শ্রাবণের রিমঝিম বৃষ্টি দিনে বড় দ্বিধা তৈরি হয় আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে—‘আজ কোন পোশাক পরব?’ বৃষ্টির দিনে ফ্যাশনেবল পোশাক পরার চেয়ে বরং কোন পোশাক পরলে সুবিধা বেশি হবে, সে কথাই বেশি ভাবি। যে ধরনের কাপড় পরলে বৃষ্টিতে ভেজার পর দ্রুত শুকিয়ে যাবে, কাদার দাগও সহজে তোলা যাবে, সে কাপড়কেই প্রাধান্য দিই। চলুন, জেনে নেওয়া যাক বৃষ্টির দিনে সুতি, জর্জেট বা রেয়ন নাকি অন্য কোনো কাপড় বেছে নেওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক হবে।
বর্ষার দিনে পরার জন্য এমন সব কাপড় বেছে নেওয়া উচিত, যেগুলো ওজনে হালকা, পানি কম শোষণ করে এবং দ্রুত শুকিয়ে যায়। এ ধরনের কাপড়গুলো হলো—
বৃষ্টির দিনে জর্জেট বা শিফন কাপড়ের পোশাক সবচেয়ে ভালো। এই কাপড়গুলো বৃষ্টিতে ভিজলে দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং কাদার দাগ লাগলেও সহজে ধুয়ে ফেলা যায়।
যেকোনো আনুষ্ঠানিকতা বা কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য সিল্ক বা হাফসিল্ক দারুণ কার্যকর। এগুলো যেমন কেতাদুরস্ত, তেমনি পানি ঝরে যায় দ্রুত।
আপনি যদি সুতি বা লিনেনের আরাম পুরোপুরি ছাড়তে না পারেন, তাহলে মিশ্র কাপড়ের পোশাক বেছে নিন। যেমন সুতি-পলিয়েস্টার বা সুতি-রেয়নের মিশ্রণ। এগুলো খাঁটি সুতির মতো ভারী হয় না এবং দ্রুত শুকায়।
পলিয়েস্টার ও নাইলন: কৃত্রিম এই তন্তুগুলো পানি প্রতিরোধী। হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে গেলেও এগুলো গায়ে সেঁটে থাকে না এবং বাতাসে দ্রুত পানি শুকিয়ে যায়।

সুতি
গরমের দিনে সুতি কাপড় অতুলনীয় হলেও বৃষ্টির দিনে এটি বেশ অনুপযোগী। সুতি কাপড় পানি খুব দ্রুত শুষে নেয় এবং ভিজে গেলে শরীরের সঙ্গে লেপ্টে থাকে। এ ছাড়া এটি শুকাতে দীর্ঘ সময় নেয়। এর ফলে ঠান্ডা লাগার বা ত্বকে ফাঙ্গাসে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। কাদার দাগ লাগলে সুতি কাপড় থেকে তা তোলাও বেশ কঠিন।
রেয়ন
রেয়ন কাপড় নরম ও আরামদায়ক হলেও পানি লাগলে এটি তার শক্তি বা স্থায়িত্ব হারায়। এটি সহজে কুঁচকে যায় এবং ভেজা অবস্থায় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই বৃষ্টির দিনে খাঁটি রেয়ন না পরাই ভালো।

ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক
এই আবহাওয়ায় স্কিন-টাইট বা আঁটসাঁট পোশাক একদমই পরবেন না। ঢিলেঢালা কুর্তি, কাফতান, লুজ-ফিট শার্ট বা টি-শার্ট পরলে বাতাস চলাচল করতে পারে, ভিজলে সহজে শুকায় এবং আরাম পাওয়া যায়।
বেশি লম্বা পোশাক এ সময় না পরাই ভালো। রাস্তার কাদা থেকে বাঁচতে হাঁটুর ওপর বা মিড-লেন্থের শর্ট কুর্তি, সেমি-ফরমাল প্যান্ট বেছে নিন। এগুলো সামলানো সহজ।
বৃষ্টির দিনে সাদা বা হালকা রঙের পোশাক এড়িয়ে চলুন। কারণ, কাদা লাগলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নীল, গাঢ় সবুজ, বেগুনি বা উজ্জ্বল যেকোনো রঙের পোশাক পরুন। এতে বৃষ্টির দিনেও প্রাণবন্ত দেখাবে।
মেঘ-বৃষ্টির দিনগুলোতে ফ্যাশনের প্রথম শর্তই হওয়া উচিত স্বস্তি। তাই ভারী সুতি বা রেয়নকে আলমারিতে বিশ্রাম দিয়ে জর্জেট, সিল্ক বা সিনথেটিক ব্লেন্ডের হালকা পোশাক বেছে নিন। এতে ঝুম বৃষ্টির দিনেও থাকবেন আত্মবিশ্বাসী এবং সুরক্ষিত।
সূত্র: ইনস্টাইল ডট কম ও অন্যান্য

সকালে এক কাপ গরম চা বা কফি। অনেকের কাছে এটাই দিনটা চমৎকার কেটে যাওয়ার একটা দারুণ শুরু বলে মনে হয়। এই এক কাপ গরম পানীয় দিয়ে দিন শুরু করা আমাদের অনেকের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষ করে শীতের দিনে ধোঁয়া ওঠা পানীয় শরীরে এক মুহূর্তে চাঙা ভাব এনে দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্বক মুহূর্তে উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও দাগহীন করতে রূপচর্চার জগতে এখন নতুন ক্রেজ গ্লোয়িং স্কিন আইভি ড্রিপ। কসমেটিক ক্লিনিক ও বিউটি পারলারগুলোতে বড় বড় বিজ্ঞাপন দিয়ে দাবি করা হচ্ছে, কোনো প্রকার নাইট ক্রিম, সিরাম বা ফেশিয়াল না করে, স্রেফ স্যালাইনের মতো একটি ইনফিউশনের মাধ্যমে
৫ ঘণ্টা আগে
সকালের নাশতায় মচমচে ও সুস্বাদু ফ্রেঞ্চ টোস্ট অনেকে পছন্দ করেন। তবে সাধারণ ফ্রেঞ্চ টোস্টে শর্করা ও ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকায় ডায়েট চলাকালে এটি কেউ কেউ এড়িয়ে চলেন। তবে সামান্য কিছু উপকরণ বদলে নিয়ে আপনি খুব সহজে সাধারণ এই ক্ল্যাসিক নাশতা বানিয়ে ফেলতে পারেন পুষ্টিকর ‘হাই-প্রোটিন ফ্রেঞ্চ টোস্ট’।
৭ ঘণ্টা আগে
আধুনিক যুগে সমুদ্রসৈকতে যাওয়া মানেই রোদচশমা, বিকিনি আর খোলা হাওয়ায় হইচই। তবে ইতালি উপকূলের এক বিশেষ সৈকতে নামলে আপনার চোখ ছানাবড়া হতে বাধ্য। কারণ, সেখানে সমুদ্র আর বালুকাবেলার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে ১০ ফুট উঁচু এক সাদা পাকা দেয়াল। এক পাশে শুধু নারীদের রাজ্য, অন্য পাশে পুরুষদের।
২১ ঘণ্টা আগে