিলেন, সেই ভবন ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হবে। সে জন্য তাঁদের কিছুদিন আগে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। নতুন ভবন নির্মিত হলে তাঁদের আবার কুমিল্লার কারাগারে ফিরিয়ে আনা হবে।
ফাঁসির আসামি রসু খাঁ ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তাঁর ভাগনেসহ তিনজনের বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতে আপিলের আবেদন (লিভ টু আপিল) করা হয়েছে।

কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। সেই রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
২২ মিনিট আগে
সারাদেশের মসজিদগুলোর জনবল কাঠামো শক্তিশালী করতে এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি গেজেটে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর আওতায় বিভিন্ন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে দিয়ে বুধবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন।
৩১ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ৩০৫ জন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে এখন মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
২ ঘণ্টা আগে