ঈদে একটা কাবাব আইটেম কমবেশি সবাই এখন রাখেন। ভিন্ন ধরনের কোনো কাবাব তৈরির কথা ভাবছেন? তাহলে এবার তৈরি করতে পারেন চিকেন রেশা কাবাব। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আলিফ’স ডেলিকেট ডিশেজের শেফ আলিফ রিফাত।
উপকরণ
চিকেন ব্রেস্ট ৫০০ গ্রাম, সেদ্ধ আলু ৩ থেকে ৪টি, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ, চিলি ফ্লেক্স ১ চা-চামচ, কালো গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, ভাজা বেসন ২ টেবিল চামচ, ধনেপাতাকুচি ১ মুঠো, লেবুর রস ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, ডিম ২টি, ব্রেড ক্রাম্ব পরিমাণমতো, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো।
প্রণালি
চিলি ফ্লেক্স, জিরা, ধনেগুঁড়া, বেসন, লবণ, কালো গোলমরিচের গুঁড়া ও লেবুর রস দিয়ে মাংস ম্যারিনেট করে রাখতে হবে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা। এরপর একটা প্যানে সামান্য তেল দিয়ে চিকেন ব্রেস্ট ভেজে নিতে হবে। এরপর মাংসটা কাঁটাচামচ বা হাত দিয়ে ছাড়িয়ে নিতে হবে। এবার এর সঙ্গে ধনেপাতাকুচি ও আলু দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। পছন্দমতো আকারে কাবাব বানিয়ে প্রথমে ফেটানো ডিমে ডুবিয়ে তারপর ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে। ব্যস, হয়ে গেল চিকেন রেশা কাবাব। এবার পছন্দমতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
৮ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
৯ ঘণ্টা আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
১০ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১০ ঘণ্টা আগে