
গ্যাস-সংকট থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় বহু পরিবারে রান্নাঘরের চুলা জ্বলছে না। এটি বর্তমানে ঢাকার অধিকাংশ এলাকার বাস্তব চিত্র। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকে গ্যাসের চুলার বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক চুলা, ইন্ডাকশন কুকার কিংবা রাইস কুকারের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্রে রান্নার দিকে ঝুঁকছেন।
ইন্ডাকশন কুকার এখন অনেকের রান্নাঘরের জনপ্রিয় একটি যন্ত্র। এটি দ্রুত রান্না করে, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে এবং ব্যবহার করাও সহজ; যদিও নির্দিষ্ট পাত্র ছাড়া এটি ব্যবহার করা যায় না। তবে, প্রায় সব ধরনের পাত্রে রান্না করা যায় এবং গ্যাসের ভালো আরেকটি বিকল্প হলো ইনফ্রারেড ইলেকট্রিক কুকার। এ ছাড়া ভাত, খিচুড়ি, সবজি, ডিম সেদ্ধসহ বিভিন্ন খাবার রান্নার ক্ষেত্রে আরেকটি পরিচিত ইলেকট্রিক যন্ত্র হলো রাইস কুকার।
আপনি যে ইলেকট্রিক যন্ত্রেই রান্না করতে চান না কেন, কিছু বাড়তি সতর্কতা সম্পর্কে জেনে রাখলে তা আপনাকে নিরাপদে রান্না করতে সাহায্য করবে।
ইলেকট্রিক চুলা বা বিকল্প রান্নার যন্ত্র ব্যবহার করতে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন—
ভালো মানের যন্ত্র ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু বিষয় জানা থাকা ভালো।

ইলেকট্রিক চুলা সরাসরি ওয়াল সকেটে সংযুক্ত করুন। মাল্টিপ্লাগ বা নিম্নমানের এক্সটেনশন বোর্ড ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
পুরোনো বা দুর্বল তারে উচ্চ ক্ষমতার যন্ত্র ব্যবহার করলে অতিরিক্ত তাপ, শর্টসার্কিট বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়ে।
ভেজা হাত বা পানির সংস্পর্শে ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার করবেন না।
কুকার সব সময় শক্ত ও সমান জায়গায় রাখুন। নড়বড়ে বা অসমান জায়গায় রাখলে কুকার উল্টে যাওয়ার বা দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে।
দীর্ঘ সময় খুব বেশি তাপে রান্না করবেন না। এতে কুকার অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুন লাগার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। প্রয়োজনে তাপমাত্রা কমিয়ে নিন। সম্ভব হলে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার ব্যবহার করুন।
পর্দা, কাগজ, প্লাস্টিক বা তেলের বোতল চুলার খুব কাছে রাখবেন না।
তার ছেঁড়া, প্লাগ ঢিলা বা যন্ত্রে অস্বাভাবিক গরম বা পোড়া গন্ধ হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করুন। একই লাইনে একাধিক উচ্চক্ষমতার যন্ত্র চালাবেন না। যেমন ইলেকট্রিক চুলা, হিটার ও ইস্তিরি একসঙ্গে একই সার্কিটে চালালে সার্কিট ওভারলোড হতে পারে। বিদ্যুতের তার বা প্লাগ ছিঁড়ে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে দ্রুত পরিবর্তন করুন। এতে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে।
ইন্ডাকশন কুকার ব্যবহার করলে ইন্ডাকশন-সাপোর্টেড বা ম্যাগনেটিক হাঁড়ি-পাতিল ব্যবহার করলে রান্না নিরাপদ ও কার্যকর হয়। সব সময় সমতল তলার এবং লোহাযুক্ত (যেমন কাস্ট আয়রন বা স্টেইনলেস স্টিল) হাঁড়িপাতিল ব্যবহার করুন। বাঁকা বা ক্ষতিগ্রস্ত পাত্র ব্যবহার করবেন না। সেগুলো ঠিকমতো কাজ না-ও করতে পারে। যন্ত্রের সঙ্গে দেওয়া ম্যানুয়ালটি ভালোভাবে দেখে নিন।

দীর্ঘ সময় রান্নার পর কুকার সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে রাখবেন না। সেটি ভালোভাবে ঠান্ডা হতে দিন। এতে কুকারের আয়ু বাড়বে।
রান্না শেষে কুকারের ওপর খাবার বা ময়লা জমতে দেবেন না। পরিষ্কার করার আগে কুকার ঠান্ডা হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন। তারপর ভেজা কাপড় বা হালকা ক্লিনার দিয়ে মুছে নিন।
রান্নার সময় শিশুদের ইলেকট্রিক চুলার কাছাকাছি যেতে দেবেন না।
আপনার কুকারে যদি অটো শাট-অফ বা চাইল্ড লক সুবিধা থাকে, তাহলে সেগুলো ব্যবহার করতে শিখুন। এগুলো অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেয়।
নির্দেশিকা মেনে চললে আপনার ইলেকট্রিক কুকার বা চুলার সব সুবিধা নিরাপদে উপভোগ করতে পারেন। রান্নাঘরে নিরাপত্তার প্রতি সচেতন থাকলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে এবং রান্নার অভিজ্ঞতা আরও আনন্দদায়ক হয়।
সূত্র: পোলারইলেকট্রিক্যাল ডট কম, ইলেকট্রিক্যাল সেফটি ফাউন্ডেশন ইন্টারন্যাশনাল

এক থেকে দুই ঘণ্টা খোলা বাতাসে থাকলে গাছও পরিবেশের পরিবর্তন উপভোগ করতে পারে। যদিও দিনটির সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি। তবে অনেকের মতে এটি মার্কিন অভিনেতা ও ভয়েস শিল্পী থমাস রয় এবং তাঁর স্ত্রী রুথ রয় শুরু করেছিলেন। প্রতিবছরের ২৭ জুলাই টেক ইওর হাউস প্ল্যান্ট অন আ ওয়াক নামের দিনটি পালিত হয়...
১৪ ঘণ্টা আগে
বন্ধুত্ব উদ্যাপনের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে পোশাকের মাধ্যমে এই আত্মিক সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলার আমেজ একেবারেই ভিন্ন। প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে মনের মিল থাকাটা যেমন আনন্দের, তেমনি পোশাকের স্টাইলেও যদি সেই মিল ফুটিয়ে তোলা যায়, তবে তা চমৎকার একটা বিষয় হয়। বিশেষ করে ফ্রেন্ডশিপ ডে বা বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুর
১ দিন আগে
ভেটকির ফিলে, টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া, ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল, লেবুর রস, মরিচগুঁড়া, পেঁয়াজ গ্রেট করা ২ টেবিল চামচ, রসুন ও আদাবাটা ২ টেবিল চামচ, ধনেপাতাকুচি ১ টেবিল চামচ, সেদ্ধ করে কাঁটা ছাড়ানো ভেটকি মাছ আর ছোট করে কাটা চিংড়ি, গরমমসলা, জায়ফল ও জয়ত্রীগুঁড়া এক চিমটি করে, কিছু কুচানো কিশমিশ, একট
১ দিন আগে
বর্ষা মানে স্যাঁতসেঁতে আর্দ্র আবহাওয়া। এই সময় শুধু কাপড় কিংবা আসবাব নয়, রান্নাঘরের মসলাও তরতাজা ভাব হারায়। দেখা যায়, হলুদ, মরিচ বা ধনেগুঁড়া শক্ত হয়ে দলা বেঁধে গেছে। ফলে মসলার সুগন্ধ আর আগের মতো থাকে না। এমনকি অসাবধানতায় ছত্রাকের সংক্রমণ হয়ে যেতে পারে। মসলা ঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে খুব সহজে
১ দিন আগে