আকাশে মেঘ করেছে দেখে খিচুড়ি খেতে চান না, এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। রাতের ভোজে যাঁরা খিচুড়ি খাওয়ার কথা ভাবছেন, তাঁদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
উপকরণ
লাল চাল ৫০০ গ্রাম, মুগ ডাল ২৫০ গ্রাম, গোল করে কাটা পেঁয়াজ আধা কাপ, তেজপাতা দুটি, আদা ও রসুনবাটা এক টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া, শুকনো মরিচ ভাজা গুঁড়া, ধনেগুঁড়া এক চা-চামচ করে, লবণ স্বাদমতো, গরুর মাংস ভুনা আধা কেজি, ঘি ৪ টেবিল চামচ ও ছাক বাটা ২ টেবিল চামচ।
পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, রসুনকুচি ২ টেবিল চামচ, সয়াবিন তেল ৪ টেবিল চামচ, তেজপাতা দুটি, গোটা জিরা ২ টেবিল চামচ।
কড়াইতে সয়াবিন তেল গরম হলে তেজপাতা, পেঁয়াজকুচি, রসুনকুচি বাদামি করে ভেজে নিন। নামানোর আগে গোটা জিরা দিয়ে আরও দু-এক মিনিট ভেজে নামিয়ে পাটায় বেটে নিলে তৈরি হয়ে যাবে ছাকবাটা।
লাল চাল ও ডাল ধুয়ে বেশি পানি দিয়ে রান্না করুন। ফুটে উঠলে তেজপাতা, ভাজা মরিচগুঁড়া, হলুদগুঁড়া, ধনেগুঁড়া ও লবণ দিয়ে রান্না করুন। খিচুড়ি নাড়তে নাড়তে নরম হলে ভুনা মাংস দিন। নামানোর আগে ঘি আর ছাকবাটা দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। তারপর লবণ দেখে নামিয়ে নিন। এবার ঘি ও গন্ধরাজ লেবু দিয়ে পরিবেশন করুন।

আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
৮ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
৯ ঘণ্টা আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
১০ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১০ ঘণ্টা আগে