
কোরবানির পশু কেনা থেকে শুরু করে জবাই, চামড়া ছাড়ানো, মাংস কাটা ও তা বণ্টন করা পর্যন্ত নানা কাজে এই ঈদের পুরো দিন কাটে ব্যস্ততায়। আর এসব কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত সাধের পোশাকে, কার্পেটে বা আসবাবপত্রে রক্তের দাগ লেগে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই এই ঈদে আপনার পোশাক দাগমুক্ত রাখার সহজ উপায় জেনে নিন।
রক্তের দাগের বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি যত পুরোনো হয়, তত বেশি স্থায়ী হয়ে বসে। বিশেষ করে, গরম পানি বা তাপ লাগলে এই দাগ স্থায়ী রূপ নেয়। এমন হলে পরে সে দাগ তোলা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোরবানির কাজ করার সময় কাপড়ে রক্ত লাগলে দেরি না করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিন। এ জন্য যা করতে পারেন—
তাজা দাগের ক্ষেত্রে
দাগ লাগা অংশটি সঙ্গে সঙ্গে কলের ঠান্ডা পানির নিচে ধরুন। মনে রাখবেন, গরম পানি ব্যবহার করা যাবে না। এরপর সাধারণ ডিটারজেন্ট বা কাপড় ধোয়ার সাবান দিয়ে ভালোভাবে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। প্রয়োজন হলে একই কাজ কয়েকবার করুন।
পুরোনো দাগের ক্ষেত্রে
কাপড়টি অন্তত ৩০ মিনিট বা তার বেশি সময় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। দাগ না উঠলে হালকা গরম পানিতে এনজাইমযুক্ত প্রি-সোক ডিটারজেন্ট দিয়ে আরও আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ধুয়ে নিয়ে সামান্য ৩ শতাংশ হাইড্রোজেন পার অক্সাইড দাগের ওপর ১ থেকে ৩ মিনিট রাখুন এবং ভালোভাবে ধুয়ে ইস্ত্রি করে নিন। কাপড়ে কয়েক ফোঁটা অ্যামোনিয়া ব্যবহার করেও ধুয়ে নেওয়া যায়।
সতর্কতা: কাপড়ের গায়ে থাকা কেয়ার লেবেল বা ধোয়ার নির্দেশিকা অবশ্যই আগে দেখে নেবেন। সিল্ক বা রেশমি কাপড়ে অ্যামোনিয়া ব্যবহারের আগে সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে পাতলা করে নিতে হবে। তা না হলে কাপড়ের ক্ষতি হতে পারে।
কোরবানির দিন ঘরে মেহমান বা লোকজনের আনাগোনায় বসার ঘরের কার্পেট কিংবা সোফায় রক্ত লেগে যেতে পারে।
কার্পেট ও সিনথেটিক ফেব্রিকসের জন্য
এক চা-চামচ মৃদু (নন-অ্যালকালি) ডিটারজেন্ট আধা কাপ ঠান্ডা পানিতে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি দাগের ওপর অল্প করে দিয়ে স্পঞ্জ বা শুকনো কাপড় দিয়ে চেপে চেপে রক্ত শুষে নিন। ঘষাঘষি করবেন না; তাতে দাগ আরও ছড়িয়ে যাবে। দাগ না উঠলে এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ অ্যামোনিয়া মিশিয়ে একইভাবে স্পঞ্জ করুন।
সোফার কভার (সুতি বা লিনেন)
রক্তে ভেজা থাকলে ঠান্ডা পানি দিয়ে চেপে চেপে মুছে নিন। দাগ বসে গেলে এক কাপ ঠান্ডা পানিতে আধা চা-চামচ ডিশওয়াশিং লিকুইড এবং এক টেবিল চামচ অ্যামোনিয়া মিশিয়ে সাদা কাপড় দিয়ে চেপে পরিষ্কার করুন।
ঠান্ডা পানিতে মৃদু সাবান গুলিয়ে প্রচুর ফেনা তৈরি করুন। কেবল সেই ফেনা স্পঞ্জে নিয়ে আলতো করে দাগের ওপর ঘষুন, যাতে দাগ ছড়িয়ে না পড়ে। এরপর নরম শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন। পরে লেদার কন্ডিশনার বা স্যাডল সোপ ব্যবহার করতে পারেন।
সূত্র: ইউনিভার্সিটি অব জির্জিয়া, টেক্সটাইলস

ঈদ-পরবর্তী দিনগুলোতেও আমরা কোরবানির মাংসের বিভিন্ন পদের আয়োজন করে থাকি। এই সময়ে খাবারের প্রকারভেদ এবং পরিমাণ—দুটোই অনেক বেশি থাকে। তাই না চাইলেও মনের অজান্তে বেশি খেয়ে ফেলি; বিশেষ করে মাংস এবং মাংস দিয়ে তৈরি খাবারগুলো। তবে বিষয়টি মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। তাই ঈদে শরীরের অবস্থা বুঝে মাংস খেতে হবে...
৩ ঘণ্টা আগে
কোরবানির ঈদে বেশি মাংস একসঙ্গে সংরক্ষণ করতে হয়। সঠিক পদ্ধতিতে মাংস সংরক্ষণ না করলে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। মাংস সংরক্ষণের জন্য সবার আগে যে কাজ করা প্রয়োজন, সেটি হলো ফ্রিজ পরিষ্কার করা। ফ্রিজে জমা বরফ পরিষ্কার না করলে ভেতরের জায়গা কমে যায়। তাই জেনে নিন, কোরবানির মাংস ফ্রিজে রাখবেন কীভাবে...
১৯ ঘণ্টা আগে
ঈদ মানে উৎসব আর আনন্দ, বেশি বেশি দাওয়াত আর খাওয়াদাওয়া। খেয়েও কীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, তা নিয়ে ভাবনার শেষ নেই অনেকের। তাই ভেবেচিন্তে খাবারের মেনু ঠিক করে রাখুন আগেভাবেই; যাতে ইদের মজাদার খাবারগুলো মিস হওয়ার সুযোগ না থাকে, আবার আপনি সুস্থও থাকেন। আপনার খাবারের মেনুতে সঠিক উপাদান...
২১ ঘণ্টা আগে
মূলত মোগল ও নবাবি আমলের খাবার রেজালা। পরে এই খাবার বাঙালি রান্নাঘরে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও কিছুটা বদলে গেছে; বিশেষ করে এতে দুধ ও মসলার ব্যবহারে ব্যাপক বদল এসেছে বাংলাদেশে। গরু, মুরগি বা খাসি—সব মাংসেরই রেজালা তৈরি করা যায়। ঈদে গরুর মাংসের সুস্বাদু একটি খাবার তৈরির উপায় বাতলে দিয়েছেন...
১ দিন আগে