প্রতিনিধি

পার্বত্য চট্টগ্রাম: রাজস্ব আদায়ে দেশের সব কাস্টমস হাউস ও স্টেশনে একযোগে চালু হচ্ছে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা। আগামী ১ জুলাই থেকে দেশের সব কাস্টমস হাউস ও স্টেশনে এই ই–পেমেন্ট ব্যবস্থা একযোগে চালু হবে। আপাতত ২ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব ও শুল্ক ই-পেমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার সদস্যদের কাছে এ সম্পর্কিত একটি চিঠি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটির সদস্যদের এ বিষয়ে প্রস্তুত গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আমদানি ও রপ্তানিকারকদের পণ্য খালাস ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে অটোমেটেড সিস্টেম ফর কাস্টমস ডেটা ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে এই ই–পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস) ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ই-পেমেন্ট করা যাবে। আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রমে গতি আনতে আগামী ১ জুলাই থেকে এই ই–পেমেন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নতুন এই পদ্ধতিকে স্বাগত জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট তাকি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘ই-পেমেন্ট চালু হলে শুল্ক পরিশোধ অনেক সহজ হবে এবং সময় বাঁচবে। এতে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে মনে হচ্ছে।’
প্রথম পর্যায়ে আগামী ১ জুলাই থেকে ২ লাখ টাকার বেশি পণ্যের রাজস্ব বা শুল্ক ই–পেমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সব ক্ষেত্রেই ই-পেমেন্ট চালুর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এ নিয়মে রাজস্ব পরিশোধের ক্ষেত্রে অবশ্যই কাস্টমস অফিস কোড, বিল অব এন্ট্রির (বি/ই) বছর, বি/ই নম্বরর, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের আইঅ্যান্ড নম্বর, অ্যাসেসমেন্ট ডিউটি (দশমিকের পরের) সংখ্যাসহ সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মোবাইল নম্বর আরটিজিএস ফরমে পূরণ করে রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে। রাজস্ব পরিশোধের পর আরটিজিএস ফরমে লেখা মোবাইল নম্বরে কনফারমেশন আসার পর বন্দরে গিয়ে পণ্য চালান ডেলিভারি দেওয়া যাবে। যদি কোনো কারণে রাজস্ব পরিশোধ সম্পন্ন না হয়, তাহলে মোবাইলে ‘এরর’ ম্যাসেজ আসবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে customs.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম: রাজস্ব আদায়ে দেশের সব কাস্টমস হাউস ও স্টেশনে একযোগে চালু হচ্ছে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা। আগামী ১ জুলাই থেকে দেশের সব কাস্টমস হাউস ও স্টেশনে এই ই–পেমেন্ট ব্যবস্থা একযোগে চালু হবে। আপাতত ২ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব ও শুল্ক ই-পেমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার সদস্যদের কাছে এ সম্পর্কিত একটি চিঠি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটির সদস্যদের এ বিষয়ে প্রস্তুত গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আমদানি ও রপ্তানিকারকদের পণ্য খালাস ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে অটোমেটেড সিস্টেম ফর কাস্টমস ডেটা ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে এই ই–পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস) ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ই-পেমেন্ট করা যাবে। আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রমে গতি আনতে আগামী ১ জুলাই থেকে এই ই–পেমেন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নতুন এই পদ্ধতিকে স্বাগত জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট তাকি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘ই-পেমেন্ট চালু হলে শুল্ক পরিশোধ অনেক সহজ হবে এবং সময় বাঁচবে। এতে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে মনে হচ্ছে।’
প্রথম পর্যায়ে আগামী ১ জুলাই থেকে ২ লাখ টাকার বেশি পণ্যের রাজস্ব বা শুল্ক ই–পেমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সব ক্ষেত্রেই ই-পেমেন্ট চালুর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এ নিয়মে রাজস্ব পরিশোধের ক্ষেত্রে অবশ্যই কাস্টমস অফিস কোড, বিল অব এন্ট্রির (বি/ই) বছর, বি/ই নম্বরর, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের আইঅ্যান্ড নম্বর, অ্যাসেসমেন্ট ডিউটি (দশমিকের পরের) সংখ্যাসহ সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মোবাইল নম্বর আরটিজিএস ফরমে পূরণ করে রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে। রাজস্ব পরিশোধের পর আরটিজিএস ফরমে লেখা মোবাইল নম্বরে কনফারমেশন আসার পর বন্দরে গিয়ে পণ্য চালান ডেলিভারি দেওয়া যাবে। যদি কোনো কারণে রাজস্ব পরিশোধ সম্পন্ন না হয়, তাহলে মোবাইলে ‘এরর’ ম্যাসেজ আসবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে customs.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে।

সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছান।
২২ মিনিট আগে
২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
৩ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে