জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) মর্যাদাপূর্ণ ডিজিটাল কমিউনিকেশন অ্যাওয়ার্ড জিতেছে ইকরামুল হাসান শাকিলের এভারেস্ট জয়ের ছবি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইউএনডিপি অফিসের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে শাকিলের ছবিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজি) বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
এ ছাড়াও ইউএনডিপি বাংলাদেশ শর্ট ভিডিও বিভাগে প্রথম স্থান এবং স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ অ্যান্ড ডোনার এনগেজমেন্ট বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। শনিবার ইউএনডিপির ওয়েবসাইটে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউএনডিপি বাংলাদেশের ইয়ুথ অ্যাডভোকেট হিসেবে প্লাস্টিক দূষণ রোধ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে গত বছর কক্সবাজার থেকে হেঁটে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন শাকিল। ‘সাগর থেকে শিখরে’ শিরোনামের এই অভিযানের মাধ্যমে তিনি পরিবেশ রক্ষার সচেতনতা ছড়িয়ে দিয়েছেন।
ইউএনডিপি বাংলাদেশের কমিউনিকেশন প্রধান মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, ‘শাকিলের এই ঐতিহাসিক অভিযানের সাক্ষী হতে পেরে আমরা গর্বিত। এই কাজের মাধ্যমে শাকিল তিন দেশে যৌথভাবে প্লাস্টিক দূষণ রোধে কার্যকরী বার্তা পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছেন।’

শাকিলের যাত্রা শুরু হয় ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। ইনানী সমুদ্রসৈকত থেকে শুরু করে তিনি চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, সিরাজগঞ্জ, পঞ্চগড় হয়ে বাংলাদেশ পেরিয়ে ভারতে ঢোকেন। জ্বালানির ব্যবহার কমাতে সাঁতরে পেরিয়েছেন তিন কিলোমিটার যমুনা নদী। তারপর ভারত অতিক্রম করে ৩১ মার্চ তিনি পৌঁছান নেপালে। টানা ১ হাজার ৩৭২ কিলোমিটার হাঁটার পর তিনি ২৯ এপ্রিল ৬৪ দিনে পৌঁছে যান এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে।

৬ মে তিনি রোটেশনে বের হয়ে ক্যাম্প-৩ পর্যন্ত যান এবং ১০ মে আবার বেস ক্যাম্পে ফিরে আসেন। এরপর ১৬ মে থেকে চূড়ায় ওঠার চূড়ান্ত অভিযান শুরু করেন। একে একে ক্যাম্প-২, ক্যাম্প-৩ এবং ক্যাম্প-৪ অতিক্রম করে অবশেষে ১৯ মে নেপাল সময় সকাল সাড়ে ৬টায় এভারেস্টের শীর্ষে পা রাখেন শাকিল।

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আমাদের দৈনন্দিন জীবন এখন অনেকটাই স্ক্রিননির্ভর। বাজার করার তালিকা বানানো থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ নোট—সবকিছুতেই আমাদের আঙুল চলে কি-বোর্ডের ওপর। তবে সম্প্রতি মনস্তত্ত্ব ও নিউরোসায়েন্সের গবেষণায় দেখা গেছে, কম্পিউটারে টাইপ করার চেয়ে হাত দিয়ে লেখার মধ্যে মস্তিষ্কের এক দারুণ ক্ষমতা
১ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়ার বদল কিংবা দিন শেষে ক্লান্ত মন নিয়ে একটি ভিন্ন স্বাদের কিছু খেতে ইচ্ছা করে অনেকের। সব সময় একই নুডলস না খেয়ে একটু ভিন্ন কিছুর স্বাদ তো নেওয়াই যায়। সেখানে যদি আদা-রসুনের সুবাস এবং হালকা ঝালের এক অপূর্ব মিশ্রণ ঘটে, তবে তো কথায় নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেমের সম্পর্কে আসা মানেই যেন সম্পর্কের রং চেনার এক নিরন্তর খেলা। সম্পর্কের নীল আকাশে যেমন কখনো কখনো লাল সতর্কবার্তা থমকে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয়, তেমনি কিছু ক্ষেত্রে ভেসে ওঠে হলুদ সংকেত বা ‘ইয়েলো ফ্ল্যাগ’। ট্রাফিক লাইটের হলুদ আলো মানেই গাড়ি থামিয়ে একটু থামা, দেখা এবং ভাবা। সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইয়েলো
১৫ ঘণ্টা আগে
মানুষের জীবনের পথে হাঁটা সব সময় একরকম হয় না। আলো আর ছায়ার মতো সুখ আর দুঃখ, সংশয় আর আত্মবিশ্বাস হাত ধরাধরি করে চলে। কখনো কোনো এক হঠাৎ আড্ডায়, বাসে কিংবা অপরিচিত মানুষের মাঝে দাঁড়িয়ে বুকের ভেতরটা অজানা ভয়ে কেঁপে ওঠে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের কোনো একটি খামতি দেখে কিংবা অতীতের কারও বিষাক্ত মন্তব্যের
১৭ ঘণ্টা আগে