ত্বক প্রাণবন্ত রাখতে হাইড্রেশন বা আর্দ্রতার কোনো বিকল্প নেই। আর এই হাইড্রেশনের জন্য বাজারের দামি দামি ব্র্যান্ডের ময়শ্চারাইজার বা জেলের ওপর আমরা অনেকটাই নির্ভরশীল। কিন্তু একটু লক্ষ করলেই দেখা যাবে, এসব পণ্যে থাকে কৃত্রিম সুগন্ধি, প্যারাবেন এবং নানাবিধ কেমিক্যাল, যা সাময়িক জেল্লা দিলেও দীর্ঘ মেয়াদে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাহলে উপায়? খুব সহজ! প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে সব সমস্যার সমাধান। কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল ছাড়াই রান্নাঘরের সাধারণ কিছু উপাদান দিয়ে ঘরেই তৈরি করে নেওয়া যায় চমৎকার হাইড্রেটিং জেল।
৪ টেবিল চামচ খাঁটি অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ চা-চামচ গ্লিসারিন, ১ চা-চামচ গোলাপজল এবং ত্বকে ব্যবহৃত ১টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল ময়শ্চারাইজিং জেল। গ্লিসারিন ও ভিটামিন ই ত্বকের আর্দ্রতা লক করে বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে।
১ কাপ পানিতে ২ টেবিল চামচ তিসির বীজ ফুটিয়ে নিন। পানি ঘন হয়ে ডিমের সাদা অংশের মতো আঠালো হলে গরম থাকতেই ছেঁকে নিন। ঠান্ডা হলে তৈরি হবে চমৎকার জেল। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ এই জেল ত্বক টান টান ও উজ্জ্বল করে।
এই প্রাকৃতিক জেলগুলো কাচের এয়ারটাইট পাত্রে রেখে ফ্রিজে ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করে আলতো হাতে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন এই জেল। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবহারে ত্বকের কোমলতা ও তফাতটা আপনি নিজেই টের পাবেন।
ঘরে তৈরি হাইড্রেটিং জেল তুলনামূলক নিরাপদ। এতে কোনো প্রিজারভেটিভ বা ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে না। বাজারে যেসব জেল পাওয়া যায়, সেগুলোর দামও চড়া। ফলে ঘরে তৈরি হাইড্রেটিং জেল ব্যবহারে খরচটা কমে যায় অনেক গুণ। অ্যালোভেরা বা তিসির বীজের মতো প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের কোষ ভেতর থেকে আর্দ্র রাখে।
সাধারণত প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপাদান দিয়ে তৈরি হাইড্রেটিং জেল প্রায় সবার জন্যই নিরাপদ। তবে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বা ত্বকের কোনো কোনো সমস্যা থাকলে এ ধরনের হাইড্রেটিং জেল ব্যবহার না করাই ভালো।
অনেকেরই প্রাকৃতিক অ্যালোভেরা জেল বা তিসির বীজ থেকে ত্বকে অ্যালার্জি, চুলকানি বা লালচে ভাব দেখা দিতে পারে। তাই ব্যবহারের আগে অবশ্যই কানের পেছনে বা হাতের ত্বকে অল্প করে প্যাচ টেস্ট করে নিতে হবে।
যাদের ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত বা প্রচুর ব্রণ রয়েছে, তাঁদের জন্য রেসিপিতে থাকা গ্লিসারিন বা তেল এড়িয়ে চলাই ভালো। গ্লিসারিন এ ধরনের ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে ব্রণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
তিসি ব্যবহৃত জেলে সুগন্ধির জন্য যাঁরা ল্যাভেন্ডার বা টি-ট্রি অয়েলের মতো এসেনশিয়াল অয়েল মেশান, তাঁদের সতর্ক হতে হবে। অতি সংবেদনশীল ত্বকে সরাসরি এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করলে ত্বক জ্বালাপোড়া বা র্যাশ হতে পারে।
মুখে যদি কোনো কাটা-ছেঁড়া, খোঁচা লেগে চামড়া উঠে যাওয়া বা তীব্র ফাঙ্গাল ইনফেকশন থাকে, তবে সেখানে ঘরোয়া জেল লাগানো উচিত নয়। ঘরোয়া উপাদান শতভাগ জীবাণুমুক্ত না হলে ক্ষতস্থানে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
যেহেতু ঘরে তৈরি জেলে কোনো কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ বা রাসায়নিক থাকে না, তাই ফ্রিজে রাখা ছাড়া এটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। জেলের রং বদলে গেলে বা টক গন্ধ বের হলে তা ত্বকে কোনোভাবেই ত্বকে ব্যবহার করা যাবে না।
সূত্র: ট্রি হাগার ও অন্যান্য

কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে ব্রণ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। কিন্তু মুখে ব্রণ হওয়া সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ব্রণ খোঁটেন, চাপ দিয়ে পুঁজ বের করার চেষ্টা করেন বা নখ দিয়ে ব্রণ ফাটিয়ে ফেলেন।
৩৩ মিনিট আগে
তেল-মসলাযুক্ত ভারী খাবার খাওয়ার পর কোল্ড ড্রিংকস পান না করলে যেন অনেকের চলে না। কোমল পানীয়ের বোতল হাতে নিয়ে অনেকে ভাবেন, ‘এবার পেট হালকা হবে, গ্যাস্ট্রিক কমবে।’ অনেকে আবার মনে করেন, এগুলো খেলে যে ঢেকুর ওঠে, তার সঙ্গেই বুঝি অ্যাসিডিটি হাওয়া হয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলে? সফট ড্রিংকস কি সত্যিই
২ ঘণ্টা আগে
প্রতিদিনের কর্মব্যস্ত জীবন, কাজের চাপ আর নানা দুশ্চিন্তা—এসব বিষয় অনেক সময় আমাদের বুক চেপে ধরা অনুভূতি তৈরি করে। মনে হতে পারে বুকে কোনো কঠিন পাথর চেপে বসেছে। এমন মুহূর্তে নিজেকে দ্রুত শান্ত করার শক্তিশালী হাতিয়ার আমাদের শ্বাসপ্রশ্বাস।
৩ ঘণ্টা আগে
আলু বোখারাগুলো পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে কয়েক ঘণ্টা অথবা সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। একটি কড়াইতে ভেজানো আলু বোখারা ও সামান্য পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ফুটিয়ে নিন। আলু বোখারা নরম হয়ে ফুলে উঠলে এতে চিনি, লবণ, জিরা ও মরিচ গুঁড়া দিন। অনবরত নাড়তে থাকুন, যাতে চিনি গলে ঘন...
৩ ঘণ্টা আগে