Ajker Patrika

রামপুরা-বনশ্রী আন্দোলন

পায়ের পেছন দিয়ে গুলি ঢুকে হাড় গুঁড়া করে বেরিয়ে যায়: ছাত্রের জবানবন্দি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৬, ২২: ০৮
পায়ের পেছন দিয়ে গুলি ঢুকে হাড় গুঁড়া করে বেরিয়ে যায়: ছাত্রের জবানবন্দি
ছবি: সংগৃহীত

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরা-বনশ্রী এলাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার সাক্ষ্য দিয়েছেন গুলিতে আহত শিক্ষার্থী রাতুল হাসান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তাঁর জবানবন্দি নেওয়া হয়।

এই মামলার চার আসামির মধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম গ্রেপ্তার রয়েছেন। অপর দুজন ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান পলাতক।

জবানবন্দিতে রাতুল হাসান জানান, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রামপুরায় আন্দোলনে গিয়ে তাঁর বন্ধু রিফাত ইসলাম পুলিশের গুলিতে আহত হন। পরদিন (১৯ জুলাই) জুমার নামাজের পর রামপুরার মাল্টিকেয়ার হাসপাতালের সামনে তাঁরা আবার আন্দোলনে যোগ দেন। তখন বিজিবি ও পুলিশ কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই গুলিবর্ষণ শুরু করে। তখন তিনি বেটার লাইফ হাসপাতালের দিকে দৌড় দেন। ওই সময় একটি গুলি তাঁর বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচে পেছন দিক দিয়ে ঢুকে সামনের দিক দিয়ে বের হয়ে যায়। হাড় প্রায় দেড় ইঞ্চি ক্ষয় হয় এবং ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। পরে তাঁর ভাগনে সুলাইমান ও আন্দোলনকারীদের সহায়তায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি হন।

রাতুল আরও জানান, পরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে জানতে পারেন—ঘটনার দিন বিজিবির লে. কর্নেল রেদোয়ান, মেজর রাশেদ, রামপুরা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান এবং ওই এলাকার পুলিশের এডিসি গুলি করেন। পুলিশ ও বিজিবির আরও অনেক সদস্য ছিলেন, যাঁদের তিনি চেনেন না। যাঁরা গুলিবর্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন ও যাঁরা গুলিবর্ষণ করেছেন, তিনি তাঁদের বিচার দাবি করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত