
রাতে খাওয়ার পর মিষ্টিমুখ না করলে যাঁদের তৃপ্তি হয় না, তাঁরা আজ বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে দেখতে মজার একটি খাবার খেতে পারেন। আপনি যদি স্পেনের সমর্থক হন, তাহলে এই রেসিপি হয়ত আপনি আগে থেকেই জানেন। বলছি টরিজাসের কথা। ফ্রিজে রাখা ৩-৪ দিনের বাসি পাউরুটি দিয়ে এই খাবারটি তৈরি করা হয় স্পেনে।
ফ্রেঞ্চ টোস্টের মতো এ খাবারটি খাওয়া হয় মূলত ইস্টারের সময়। বাড়িতে যদি ছোট সদস্য থেকে থাকে তাকেও স্কুলের টিফিন বা ব্রেকফাস্ট হিসেবে তৈরি করে দিতে পারেন স্প্যানিশ স্টাইল ফ্রেঞ্চ টোস্ট টরিজাস। রেসিপি রইল এখানেই–
পাউরুটি ছোট আকারের ১০ পিস, হালকা গরম দুধ দেড় কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা-চামচ, ডিম ৩টি, দারুচিনি গুঁড়া আধা চা-চামচ, দানাদার চিনি ২ টেবিল চামচ, তেল ভাজার জন্য।
একটি অগভীর বাটিতে হালকা গরম দুধ এবং ভ্যানিলা মিশিয়ে রাখুন। অন্য আরেকটি অগভীর বাটিতে ডিমগুলো ভেঙে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত ভালোভাবে ফেটিয়ে রাখুন। দানাদার চিনি এবং দারুচিনি একসঙ্গে মিশিয়ে চুলায় সিরা তৈরি করে একপাশে সরিয়ে রাখুন। এবার ফ্রাইপ্যানে অল্প তেল ঢেলে গরম করুন। চুলার আঁচ মাঝারি থাকবে। একটি একটি করে পাউরুটির টুকরোগুলো দুধের মধ্যে দুই পাশে ডুবিয়ে তারপর, ফেটানো ডিমের মধ্যে দুই পাশে ডুবিয়ে নিন। এবার প্যানে দিয়ে দুই পাশ সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভেজে তুলে ফেলুন। এক এক করে সব ভাজা হয়ে গেলে একটি প্লেটে সেগুলো সাজিয়ে তার ওপর দারুচিনি ও চিনির সিরা ছড়িয়ে দিন। চাইলে গরম গরমও খাওয়া যাবে; অঅবার ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করেও খেতে পারেন।

দীর্ঘ জল্পনাকল্পনা। মাঠের ভেতরে এবং মাঠের বাইরের উত্তেজনা শেষ হচ্ছে আজ রাতেই। বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনাল মানেই কোটি কোটি ভক্তের টানটান উত্তেজনা, উল্লাস আর চরম উৎকণ্ঠা। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসার কারণে এই সময়ে আবেগের পারদ থাকে সর্বোচ্চ চূড়ায়। তবে খেলা চলাকালীন তীব্র মানসিক চাপ এবং ম্যাচ শেষের জয়-পরাজয়ের
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানী থেকে জেলা শহর; অফিস, দোকানপাট, চায়ের দোকান এমনকি রান্নাঘরেও এই মুহূর্তে একটাই আলোচনা—‘বিশ্বকাপ ফাইনাল’। কোন দলের হাতে উঠবে এবারের বিশ্বকাপ—এ নিয়েই যত জল্পনা-কল্পনা।
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখার তোড়জোর চলছে। নিজ বাড়িতে সবাই মিলে বা বন্ধুর বাড়িতে বসেই অনেকে খেলা দেখবেন বলে ঠিক করেছেন। খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে ওয়ান ডিশ পার্টিরও আয়োজন আছে। রান্নাঘরে চলছে স্ন্যাকস তৈরির পরিকল্পনা। ফলে একটা উৎসবের আমেজ।
১৩ ঘণ্টা আগে
নামি-দামি ব্র্যান্ডের পণ্য যখন কাজ করে না, তখন অনেকেই একদম প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানো কিংবা ব্রণের সমস্যা দূর করার দিকে ঝুঁকে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে আজকাল স্ক্রল করলেই চোখে পড়ে নানা রকম ঘরোয়া রূপচর্চা। যাকে বলা হয় ডিআইওয়াই স্কিনকেয়ার হ্যাকস।
১৫ ঘণ্টা আগে