রিদা মুনাম হক

অফিসে কাজের চাপ থাকবেই। তবে মাঝে মাঝে কাজের চাপ সামলানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। আর পরবর্তী সময়ে তা হয়ে দাঁড়ায় মানসিক চাপের কারণ। কিন্তু রোজ যে কাজগুলো করতেই হবে, সেগুলো নিয়ে মানসিক চাপে থাকলে নিজের ভালো থাকাটাও কঠিন হয়ে পড়ে। তাই কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপমুক্ত থাকতে কয়েকটা উপায় যদি অবলম্বন করা হয়, তাহলে কর্মক্ষেত্রও হয়ে উঠতে পারে আপনার আনন্দের জায়গা।
পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা
দিনের শুরুতে ঠিক করে নিন, কোন সময় ঠিক কোন কাজটা করবেন। একটা নোটবুক রাখুন ডেস্কে। কোন দিন কী কাজ সারবেন, তা নোট করে রাখুন। এবার কাজের গুরুত্ব অনুযায়ী ঠিক করে নিন, কোন কাজটি আগে শেষ করবেন, আর কোনটি পরে করলেও চলবে।
অফিসের কাজ অফিসেই সারা
কাজ জমিয়ে রাখবেন না। এতে অতিরিক্ত কাজের চাপই দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠবে। চেষ্টা করুন যেদিনের কাজ সেদিনই সেরে ফেলতে। কাজ নিয়ে বাড়ি ফেরাও বন্ধ করুন। বাড়ির সময়টুকু বাড়িতে দিন। অফিসের কাজ বাড়িতে না নেওয়াই ভালো। তরতাজা থাকতে পরিবারের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটানোর বিকল্প নেই।
সুসম্পর্ক বজায় রাখা
দিনের বেশির ভাগ সময় অফিসে কাটে, তাই এখানে সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক কেমন, তার ওপরও নির্ভর করে আপনার কাজ করার আগ্রহ ও কাজের গতি। চেষ্টা করুন সবার সঙ্গে হাসিখুশি সম্পর্ক বজায় রাখার। প্রয়োজনে অন্যদের সাহায্য করুন এবং নিজের কাজের ক্ষেত্রেও দরকার হলে সাহায্য চেয়ে নিন। অবসর পেলে তাদের সঙ্গে চা-কফি খেতে পারেন। করতে পারেন অল্পস্বল্প গল্পও। সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকলে নিজেকে ভালো রাখা সহজ হয়ে যাবে।
লম্বা দম নেওয়া
কাজের ফাঁকে পাঁচ-দশ মিনিট শ্বাসের ব্যায়াম করে নিতে পারেন। সে জন্য প্রথমে মেরুদণ্ড সোজা করে বসে বুক ভরে গভীর নিশ্বাস নিন। এবার ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। পাঁচ মিনিট এই ব্যায়াম করলেই মাথা হালকা লাগবে অনেকটা।
একটানা কাজ না করা
অফিসে ঢুকেই কম্পিউটারে মুখ গুঁজে বসে থাকবেন না। মাঝে মাঝে কাজ থেকে বিরতি নেওয়া জরুরি। একটানা কাজ করলে বিরক্তি আসবেই। তাই মাঝেমধ্যে কাজ থেকে পাঁচ-দশ মিনিটের জন্য বিরতি নিন। এই সময়ে নিজের পছন্দের গান শুনে নিতে পারেন। মাঝে মাঝে উঠে মিনিট পাঁচেক হাঁটাহাঁটি করুন। প্রতি এক ঘণ্টায় এভাবে বিরতি নিলে উপকার মিলবে। চাইলে অফিসের নিচে থেকে একটু হেঁটে আসতে পারেন। এতে মন ভালো থাকবে আর পিঠ ও কোমরব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।
দুপুরে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ
দুপুরে এমন খাবার খান, যাতে পেটও ভরবে আবার শক্তিও পাওয়া যাবে। পানিবহুল ফল ও সবজি খেতে পারেন। এগুলো গরমের সময় শরীর তরতাজা রাখবে। বিভিন্ন ধরনের বাদাম, ভেষজ চা থাকতে পারে স্ন্যাকস টাইমে। আর এসবের পাশাপাশি সারা দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করছেন কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান শরীর শীতল রাখে এবং শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে সহজে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন না।
সূত্র: হেলথলাইন ও অন্যান্য

অফিসে কাজের চাপ থাকবেই। তবে মাঝে মাঝে কাজের চাপ সামলানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। আর পরবর্তী সময়ে তা হয়ে দাঁড়ায় মানসিক চাপের কারণ। কিন্তু রোজ যে কাজগুলো করতেই হবে, সেগুলো নিয়ে মানসিক চাপে থাকলে নিজের ভালো থাকাটাও কঠিন হয়ে পড়ে। তাই কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপমুক্ত থাকতে কয়েকটা উপায় যদি অবলম্বন করা হয়, তাহলে কর্মক্ষেত্রও হয়ে উঠতে পারে আপনার আনন্দের জায়গা।
পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা
দিনের শুরুতে ঠিক করে নিন, কোন সময় ঠিক কোন কাজটা করবেন। একটা নোটবুক রাখুন ডেস্কে। কোন দিন কী কাজ সারবেন, তা নোট করে রাখুন। এবার কাজের গুরুত্ব অনুযায়ী ঠিক করে নিন, কোন কাজটি আগে শেষ করবেন, আর কোনটি পরে করলেও চলবে।
অফিসের কাজ অফিসেই সারা
কাজ জমিয়ে রাখবেন না। এতে অতিরিক্ত কাজের চাপই দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠবে। চেষ্টা করুন যেদিনের কাজ সেদিনই সেরে ফেলতে। কাজ নিয়ে বাড়ি ফেরাও বন্ধ করুন। বাড়ির সময়টুকু বাড়িতে দিন। অফিসের কাজ বাড়িতে না নেওয়াই ভালো। তরতাজা থাকতে পরিবারের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটানোর বিকল্প নেই।
সুসম্পর্ক বজায় রাখা
দিনের বেশির ভাগ সময় অফিসে কাটে, তাই এখানে সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক কেমন, তার ওপরও নির্ভর করে আপনার কাজ করার আগ্রহ ও কাজের গতি। চেষ্টা করুন সবার সঙ্গে হাসিখুশি সম্পর্ক বজায় রাখার। প্রয়োজনে অন্যদের সাহায্য করুন এবং নিজের কাজের ক্ষেত্রেও দরকার হলে সাহায্য চেয়ে নিন। অবসর পেলে তাদের সঙ্গে চা-কফি খেতে পারেন। করতে পারেন অল্পস্বল্প গল্পও। সহকর্মীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকলে নিজেকে ভালো রাখা সহজ হয়ে যাবে।
লম্বা দম নেওয়া
কাজের ফাঁকে পাঁচ-দশ মিনিট শ্বাসের ব্যায়াম করে নিতে পারেন। সে জন্য প্রথমে মেরুদণ্ড সোজা করে বসে বুক ভরে গভীর নিশ্বাস নিন। এবার ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। পাঁচ মিনিট এই ব্যায়াম করলেই মাথা হালকা লাগবে অনেকটা।
একটানা কাজ না করা
অফিসে ঢুকেই কম্পিউটারে মুখ গুঁজে বসে থাকবেন না। মাঝে মাঝে কাজ থেকে বিরতি নেওয়া জরুরি। একটানা কাজ করলে বিরক্তি আসবেই। তাই মাঝেমধ্যে কাজ থেকে পাঁচ-দশ মিনিটের জন্য বিরতি নিন। এই সময়ে নিজের পছন্দের গান শুনে নিতে পারেন। মাঝে মাঝে উঠে মিনিট পাঁচেক হাঁটাহাঁটি করুন। প্রতি এক ঘণ্টায় এভাবে বিরতি নিলে উপকার মিলবে। চাইলে অফিসের নিচে থেকে একটু হেঁটে আসতে পারেন। এতে মন ভালো থাকবে আর পিঠ ও কোমরব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।
দুপুরে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ
দুপুরে এমন খাবার খান, যাতে পেটও ভরবে আবার শক্তিও পাওয়া যাবে। পানিবহুল ফল ও সবজি খেতে পারেন। এগুলো গরমের সময় শরীর তরতাজা রাখবে। বিভিন্ন ধরনের বাদাম, ভেষজ চা থাকতে পারে স্ন্যাকস টাইমে। আর এসবের পাশাপাশি সারা দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করছেন কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান শরীর শীতল রাখে এবং শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে সহজে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন না।
সূত্র: হেলথলাইন ও অন্যান্য

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১৫ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১৭ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
২১ ঘণ্টা আগে