ফিচার ডেস্ক

প্রথমবারের মতো ভ্যালেন্টাইনস ডেটে যাওয়ার অনুভূতি রোমাঞ্চকর। এ সময় রেস্টুরেন্ট, পোশাক কিংবা মেনু নির্বাচন—সবকিছুতেই যেন একধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করে। কিন্তু আগে থেকে পরিকল্পনা করলে প্রথম ডেট স্মরণীয় ও উপভোগ্য হয়ে উঠতে পারে।
রেস্তোরাঁ নির্বাচন
ডেটের জন্য দুজনই স্বচ্ছন্দ অনুভব করবেন এমন রেস্টুরেন্ট নির্বাচন করুন। কিছুটা কোলাহলমুক্ত রেস্টুরেন্ট বিবেচনায় নিতে হবে। এতে দুজনের কথাগুলো অন্য কারও শোনার সুযোগ থাকবে না। খাবার অর্ডার করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্ল্যাটার না নিয়ে আলাদা করে যাতে অর্ডারের ব্যবস্থা থাকে, সেদিকে খেয়াল রেখে রেস্টুরেন্ট নির্বাচন করতে হবে।
ফিটফাট থাকুন
ডেটে স্টাইলিশ লুকে হাজির হওয়ার ব্যাপারে প্রায় সবাই সজাগ থাকেন। তবে এমন জামাকাপড় পরতে হবে, যাতে হাঁটা, খাওয়া, নিশ্বাস নেওয়া এবং কথা বলার মতো বিষয়গুলো স্বস্তিকর হয়। এ ক্ষেত্রে ক্যাজুয়াল জামা পরা যেতে পারে। ক্যাজুয়াল পোশাকে লুক থাকবে পরিপাটি, সঙ্গে মিলবে প্রশান্তিও। যা-ই পরুন না কেন, ডেটে আসার পর পোশাকের প্রশংসা করুন।
সময়ানুবর্তিতা
প্রথম ডেটে অবশ্যই দেরি করা চলবে না। যদি অপ্রত্যাশিত কোনো সমস্যার কারণে দেরি হয়েই যায়, সঙ্গে সঙ্গে কল করে অথবা টেক্সটের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া ভালো। ডেটে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হওয়ার অর্থ হলো, আপনি আত্মবিশ্বাসী, উৎসাহী ও সুসংগঠিত।
স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকুন
ডেটে স্মার্টফোনটি সাইলেন্ট মুডে রাখা যেতে পারে। বারবার মোবাইল ফোন চেক করা থেকে বিরত থাকুন। সব মনোযোগ পাশে থাকা ব্যক্তিটির দিকে রাখুন। এতে ডেট উপভোগ্য হয়ে উঠবে।
চোখে চোখ রেখে কথা বলুন
খাবার টেবিলে নিস্তব্ধতা অস্বস্তিকর। কথা বলুন এবং চোখের দিকে তাকিয়ে মনোযোগসহকারে প্রিয় মানুষটির কথাগুলো শোনার চেষ্টা করুন। এর অর্থ, আপনি তাঁর প্রতি আগ্রহী। এ ছাড়া প্রিয় রেস্টুরেন্ট ও পছন্দের খাবার নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে। শখ, পরিবার ও কর্মক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করুন। খোলা মনের পরিচয় দিন এবং সঙ্গীর মতামতগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শুনুন।
সহজ খাবার অর্ডার করুন
নিজে যে ধরনের খাবার পছন্দ করেন, সেগুলোরই অর্ডার দিন। অভ্যস্ত নন তেমন খাবার না খাওয়াই ভালো। চামচ ও ছুরি দিয়ে খেতে অভ্যস্ত হলে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। নিজের পছন্দের খাবার অর্ডার করলে অস্বস্তিতে পড়ার সুযোগ কম থাকে।
জেনে রাখা ভালো
খাবার টেবিলে ভদ্রতা এবং শিষ্টাচার বজায় রাখুন। এ জন্য যা করতে পারেন—
সূত্র: গুডফুড গিফ্টকার্ড

প্রথমবারের মতো ভ্যালেন্টাইনস ডেটে যাওয়ার অনুভূতি রোমাঞ্চকর। এ সময় রেস্টুরেন্ট, পোশাক কিংবা মেনু নির্বাচন—সবকিছুতেই যেন একধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করে। কিন্তু আগে থেকে পরিকল্পনা করলে প্রথম ডেট স্মরণীয় ও উপভোগ্য হয়ে উঠতে পারে।
রেস্তোরাঁ নির্বাচন
ডেটের জন্য দুজনই স্বচ্ছন্দ অনুভব করবেন এমন রেস্টুরেন্ট নির্বাচন করুন। কিছুটা কোলাহলমুক্ত রেস্টুরেন্ট বিবেচনায় নিতে হবে। এতে দুজনের কথাগুলো অন্য কারও শোনার সুযোগ থাকবে না। খাবার অর্ডার করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্ল্যাটার না নিয়ে আলাদা করে যাতে অর্ডারের ব্যবস্থা থাকে, সেদিকে খেয়াল রেখে রেস্টুরেন্ট নির্বাচন করতে হবে।
ফিটফাট থাকুন
ডেটে স্টাইলিশ লুকে হাজির হওয়ার ব্যাপারে প্রায় সবাই সজাগ থাকেন। তবে এমন জামাকাপড় পরতে হবে, যাতে হাঁটা, খাওয়া, নিশ্বাস নেওয়া এবং কথা বলার মতো বিষয়গুলো স্বস্তিকর হয়। এ ক্ষেত্রে ক্যাজুয়াল জামা পরা যেতে পারে। ক্যাজুয়াল পোশাকে লুক থাকবে পরিপাটি, সঙ্গে মিলবে প্রশান্তিও। যা-ই পরুন না কেন, ডেটে আসার পর পোশাকের প্রশংসা করুন।
সময়ানুবর্তিতা
প্রথম ডেটে অবশ্যই দেরি করা চলবে না। যদি অপ্রত্যাশিত কোনো সমস্যার কারণে দেরি হয়েই যায়, সঙ্গে সঙ্গে কল করে অথবা টেক্সটের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া ভালো। ডেটে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হওয়ার অর্থ হলো, আপনি আত্মবিশ্বাসী, উৎসাহী ও সুসংগঠিত।
স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকুন
ডেটে স্মার্টফোনটি সাইলেন্ট মুডে রাখা যেতে পারে। বারবার মোবাইল ফোন চেক করা থেকে বিরত থাকুন। সব মনোযোগ পাশে থাকা ব্যক্তিটির দিকে রাখুন। এতে ডেট উপভোগ্য হয়ে উঠবে।
চোখে চোখ রেখে কথা বলুন
খাবার টেবিলে নিস্তব্ধতা অস্বস্তিকর। কথা বলুন এবং চোখের দিকে তাকিয়ে মনোযোগসহকারে প্রিয় মানুষটির কথাগুলো শোনার চেষ্টা করুন। এর অর্থ, আপনি তাঁর প্রতি আগ্রহী। এ ছাড়া প্রিয় রেস্টুরেন্ট ও পছন্দের খাবার নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে। শখ, পরিবার ও কর্মক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করুন। খোলা মনের পরিচয় দিন এবং সঙ্গীর মতামতগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শুনুন।
সহজ খাবার অর্ডার করুন
নিজে যে ধরনের খাবার পছন্দ করেন, সেগুলোরই অর্ডার দিন। অভ্যস্ত নন তেমন খাবার না খাওয়াই ভালো। চামচ ও ছুরি দিয়ে খেতে অভ্যস্ত হলে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। নিজের পছন্দের খাবার অর্ডার করলে অস্বস্তিতে পড়ার সুযোগ কম থাকে।
জেনে রাখা ভালো
খাবার টেবিলে ভদ্রতা এবং শিষ্টাচার বজায় রাখুন। এ জন্য যা করতে পারেন—
সূত্র: গুডফুড গিফ্টকার্ড

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৫ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৭ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
২১ ঘণ্টা আগে