ফ্যাশন দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আর জমকালো রাত মেট গালা আবারও ফিরেছে তার নিজস্ব মহিমায়। এ বছর ৭৮ তম মেট গালার আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘ফ্যাশন ইজ আর্ট’। নিউইয়র্কের মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টে ৪ মে হয়ে যাওয়া এই অনুষ্ঠানে তারকারা হাজির হয়েছিলেন চোখধাঁধানো সব পোশাকে, যা সাধারণ ফ্যাশনকে ছাড়িয়ে এক অনন্য শিল্পকলায় রূপ নিয়েছিল। একনজরে দেখে নিন জনপ্রিয় কয়েকজন তারকার চোখধাঁধানো পোশাক।

দীর্ঘ ১০ বছর পর মেট গালায় ফিরেছেন সংগীত সম্রাজ্ঞী বিয়ন্সে। ফরাসি ডিজাইনার অলিভিয়ার রুস্তিংয়ের নকশা করা পোশাকে তিনি সবার নজর কেড়েছেন। তাঁর গাউনটিতে ছিল অলংকৃত কঙ্কালের নকশা এবং সঙ্গে পালকের একটি বিশাল কেপ। দীর্ঘ বিরতির পর স্বামী জে-জি এবং ১৪ বছর বয়সী কন্যা ব্লু আইভিকে নিয়ে তাঁর এই উপস্থিতি ছিল এবারের অন্যতম সেরা চমক।

ঐতিহ্য মেনেই সবার শেষে মেট গালার কার্পেটে পা রাখেন এই পাওয়ার কাপল। রিয়ান্নার পরনে ছিল হাজার হাজার রত্ন ও পুঁতিখচিত ফরাসি ফ্যাশন হাউস মেসন মার্জিলার কাস্টম গাউন। অন্যদিকে এএসএপি রকি এসেছিলেন শ্যানেলের গোলাপি কোট আর কালো স্যাটিনের প্যান্টে।

নিকোল কিডম্যান
অস্কারজয়ী অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান নিজেকে সাজিয়েছিলেন শ্যানেলের লাল রঙের বিডেড কলাম গাউনে। তাঁর এই মার্জিত ও উজ্জ্বল উপস্থিতি কার্পেটে সবার নজর কেড়েছে।

ভেনাস ও সেরেনা উইলিয়ামস
আবারও উইলিয়াম বোনেরা তাঁদের ফ্যাশন সেন্স দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেছেন। ভেনাস উইলিয়ামস পরেছিলেন কালো চকচকে গাউন। এর প্রধান আকর্ষণ ছিল রত্নখচিত রুপার নেক অ্যাডোর্নমেন্ট। অন্যদিকে সেরেনা উইলিয়ামস বেছে নিয়েছিলেন রূপালি রঙের মার্ক জ্যাকবসের ডিজাইনার গাউন, যা মিউজিয়ামে ধ্রুপদি শিল্পের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের স্ত্রী লরেন সানচেজ বেজোস এবারের গালার অনারারি চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর গাউনটি তৈরি করা হয়েছে জন সিঙ্গার সার্জেন্টের বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ম্যাডাম এক্স’-এর অনুপ্রেরণায়।

সুপার মডেল হেইডি ক্লাম নিজেকে মিউজিয়ামের মার্বেল মূর্তির আদলে সাজিয়েছিলেন। অন্যদিকে গায়ক ব্যাড বানি মেকআপের মাধ্যমে একজন বৃদ্ধ মানুষের রূপ ধারণ করে সবাইকে চমকে দেন।

ভারতীয় ফ্যাশনকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন মনীষ মালহোত্রা ও করণ জোহর। মনীষের পরিহিত মুম্বাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকারী কেপটি তৈরি করতে ৫০ জন কারিগরের সময় লেগেছে ৯৬০ ঘণ্টা। করণ জোহর পরেছিলেন হাতে আঁকা এবং সূক্ষ্ম এমব্রয়ডারি করা একটি কেপ, যাতে ফুটে উঠেছিল ভারতীয় পূরণের নানান চরিত্র।

তরুণ পপতারকা সাবরিনা কার্পেন্টারের পোশাকটি ছিল অনন্য। তিনি পরেছিলেন সেলুলয়েড ফিল্ম স্ট্রিপ দিয়ে তৈরি পোশাক। ১৯৫৪ সালের বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘সাবরিনা’র প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁর এই বিশেষ সাজ।

ব্ল্যাক পিংক ব্র্যান্ডের লিসা এবং রোজে কার্পেটে আধুনিকতার ছোঁয়া নিয়ে আসেন। লিসার সাদা রবার্ট উন গাউনটিতে ছিল মানুষের হাত বা ম্যানিকুইন আর্মসের এক অদ্ভুত ইলিউশন। রোজে এসেছিলেন সেন্ট লরেন্টের শৈল্পিক পোশাকে।

কিম কার্দাশিয়ান পরেছিলেন ব্রিটিশ ডিজাইনার জুটি হুইটেকার মালেমের নকশা করা কমলা রঙের বডিস ড্রেস। আর কাইলি জেনারের ড্রেসটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল, যেন মনে হচ্ছিল, সেটি গা থেকে খুলে পড়ছে। মডেল কেন্ডেল জেনার তাঁর বোন কাইলি জেনারের সঙ্গে মিল রেখে জ্যাক পোজেনের ডিজাইন করা একটি গাউন পরে মেট গালায় হাজির হন। তাঁর এই বিশেষ লুক কার্পেটে উপস্থিত সবার বেশ নজর কাড়ে।
ফ্যাশনের বর্ণাঢ্য রজনী নামে পরিচিত মেট গালা শুধু একটি রেড কার্পেট ইভেন্ট নয়; এটি নিউইয়র্কের মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টের কস্টিউম ইনস্টিটিউটের জন্য একটি তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান। বছরের পর বছর ধরে এটি এমন এক বৈশ্বিক ফ্যাশন সাংস্কৃতিক মুহূর্তে পরিণত হয়েছে, যেখানে ফ্যাশন, চলচ্চিত্র ও সংগীত তারকাদের সমন্বয়ে বছরের সবচেয়ে আলোচিত লুক দেখা যায়। তাই সব মিলিয়ে এটি অত্যন্ত আগ্রহ জাগায় প্রতিবছর, সবার মাঝে। তবে এ বছরের মেট গালা শুধু একটি চ্যারিটি ইভেন্ট নয়, বরং এটি তারকাদের সৃজনশীলতা প্রকাশের এক বিশাল মঞ্চ। পোশাকে শিল্পের এমন ব্যবহার প্রমাণ করে, ফ্যাশন শুধু পরিধানের জন্য নয়, বরং এটি শক্তিশালী শৈল্পিক মাধ্যমও।
সূত্র: বিবিসি

খিচুড়ি তো অনেক খাওয়া হলো, এই বৃষ্টির দিনে জিবে একটু ভিন্ন স্বাদ আনতে আপনি অনায়াসে তৈরি করে নিতে পারেন মিসরের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। আরবিতে একে বলা হয় ‘শাওরবাত আদস’। যার বাংলা অর্থ ডালের স্যুপ। এটি যেমন পুষ্টিকর, তেমনই তৈরি করাও সহজ। বৃষ্টির অলস সময়ে শরীর ও মন চাঙা করতে এই স্যুপের জুড়ি মেলা...
১ ঘণ্টা আগে
মানুষের শিকারের পেছনে ছোটার যে কালপর্ব, নৃবিজ্ঞানীরা মনে করেন, সে সময় পরিষ্কার নীল আকাশ ভালো আবহাওয়া আর খাবারের নিশ্চয়তা নির্দেশ করত। তাই বলা হয়, জীবনধারণের সেই সহজাত প্রবৃত্তি হাজার হাজার বছর পেরিয়ে আজও মানুষের মনে নীল রঙের প্রতি ভালোবাসা ধরে রেখেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আমরা সবাই সাবান ব্যবহার করি। বেশির ভাগ সাবানে থাকে বিভিন্ন পশুর চর্বি। প্রসাধনী তৈরিতেও প্রচুর চর্বি প্রয়োজন। ফলে বিভিন্ন প্রাণীর চর্বি সংগ্রহ করা হয়। এসব প্রাণীর কোনো কোনোটির চর্বিতে যে কৃমি থাকে, তা বহু বছর জীবিত থাকতে পারে। এই চর্বি গরম করা হলেও কিছু কৃমি সক্রিয় থাকে।
৬ ঘণ্টা আগে
ফিফা বিশ্বকাপ মানেই বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর উন্মাদনা, গ্যালারিতে রঙের মেলা আর খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ও দলীয় নৈপুণ্যের দারুণ এক প্রদর্শনী। কিন্তু জাপান যে আসরে খেলে, সেই আসরে চোখে পড়ে একেবারে ভিন্ন এক ঘটনা।
৬ ঘণ্টা আগে