ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

একলা ভ্রমণ বা সলো ট্রাভেল মানেই একা থাকা নয়; বরং নতুন নতুন মানুষের সান্নিধ্যে নিজের দুনিয়া বড় করে দেখার সেরা সুযোগ। যদিও একা থাকা মাঝেমধ্যে কষ্ট দেয়, কখনো নিঃসঙ্গতাও পেয়ে বসতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ টিপস একাকিত্বের নিঃসঙ্গতা কাটিয়ে আপনার ভ্রমণকে জীবনের সেরা সময়ে পরিণত করতে পারে। ভ্রমণের জায়গাকে বানিয়ে দিতে পারে নিজের বাড়ি।
একাকী ভ্রমণের রোমাঞ্চে অনেকে হারিয়ে যান। নতুন শহর, অজানা রাস্তা, স্বপ্নের গন্তব্য—এসবই ভ্রমণের সৌন্দর্য। তবে এই রোমাঞ্চের মাঝেও একটা সময় আসে, যখন চেনা কারও মুখ, একটু হাসি বা এক কাপ চায়ের গল্প খুব দরকার হয়ে পড়ে। তখনই মনে হয়, যদি পরিচিত কাউকে পাশে পাওয়া যেত!
একা ভ্রমণ করলেও আপনি কিন্তু একা নন। কিছু কার্যকর কৌশল অবলম্বন করলে পৌঁছে যেতে পারেন স্থানীয় সংস্কৃতির খুব কাছাকাছি, আর গড়ে তুলতে পারেন বন্ধুত্বের এক অনন্য সেতুবন্ধ। দূর করতে পারেন নিঃসঙ্গতা। পেতে পারেন আত্ম-আবিষ্কারের সুযোগ। এই আত্ম-আবিষ্কারে বড় সহচর হতে পারে একজন নতুন বন্ধু, যাকে আপনি খুঁজে পাবেন হয়তো এক কাপ কফির পাশে বা রাস্তার গানে কিংবা একসঙ্গে চলতে চলতে।
কী করতে হবে, ভাবছেন? জানিয়ে দিচ্ছি—
ভয় নয়, কৌতূহল হোক পাথেয়
কোনো নতুন শহরে বা কোনো নতুন জায়গায় প্রথম পা রাখার আগে জরুরি প্রস্তুতি হলো নিজের মনকে প্রস্তুত করা। কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন? ভাবছেন, যদি লোকজন বিরক্ত হয়? চিন্তার কিছু নেই। আপনি হয়তো ওই ব্যক্তিকে জীবনে আর কখনো দেখবেন না! তাই ভয় ঝেড়ে ফেলে মন খুলে কথা বলুন। আলাপচারিতা হোক আপনার প্রথম ভিসা। মানসিকভাবে সব সময় প্রস্তুত থাকুন। ভয়ে ভয়ে বেড়াবেন না। ইতিবাচকভাবে জানতে চান, যেখানে গেছেন, তার ইতিহাস-ভূগোল কিংবা সংস্কৃতি সম্পর্কে।

স্থানীয় ইভেন্ট মানেই নতুন কিছু
যেকোনো জনপদের প্রাণ লুকিয়ে থাকে তার রাস্তায়, উৎসবে, শিল্পচর্চায় আর খাবারে। তাই গুগলে খুঁজুন আপনার অবস্থানের আশপাশে কী চলেছে? এই কাজ আপনি ভ্রমণ পরিকল্পনা করার সময় করে রাখার চেষ্টা করুন। আবার ভ্রমণে যাওয়ার পর সেখানে নতুন কিছু চোখে পড়লে তা জানার চেষ্টা করুন। নতুন কোনো জায়গায় হওয়া উৎসব, কনসার্ট, শিল্পচর্চা বা কবিতাসন্ধ্যা সৃজনশীল মানুষদের সঙ্গে ভাববিনিময়ের অসাধারণ সুযোগ। ভাষা না বুঝলেও হাসি বুঝতে সময় লাগে না। তাই নির্ভয়ে এই বিষয়গুলোতে নিজেকে জড়িয়ে ফেলুন। স্থানীয় যেকোনো ধরনের উৎসব বা ইভেন্টে যোগ দিন।
অচেনা মুখ, উষ্ণ সম্পর্ক
অচেনা জায়গায় সহজে নির্ভুল তথ্য পাওয়া যায় স্থানীয় বাজার, ক্যাফে বা চায়ের দোকানে। এসব জায়গার যেকোনো মানুষের সঙ্গে আলাপ শুরু করুন। তাঁরা আপনাকে ওই এলাকার যেকোনো তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে। যে হোটেলে উঠবেন, সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। অন্য কোনো সলো ট্রাভেলার থাকলে তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করুন। তাঁর কাছেও তথ্য পেতে পারেন। আর হোটেল কিংবা রেস্তোরাঁর লোকজনের সঙ্গে কথা বললে স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে মেলামেশার সুযোগ তৈরি হয়। সুযোগ থাকলে একটু সাহস নিয়ে পাবলিক প্লেসে গেম খেলুন বা খেলাধুলায় অংশ নিন।
ভাষাই হোক সম্পর্কের সেতুবন্ধ
স্থানীয় ভাষায় ‘হ্যালো’, ‘ধন্যবাদ’ বা ‘কেমন আছেন’ বললে মানুষ মুগ্ধ হয়। এই ডিজিটাল যুগে যেকোনো জায়গার দু-একটা ফ্রেজ শিখে নেওয়া কোনো সমস্যা নয়। সেগুলো শিখে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ জমাতে পারেন সহজে। যারা চেষ্টা করে, তাদের মানুষ মনে রাখে। সব শিখতে হবে না। দু-একটা ভাষাই স্থানীয় মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেবে। আপনার যদি ছবি আঁকা, গান গাওয়া, কবিতা লেখা অথবা ম্যাজিক দেখানোর দক্ষতা থাকে, সেগুলো প্রয়োগ করুন।
ট্যুরিস্ট না হয়ে স্থানীয় হোন
খরচের জায়গা বেছে নিন স্থানীয়দের মতো করে। ব্যয়বহুল ট্যুর এড়িয়ে চলুন। রাস্তার খাবার ও গণপরিবহন ব্যবহার করুন। স্থানীয় বাজার বা ছোট দোকানে যান। এভাবেই আপনি ধীরে ধীরে স্থানীয় মানুষ হয়ে উঠবেন।
সূত্র: স্টার্স ইনসাইডার

একলা ভ্রমণ বা সলো ট্রাভেল মানেই একা থাকা নয়; বরং নতুন নতুন মানুষের সান্নিধ্যে নিজের দুনিয়া বড় করে দেখার সেরা সুযোগ। যদিও একা থাকা মাঝেমধ্যে কষ্ট দেয়, কখনো নিঃসঙ্গতাও পেয়ে বসতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ টিপস একাকিত্বের নিঃসঙ্গতা কাটিয়ে আপনার ভ্রমণকে জীবনের সেরা সময়ে পরিণত করতে পারে। ভ্রমণের জায়গাকে বানিয়ে দিতে পারে নিজের বাড়ি।
একাকী ভ্রমণের রোমাঞ্চে অনেকে হারিয়ে যান। নতুন শহর, অজানা রাস্তা, স্বপ্নের গন্তব্য—এসবই ভ্রমণের সৌন্দর্য। তবে এই রোমাঞ্চের মাঝেও একটা সময় আসে, যখন চেনা কারও মুখ, একটু হাসি বা এক কাপ চায়ের গল্প খুব দরকার হয়ে পড়ে। তখনই মনে হয়, যদি পরিচিত কাউকে পাশে পাওয়া যেত!
একা ভ্রমণ করলেও আপনি কিন্তু একা নন। কিছু কার্যকর কৌশল অবলম্বন করলে পৌঁছে যেতে পারেন স্থানীয় সংস্কৃতির খুব কাছাকাছি, আর গড়ে তুলতে পারেন বন্ধুত্বের এক অনন্য সেতুবন্ধ। দূর করতে পারেন নিঃসঙ্গতা। পেতে পারেন আত্ম-আবিষ্কারের সুযোগ। এই আত্ম-আবিষ্কারে বড় সহচর হতে পারে একজন নতুন বন্ধু, যাকে আপনি খুঁজে পাবেন হয়তো এক কাপ কফির পাশে বা রাস্তার গানে কিংবা একসঙ্গে চলতে চলতে।
কী করতে হবে, ভাবছেন? জানিয়ে দিচ্ছি—
ভয় নয়, কৌতূহল হোক পাথেয়
কোনো নতুন শহরে বা কোনো নতুন জায়গায় প্রথম পা রাখার আগে জরুরি প্রস্তুতি হলো নিজের মনকে প্রস্তুত করা। কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন? ভাবছেন, যদি লোকজন বিরক্ত হয়? চিন্তার কিছু নেই। আপনি হয়তো ওই ব্যক্তিকে জীবনে আর কখনো দেখবেন না! তাই ভয় ঝেড়ে ফেলে মন খুলে কথা বলুন। আলাপচারিতা হোক আপনার প্রথম ভিসা। মানসিকভাবে সব সময় প্রস্তুত থাকুন। ভয়ে ভয়ে বেড়াবেন না। ইতিবাচকভাবে জানতে চান, যেখানে গেছেন, তার ইতিহাস-ভূগোল কিংবা সংস্কৃতি সম্পর্কে।

স্থানীয় ইভেন্ট মানেই নতুন কিছু
যেকোনো জনপদের প্রাণ লুকিয়ে থাকে তার রাস্তায়, উৎসবে, শিল্পচর্চায় আর খাবারে। তাই গুগলে খুঁজুন আপনার অবস্থানের আশপাশে কী চলেছে? এই কাজ আপনি ভ্রমণ পরিকল্পনা করার সময় করে রাখার চেষ্টা করুন। আবার ভ্রমণে যাওয়ার পর সেখানে নতুন কিছু চোখে পড়লে তা জানার চেষ্টা করুন। নতুন কোনো জায়গায় হওয়া উৎসব, কনসার্ট, শিল্পচর্চা বা কবিতাসন্ধ্যা সৃজনশীল মানুষদের সঙ্গে ভাববিনিময়ের অসাধারণ সুযোগ। ভাষা না বুঝলেও হাসি বুঝতে সময় লাগে না। তাই নির্ভয়ে এই বিষয়গুলোতে নিজেকে জড়িয়ে ফেলুন। স্থানীয় যেকোনো ধরনের উৎসব বা ইভেন্টে যোগ দিন।
অচেনা মুখ, উষ্ণ সম্পর্ক
অচেনা জায়গায় সহজে নির্ভুল তথ্য পাওয়া যায় স্থানীয় বাজার, ক্যাফে বা চায়ের দোকানে। এসব জায়গার যেকোনো মানুষের সঙ্গে আলাপ শুরু করুন। তাঁরা আপনাকে ওই এলাকার যেকোনো তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে। যে হোটেলে উঠবেন, সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। অন্য কোনো সলো ট্রাভেলার থাকলে তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করুন। তাঁর কাছেও তথ্য পেতে পারেন। আর হোটেল কিংবা রেস্তোরাঁর লোকজনের সঙ্গে কথা বললে স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে মেলামেশার সুযোগ তৈরি হয়। সুযোগ থাকলে একটু সাহস নিয়ে পাবলিক প্লেসে গেম খেলুন বা খেলাধুলায় অংশ নিন।
ভাষাই হোক সম্পর্কের সেতুবন্ধ
স্থানীয় ভাষায় ‘হ্যালো’, ‘ধন্যবাদ’ বা ‘কেমন আছেন’ বললে মানুষ মুগ্ধ হয়। এই ডিজিটাল যুগে যেকোনো জায়গার দু-একটা ফ্রেজ শিখে নেওয়া কোনো সমস্যা নয়। সেগুলো শিখে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ জমাতে পারেন সহজে। যারা চেষ্টা করে, তাদের মানুষ মনে রাখে। সব শিখতে হবে না। দু-একটা ভাষাই স্থানীয় মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেবে। আপনার যদি ছবি আঁকা, গান গাওয়া, কবিতা লেখা অথবা ম্যাজিক দেখানোর দক্ষতা থাকে, সেগুলো প্রয়োগ করুন।
ট্যুরিস্ট না হয়ে স্থানীয় হোন
খরচের জায়গা বেছে নিন স্থানীয়দের মতো করে। ব্যয়বহুল ট্যুর এড়িয়ে চলুন। রাস্তার খাবার ও গণপরিবহন ব্যবহার করুন। স্থানীয় বাজার বা ছোট দোকানে যান। এভাবেই আপনি ধীরে ধীরে স্থানীয় মানুষ হয়ে উঠবেন।
সূত্র: স্টার্স ইনসাইডার

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৭ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৩ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৫ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
১৯ ঘণ্টা আগে