ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

মানুষ সম্পর্ক তৈরি করে নিজের জন্য। কারও ভালো বা খারাপ থাকা নির্ভর করে বন্ধুবান্ধব, পরিবার কিংবা প্রিয় মানুষের কারণে অনেকটা প্রভাবিত হয়। আমাদের অনেকের জীবনে এমন মানুষ আছে, যাদের সঙ্গে সময় কাটানোর পর নিজেকে মানসিকভাবে ক্লান্ত মনে হবে। অথচ মুখে হয়তো খুবই বন্ধুসুলভ ও হাসিখুশি ব্যাপার থাকবে। এটা সম্পর্কের এক অদৃশ্য জটিলতা; যাকে বর্তমানে বিষাক্ত বা টক্সিক আচরণ বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। এই আচরণগুলো ধীরে ধীরে সম্পর্ক নিঃশেষ করে দেয়, আত্মবিশ্বাস কমায় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশের তরুণসমাজ, বিশেষ করে তরুণীরা, এই বিষাক্ত আচরণের শিকার হচ্ছেন পরিবারে, বন্ধুত্বে এমনকি প্রেমের সম্পর্কেও। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির এক জরিপ অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ মানসিক চাপে ভুগছেন। তার একটি বড় কারণ বিষাক্ত সম্পর্ক। বাংলাদেশ মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের করা গত বছরের এক জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বাসভঙ্গ ও মনোমালিন্য-সম্পর্কিত মানসিক চাপ ৪০ শতাংশের বেশি তরুণীর মধ্যে পাওয়া যায়।
কীভাবে বোঝা যায় বিষাক্ত সম্পর্ক
সহানুভূতি ও দায়িত্ববোধের অভাব: যখন কেউ অন্যের কষ্ট বুঝতে পারে না, তখন সেই সম্পর্ক ভেঙে পড়তে বাধ্য। যেমন বারবার কারও কোনো দুর্বল জায়গায় আঘাত করা। এভাবে আসলে অন্যজনের মনোবল ভেঙে যায়। সম্পর্কে যখন একজন অন্যজনের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করবে না, তখনই সম্পর্ক বিষাক্ত হয়ে উঠবে। দায়িত্বহীনতা সম্পর্ক নেতিবাচক করার ক্ষেত্রে একটি বড় কারণ। নিজের কাজের প্রভাব বা ঝুঁকি না ভেবে কাজ করা দায়িত্বহীনতার একটি চরম উদাহরণ। এটা বন্ধুত্বেও হতে পারে, দাম্পত্য সম্পর্কেও হতে পারে।
দ্বন্দ্ব এড়িয়ে চলা: দ্বন্দ্ব এড়িয়ে চলা একটি ভালো গুণ। কিন্তু যেকোনো বিষয়ে সময় ‘ঠিক আছে, যা মনে করো কোরো’ বললে ভেতরে রাগ জমতে থাকে। এই রাগ একদিন না একদিন প্রকাশিত হয়। এমন আচরণ তিলে তিলে খুব গোপনভাবে সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়।
নেতিবাচক মানসিকতা ও অহংকার
সবকিছুতেই খারাপ দিক খোঁজা খারাপ অভ্যাস। যেমন ধরুন, ‘আমি জানতাম কাজটা পারবে না’। এখানে দুটি বিষয় কাজ করে। এক, কিছু করতে না পারা আর দুই চেষ্টা করেও ইতিবাচক ফল না পাওয়া। দুই ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত দুই রকম হওয়ার কথা। এর সঙ্গে কাজ করে অহংকার। নিজেকে সব সময় শ্রেষ্ঠ ভাবা, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়া। এই বিষয়গুলো খুব বাজেভাবে সম্পর্ক নষ্ট করে। যেকোনো সম্পর্কে সামঞ্জস্য থাকা উচিত।

অসততা, লোভ ও স্বার্থপরতা
মিথ্যা বলা, কথা গোপন রাখা অথবা প্রতারণা। এই তিনটি জিনিসের কারণে যেকোনো সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। শুধু নিজের লাভের চিন্তা, সহযোগিতার মানসিকতা না থাকাও সম্পর্কে ফাটল ধরিয়ে দেয়। একটি পরিবারের কথাই যদি চিন্তা করি; যেখানে বাবা-মা, ভাই-বোন সবাই থাকেন, সেখানে সহযোগিতা করে না চললে পরিবারটি ভেঙে যায় খুব সহজে। একই ঘটনা ঘটতে পারে বন্ধুত্ব কিংবা দাম্পত্য সম্পর্কেও।
রাগ ও বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব
ছোটখাটো ব্যাপারেও হঠাৎ চিৎকার, মান-অভিমান, কথা শুনতে না চাওয়া কিংবা বলতে না দেওয়া। এই বিষয়গুলো যেকোনো সম্পর্কে ফাটল ধরায়। চট করে রেগে যাওয়া, সম্পূর্ণ কথা না শুনে মন্তব্য করার মতো বিষয়গুলো অন্য মানুষকে কষ্ট দেয়, ছোট করে। ফলে ধীরে ধীরে হলেও সম্পর্কে ফাটল ধরে। মৌলিক শিষ্টাচার না থাকা, গালি বা কটূক্তি করাও সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর।

অলসতা আর চিন্তাহীন আচরণ
কাজ ফেলে রাখা, প্রতিশ্রুতি দিয়ে না রাখা, এগুলো মানুষকে অন্যের সামনে নেতিবাচক করে তোলে। কাউকে যখন বারবার একটা কাজ শেষ করতে বলা হয়, তখন স্বাভাবিকভাবে একপর্যায়ে সে কাজের কথা বলতে ইচ্ছা করে না। সেই মানুষটিকে সবাই এড়িয়ে চলা শুরু করে এবং একপর্যায়ে সম্পর্কই আর থাকে না। এ ছাড়া মানুষের আচরণের বিষাক্ত দিক হলো অন্যের গোপন কথা ফাঁস করা, হঠাৎ করে অপমানজনক মন্তব্য করা, তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া, অন্যের মতামত না শোনা। এ ধরনের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলা কষ্টকর।
সন্দেহপ্রবণতা
এটি মারাত্মক মানসিক সমস্যা। সন্দেহপ্রবণতা যেকোনো সম্পর্কে চিড় ধরিয়ে দিতে পারে মুহূর্তে। সম্পর্কে সন্দেহপ্রবণতা ঢুকে পড়লে সেখানে বিশ্বাস থাকে না। বিশ্বাস ছাড়া কোনো সম্পর্ক বেশি দিন টিকতে পারে না। যেকোনো সম্পর্কের মানুষকে সব সময় সন্দেহ করা, প্রশ্নবাণে জর্জরিত করা বিষাক্ত আচরণ। এতে মানুষ হীনম্মন্যতায় ভুগতে পারে, অপমানিত হতে পারে।

প্রভুত্ব দেখানো
যেকোনো সম্পর্কের মধ্যে সবার সমান অধিকার থাকা উচিত। কথা বলার স্বাধীনতা, পরামর্শ কিংবা সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা সবারই থাকতে হবে। নিজে সব সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া, অন্যদের বলার সুযোগ না দেওয়ার মতো স্বভাবগুলো সম্পর্কের অবনতি ঘটায়।
খুঁতখুঁতে স্বভাব ও আক্রমণাত্মক ব্যবহার
কোনো বিষয়ে খুঁতখুঁতে হওয়া ভালো নয়। মনে রাখতে হবে, সবকিছু শতভাগ সুন্দর বা গোছানো হয় না। আবার পৃথিবী ঠিক আপনার পছন্দ মতোও চলে না। সবাই যখন কোনো বিষয় নিয়ে একমত, সেটা নিয়ে তখন বিরক্তি প্রকাশ না করে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলুন। প্রয়োজনে পরামর্শ দিন যাতে বিষয়টি ঠিকভাবে শেষ হয়। নিজের ‘মনের মতো’ কিছু হচ্ছে না বলে শরীরী ভাষায় আক্রমণাত্মক হবেন না। সেটি যেকোনো সম্পর্ক দীর্ঘ মেয়াদে শেষ করে ফেলবে।

দৃষ্টিভঙ্গিতে সমস্যা
সবকিছু নিখুঁত না হলে চলবে না, এমন মানসিকতা অন্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। সেই চাপ নিজের ওপরেও পরে। আবার যার জন্য ভাবা হচ্ছে তার ওপরেও বর্তায়। ফলে সব সময় একটা উত্তেজনা কাজ করে। এভাবে কোনো সম্পর্কে ভালো থাকা চলে না। ‘হয় ভালো না তো খারাপ’ এমনভাবে যেকোনো বিষয়কে দেখাটা সমস্যা। তার চেয়ে একটি মধ্যপন্থা বেছে নিন।
কী করতে পারেন
ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও সহানুভূতির ওপর ভিত্তি করে। এ বিষয়গুলো মেনে নিন। নইলে যেকোনো সম্পর্ক বিষাক্ত হয়ে উঠবে। প্রয়োজন হলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। যে কাজগুলো করতে পারেন—
সূত্র: বেটার আপ ডট কম

মানুষ সম্পর্ক তৈরি করে নিজের জন্য। কারও ভালো বা খারাপ থাকা নির্ভর করে বন্ধুবান্ধব, পরিবার কিংবা প্রিয় মানুষের কারণে অনেকটা প্রভাবিত হয়। আমাদের অনেকের জীবনে এমন মানুষ আছে, যাদের সঙ্গে সময় কাটানোর পর নিজেকে মানসিকভাবে ক্লান্ত মনে হবে। অথচ মুখে হয়তো খুবই বন্ধুসুলভ ও হাসিখুশি ব্যাপার থাকবে। এটা সম্পর্কের এক অদৃশ্য জটিলতা; যাকে বর্তমানে বিষাক্ত বা টক্সিক আচরণ বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। এই আচরণগুলো ধীরে ধীরে সম্পর্ক নিঃশেষ করে দেয়, আত্মবিশ্বাস কমায় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশের তরুণসমাজ, বিশেষ করে তরুণীরা, এই বিষাক্ত আচরণের শিকার হচ্ছেন পরিবারে, বন্ধুত্বে এমনকি প্রেমের সম্পর্কেও। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির এক জরিপ অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ মানসিক চাপে ভুগছেন। তার একটি বড় কারণ বিষাক্ত সম্পর্ক। বাংলাদেশ মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের করা গত বছরের এক জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বাসভঙ্গ ও মনোমালিন্য-সম্পর্কিত মানসিক চাপ ৪০ শতাংশের বেশি তরুণীর মধ্যে পাওয়া যায়।
কীভাবে বোঝা যায় বিষাক্ত সম্পর্ক
সহানুভূতি ও দায়িত্ববোধের অভাব: যখন কেউ অন্যের কষ্ট বুঝতে পারে না, তখন সেই সম্পর্ক ভেঙে পড়তে বাধ্য। যেমন বারবার কারও কোনো দুর্বল জায়গায় আঘাত করা। এভাবে আসলে অন্যজনের মনোবল ভেঙে যায়। সম্পর্কে যখন একজন অন্যজনের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করবে না, তখনই সম্পর্ক বিষাক্ত হয়ে উঠবে। দায়িত্বহীনতা সম্পর্ক নেতিবাচক করার ক্ষেত্রে একটি বড় কারণ। নিজের কাজের প্রভাব বা ঝুঁকি না ভেবে কাজ করা দায়িত্বহীনতার একটি চরম উদাহরণ। এটা বন্ধুত্বেও হতে পারে, দাম্পত্য সম্পর্কেও হতে পারে।
দ্বন্দ্ব এড়িয়ে চলা: দ্বন্দ্ব এড়িয়ে চলা একটি ভালো গুণ। কিন্তু যেকোনো বিষয়ে সময় ‘ঠিক আছে, যা মনে করো কোরো’ বললে ভেতরে রাগ জমতে থাকে। এই রাগ একদিন না একদিন প্রকাশিত হয়। এমন আচরণ তিলে তিলে খুব গোপনভাবে সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়।
নেতিবাচক মানসিকতা ও অহংকার
সবকিছুতেই খারাপ দিক খোঁজা খারাপ অভ্যাস। যেমন ধরুন, ‘আমি জানতাম কাজটা পারবে না’। এখানে দুটি বিষয় কাজ করে। এক, কিছু করতে না পারা আর দুই চেষ্টা করেও ইতিবাচক ফল না পাওয়া। দুই ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত দুই রকম হওয়ার কথা। এর সঙ্গে কাজ করে অহংকার। নিজেকে সব সময় শ্রেষ্ঠ ভাবা, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়া। এই বিষয়গুলো খুব বাজেভাবে সম্পর্ক নষ্ট করে। যেকোনো সম্পর্কে সামঞ্জস্য থাকা উচিত।

অসততা, লোভ ও স্বার্থপরতা
মিথ্যা বলা, কথা গোপন রাখা অথবা প্রতারণা। এই তিনটি জিনিসের কারণে যেকোনো সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। শুধু নিজের লাভের চিন্তা, সহযোগিতার মানসিকতা না থাকাও সম্পর্কে ফাটল ধরিয়ে দেয়। একটি পরিবারের কথাই যদি চিন্তা করি; যেখানে বাবা-মা, ভাই-বোন সবাই থাকেন, সেখানে সহযোগিতা করে না চললে পরিবারটি ভেঙে যায় খুব সহজে। একই ঘটনা ঘটতে পারে বন্ধুত্ব কিংবা দাম্পত্য সম্পর্কেও।
রাগ ও বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব
ছোটখাটো ব্যাপারেও হঠাৎ চিৎকার, মান-অভিমান, কথা শুনতে না চাওয়া কিংবা বলতে না দেওয়া। এই বিষয়গুলো যেকোনো সম্পর্কে ফাটল ধরায়। চট করে রেগে যাওয়া, সম্পূর্ণ কথা না শুনে মন্তব্য করার মতো বিষয়গুলো অন্য মানুষকে কষ্ট দেয়, ছোট করে। ফলে ধীরে ধীরে হলেও সম্পর্কে ফাটল ধরে। মৌলিক শিষ্টাচার না থাকা, গালি বা কটূক্তি করাও সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর।

অলসতা আর চিন্তাহীন আচরণ
কাজ ফেলে রাখা, প্রতিশ্রুতি দিয়ে না রাখা, এগুলো মানুষকে অন্যের সামনে নেতিবাচক করে তোলে। কাউকে যখন বারবার একটা কাজ শেষ করতে বলা হয়, তখন স্বাভাবিকভাবে একপর্যায়ে সে কাজের কথা বলতে ইচ্ছা করে না। সেই মানুষটিকে সবাই এড়িয়ে চলা শুরু করে এবং একপর্যায়ে সম্পর্কই আর থাকে না। এ ছাড়া মানুষের আচরণের বিষাক্ত দিক হলো অন্যের গোপন কথা ফাঁস করা, হঠাৎ করে অপমানজনক মন্তব্য করা, তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া, অন্যের মতামত না শোনা। এ ধরনের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলা কষ্টকর।
সন্দেহপ্রবণতা
এটি মারাত্মক মানসিক সমস্যা। সন্দেহপ্রবণতা যেকোনো সম্পর্কে চিড় ধরিয়ে দিতে পারে মুহূর্তে। সম্পর্কে সন্দেহপ্রবণতা ঢুকে পড়লে সেখানে বিশ্বাস থাকে না। বিশ্বাস ছাড়া কোনো সম্পর্ক বেশি দিন টিকতে পারে না। যেকোনো সম্পর্কের মানুষকে সব সময় সন্দেহ করা, প্রশ্নবাণে জর্জরিত করা বিষাক্ত আচরণ। এতে মানুষ হীনম্মন্যতায় ভুগতে পারে, অপমানিত হতে পারে।

প্রভুত্ব দেখানো
যেকোনো সম্পর্কের মধ্যে সবার সমান অধিকার থাকা উচিত। কথা বলার স্বাধীনতা, পরামর্শ কিংবা সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা সবারই থাকতে হবে। নিজে সব সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া, অন্যদের বলার সুযোগ না দেওয়ার মতো স্বভাবগুলো সম্পর্কের অবনতি ঘটায়।
খুঁতখুঁতে স্বভাব ও আক্রমণাত্মক ব্যবহার
কোনো বিষয়ে খুঁতখুঁতে হওয়া ভালো নয়। মনে রাখতে হবে, সবকিছু শতভাগ সুন্দর বা গোছানো হয় না। আবার পৃথিবী ঠিক আপনার পছন্দ মতোও চলে না। সবাই যখন কোনো বিষয় নিয়ে একমত, সেটা নিয়ে তখন বিরক্তি প্রকাশ না করে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলুন। প্রয়োজনে পরামর্শ দিন যাতে বিষয়টি ঠিকভাবে শেষ হয়। নিজের ‘মনের মতো’ কিছু হচ্ছে না বলে শরীরী ভাষায় আক্রমণাত্মক হবেন না। সেটি যেকোনো সম্পর্ক দীর্ঘ মেয়াদে শেষ করে ফেলবে।

দৃষ্টিভঙ্গিতে সমস্যা
সবকিছু নিখুঁত না হলে চলবে না, এমন মানসিকতা অন্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। সেই চাপ নিজের ওপরেও পরে। আবার যার জন্য ভাবা হচ্ছে তার ওপরেও বর্তায়। ফলে সব সময় একটা উত্তেজনা কাজ করে। এভাবে কোনো সম্পর্কে ভালো থাকা চলে না। ‘হয় ভালো না তো খারাপ’ এমনভাবে যেকোনো বিষয়কে দেখাটা সমস্যা। তার চেয়ে একটি মধ্যপন্থা বেছে নিন।
কী করতে পারেন
ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও সহানুভূতির ওপর ভিত্তি করে। এ বিষয়গুলো মেনে নিন। নইলে যেকোনো সম্পর্ক বিষাক্ত হয়ে উঠবে। প্রয়োজন হলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন। যে কাজগুলো করতে পারেন—
সূত্র: বেটার আপ ডট কম

কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এক অদ্ভুত সুন্দর সময়। এ নিয়ে কত কবিতা, কত গান! তবে এই পরিবর্তনটাও জীবনের ‘একটু ভুল’ হয়ে যাওয়ার সময়। কৈশোরের গণ্ডি পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার সময়টিতে ছেলেমেয়েদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়েই তারা ডেটিং বা রোমান্টিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে...
৬ ঘণ্টা আগে
বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি...
৮ ঘণ্টা আগে
সামনেই বসন্ত। আর আপনি? ৪০টি বসন্ত পার করে এসেছেন। এখন আপনার মধ্য়ে তরুণীসুলভ ভাব নেই, দারুণ কিছুতেও খুব নিয়ন্ত্রিত আবেগ দেখান। স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম।
১০ ঘণ্টা আগে
বাজারে ও ফলের দোকানে পাওয়া যায় শাকালু। এটি সবজি না ফল, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা আছে। কিন্তু যে বিষয়ে দ্বিধা নেই তা হলো, এটি রান্না করে খাওয়া যায়। আবার সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। আপনাদের জন্য শাকালু দিয়ে তৈরি দুই রকমের সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা...
১০ ঘণ্টা আগে