
নামের মিল থাকলেও তিনি বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেন নন। তাঁর পুরো নাম সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। ইদানীং নিশ্চয় তাঁর নাম আপনার সামনে চলে আসছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে। খেয়াল করেছেন নিশ্চয়। তিনি এখন বেশ আলোচনায় আছেন নেট দুনিয়ায়।
পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায় আবার প্রেমে পড়েছেন। এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। নেটিজেনরা ধারণা করছেন, সৃজিতের নতুন প্রেমিকা আর কেউ নন, অভিনেত্রী সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি ‘ডিয়ার মা’ সিনেমার প্রিমিয়ারে দুজনের একসঙ্গে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি এই জল্পনাকল্পনায় আরও ঘি ঢেলেছে। যদিও সৃজিত বা সুস্মিতা এ ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু বলেননি। নিজেদের তাঁরা ‘স্রেফ বন্ধু’ বলে পরিচয় দিতে আগ্রহী। তবে এই গুঞ্জনে যে সুস্মিতার ফেসবুকে অনুসারীর সংখ্যা আরও বেড়ে গেছে, তা বুঝতে বাকি নেই। সৃজিত এবার কোন তরুণীর প্রেম পড়লেন, তা দেখতেই লোকে সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়ের নাম দিয়ে সার্চ দিচ্ছেন।
জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ‘সানন্দা’য় বহুবার মডেল হয়েছেন সুস্মিতা। মিষ্টি এই মুখ যদিও কম পরিচিত নয়, তবু ফ্যাশনসচেতন নারীরা একের পর এক তাঁর ছবি স্ক্রল করে যাচ্ছেন তাঁর ফ্ললেস রূপে মুগ্ধ হয়ে। কী করে সুস্মিতার মতো ফ্ললেস মেকআপ করবেন, কীভাবেই-বা যত্ন নিলে এমন পেলব ত্বক পাবেন, তা নিয়েই তো চিন্তা! তাহলে মেনে চলতে পারেন নিচের বিষয়গুলো।

ফ্ললেস মেকআপের প্রথম শর্ত ত্বক দাগ ছোপহীন ঝকঝকে করে ফেলা। আর এ জন্য দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক চর্চা গড়ে তুলতে হবে। প্রতিদিন ত্বকের ক্লিনজিং, টোনিং, ময়শ্চারাইজিং এবং সাপ্তাহিক স্টিম ও স্ক্রাবের রুটিন মেনে চলতে হবে।

সুস্মিতার পেলব ত্বক দেখে ঈর্ষা হচ্ছে? নিয়মিত ময়শ্চারাইজ করতে হবে এমন ত্বক পেতে চাইলে। এ ছাড়া কমপ্যাক্টের সঙ্গে সানস্ক্রিন আর ময়শ্চারাইজার ব্লেন্ড করে নিলে নো মেকআপ লুকের জন্য বি বি ক্রিম বানিয়ে ফেলা যায়, এটা তো জানেন? মসৃণ দেখানোর পাশাপাশি এই মিশ্রণ ব্যবহারে ত্বক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

অনেক ফাউন্ডেশনেই এসপিএফ ফ্যাক্টর থাকে। বাইরে বেরোনোর আগে গোলাপজল মিশিয়ে সেটা পুরো দেহে সানস্ক্রিনের মতো ব্যবহার করতে পারেন। শরীরের উপেক্ষিত অংশ, যেমন পায়ের পাতা বা হাতের কনুইয়ে ময়শ্চারাইজার মিশিয়ে ফাউন্ডেশন লাগান। ওই অংশ মসৃণ, কোমল ও উজ্জ্বল দেখাবে।

ত্বকের উপযোগী ময়শ্চারাইজার বেছে নিন। তার ওপর স্টিক ফাউন্ডেশন বুলিয়ে হালকা ফেস পাউডার মেখে নিন। খুব দরকার হলে হাইলাইটার ব্যবহার করতে পারেন। ঠোঁটে ন্য়ুড শেডের ম্যাট লিপস্টিক দিয়ে নিন। তাতে ত্বক যেমন পরিচ্ছন্ন দেখাবে, সাজটাও হয়ে উঠবে আভিজাত্য়ময়। নখের সাজটাকে আরও ক্ল্যাসি করতে চান? আইশ্যাডো আর ব্লাশনের গুঁড়া নেইলপলিশে মিশিয়ে দিন। এক্সক্লুসিভ রং আর ঝলমলে নেইলপলিশ পেয়ে যাবেন।

সুস্মিতার মতো চোখ ড্রামাটাইজ করতে ওপরে ও নিচে আলাদা রঙের আই পেনসিল ব্যবহার করতে পারেন। চাহনিতে সুস্মিতার মতো কোমলতা চাইলে চোখের নিচের পাপড়ি ঘেঁষে সোনালি আইশ্যাডো বুলিয়ে নিতে পারেন। এতে চোখ বড়ও দেখাবে।

শাড়ি পরার সময় আয়নার দিকে তাকাতেই যেন বুকটা মোচড় দিয়ে উঠল। কী আপনি কী হয়ে গেছেন–একথাই ভাবছেন নিশ্চয়ই। মেঘে মেঘে বেলা তো কম হয়নি, বয়স পেরিয়েছে ৫০–এর কোঠা। প্রাকৃতিক নিয়মেই শারীরিক গঠনে পরিবর্তন তো আসারই কথা।
১৩ ঘণ্টা আগে
এই শহুরে জীবনে বাড়ির সামনে বাগান করার সৌভাগ্য আর কজনের মেলে? শখ-আহ্লাদ যেটুকু মেটানোর যার ফুরসত দেয় এক চিলতে বারান্দা। অবশ্য সুন্দর একটা বারান্দা পাওয়াও সৌভাগ্যের ব্যাপার।
১৫ ঘণ্টা আগে
বয়স বৃদ্ধি জীবনের এক চরম সত্য। কিন্তু এই বেড়ে চলা বয়সকে অনেকে মেনে নিতে পারেন না। আগের শক্তি কিংবা কাজের গতি ধীরে ধীরে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে। তেমনই আমাদের ত্বকে তার প্রভাব পড়তে শুরু করে। অনেকে বয়সের এই ছাপ লুকাতে দামি ক্রিম, লোশন বা সেরামের ওপর ভরসা করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী যেসব কিশোর-কিশোরী দিনে দুই ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, এক বছর পর তাদের মধ্যে বিষণ্নতার লক্ষণ এবং সুখের অনুভূতি বা হ্যাপিনেস লেভেল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এই নেতিবাচক প্রভাব বেশি দেখা গেছে ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সী কিশোরীদের ক্ষেত্রে, যারা মাত্র বয়ঃসন্ধিতে পা দিয়েছে...
১৯ ঘণ্টা আগে