অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস সারা জীবনে মাত্র একবারই চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন। আর সেই আবেদনপত্রটি নিলামে বিক্রি হলো ৩ লাখ ৪৩ হাজার ডলার বা ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭৩ সালে ১৮ বছর বয়সে চাকরির জন্য চেষ্টা করেছেন স্টিভ জবস। আবেদনপত্রটি তিনি হাতে লিখেছিলেন। সেখানে নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্সেরও উল্লেখ করেছেন। যদিও তাতে ফোন নম্বরের কোনো উল্লেখ ছিল না।
তবে এই প্রথম নয়, এর আগে জবসের এই চাকরির আবেদনপত্রটি নিলামে ওঠে নিউইয়র্কের বোনহামসে। তারপরই বারবার সেটির মালিকানা বদল হতে থাকে। চলতি বছর মার্চেও একবার এই আবেদনপত্রটির নিলাম হয়েছিল। তখন সেটির দাম উঠেছিল ১ লাখ ৬২ হাজার পাউন্ডে। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। তবে এবারের নিলামের একটি বিশেষত্বও ছিল। এবার শুধু স্টিভ জবসের আবেদনপত্রের আসল কপিটিইও শুধু নয়, নন-ফাঙ্গিবল টোকেনেও সেটি বিক্রি করা হয়েছে। প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে ব্লক চেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে বানানো ডিজিটাল সম্পদকে বলা হয় নন-ফাঙ্গিবল টোকেন বা এনএফটি। অর্থাৎ একদিকে যখন মার্কিন ডলারে সেটি কেনাবেচা হচ্ছে, অন্যদিকে ইথেরিয়ামের মাধ্যমে অনলাইনেও সেটির নিলাম চলছিল।


আকাশে ধবধবে সাদা মেঘের ভেলা, পাহাড়জুড়ে সবুজের উদ্দাম প্রচ্ছদ। তবে বর্ষার অকৃপণ বর্ষণে রাঙামাটির প্রকৃতি এখন নবযৌবনে দীপ্ত। এদিকে আসছে শরৎ। বহুদূর বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদ পূর্ণ হয়ে উঠেছে টইটম্বুর স্ফটিক স্বচ্ছ পানিতে। তার ওপর পড়েছে মেঘের ছায়া। জুমের টাটকা সবজি আর বাঁশকোঁড়লের সুবাসে ম-ম করছে...
২ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণপিয়াসি এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষের কাছে সেরা আতিথেয়তার মানদণ্ড অন্য রকম। মূলত তাঁদের জন্যই ভ্রমণভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় ম্যাগাজিন ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ প্রতিবছর বিশ্বের সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর তালিকা প্রকাশ করে। সম্প্রতি ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে তাদের এ বছরের ‘হটেস্ট নিউ হোটেলস...
৩ ঘণ্টা আগে
আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, মাঠের ধারে কাশফুল আর নদীতে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে এই ঋতু যেন বাংলাদেশের প্রকৃতির নিজস্ব উৎসব। শরৎকালে নদীগুলোও ফিরে পায় তার স্বাভাবিক ছন্দ। বর্ষার উচ্ছ্বাস কিছুটা কমে নদীর পানি নেমে আসে, স্রোত থাকে শান্ত আর স্বাভাবিক। এমন সময়ে নদীভ্রমণের আনন্দ হয়ে ওঠে একেবারে অন্য রকম।
৪ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের দুর্গম অঞ্চল। নাফাখুম, রিঝুক ঝরনা এবং তমাতুঙ্গী থেকে টিওবি ও কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৪ ঘণ্টা আগে