
বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নয়টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এই সময়ে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে বিকল্প হিসেবে ট্রান্সশিপমেন্ট (ট্রেন পরিবর্তন) ব্যবস্থা চালু করেছে রেলওয়ে।
গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের নির্দিষ্ট পয়েন্টে নেমে অন্য ট্রেনে উঠে গন্তব্যে যেতে হবে।
রেলওয়ে জানায়, ঢাকা–পঞ্চগড়–ঢাকা রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস ব্যবহার করে ট্রান্সশিপমেন্ট করা হবে। খুলনা–নীলফামারী রুটে সীমান্ত ও রূপসা এক্সপ্রেস দিয়ে একই ব্যবস্থা চালু থাকবে। এ ছাড়া পার্বতীপুর, রাজশাহী ও চিলাহাটি রুটেও কয়েকটি ট্রেনের মাধ্যমে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে কিছু ট্রেনের চলাচলে পরিবর্তন আনা হয়েছে। কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস বগুড়া হয়ে চলবে। বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের কয়েকটি ট্রিপ আংশিক পরিবর্তন ও কিছু যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, লাইনচ্যুত হওয়া নয়টি কোচ উদ্ধার করতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। উদ্ধার কাজ শেষ হলে ওই রুটে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
এর আগে বুধবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে নীলফামারীর চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস সান্তাহার এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে।

কাগজ-কলমে ঢাকা থেকে রংপুরে যেতে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের সময় লাগে ৯ ঘণ্টা ৫০ মিনিট। কিন্তু বাস্তবে আরও অনেক রুটের মতো এই পথেও তা যেন সময়সূচির পাতায় সীমাবদ্ধ। ১ আগস্টের যাত্রায় পার্বতীপুরে ট্রেনটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এতে ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিট দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছায় ট্রেনটি।
৩ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে পাইপলাইনের গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট গতকাল বুধবার আবার বেড়েছে। ফলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাসের চুলা দিনের বেশির ভাগ সময়ই জ্বলছে না। রাজধানীসহ সারা দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং করা হচ্ছে। শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেশি। গ্রামে ১০-১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অনেক মানুষ সরকারি বিভিন্ন সেবা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আর জন্মনিবন্ধন না থাকা, ঠিকানা ও পরিচয়সংক্রান্ত জটিলতাসহ নানা কারণে তাঁদের এনআইডি পেতে সমস্যা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আটটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জাতীয় সংসদে ভোটাভুটি হয়েছে। একক প্রার্থী থাকায় পরের সাতবার ভোটের প্রয়োজন হয়নি। এবার অবশ্য প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন।
৬ ঘণ্টা আগে