
এই নারীরা আমাদের চেনা। বহুবার তাঁদের ছবি দেখেছেন, তাঁদের কাজ দেখেছেন বা শুনেছেন। সোজা কথা, তাঁরা আমাদের অনেক চেনা। তাঁদের লাইফস্টাইল থেকে শুরু করে পোষা প্রাণীর নামও অনেকের জানা। কিন্তু ঝলমলে আলোর দুনিয়ার সফল এই নারীদের সম্পদের কথা জানেন কি? সেটা অনেকের অজানা। তাঁদের সম্পদের কথা শুনলে অনেকের চোখ কপালে উঠবে। জেনে নিন, এই সুন্দরী নারীদের সম্পদের পরিমাণ।
কিম কার্দাশিয়ান

ফোর্বসের দাবি, কিম কার্দাশিয়ানের শেপওয়্যার কোম্পানি স্কিমস (এসকেআইএমএস) তাঁকে কোটিপতি বানিয়েছে। তিনি বছরের পর বছর ধরে নিজের স্কিনকেয়ার লাইন এসকেকেএন বাই কিম এবং তাঁর অন্যান্য উদ্যোগ ও কেকেডব্লিউ থেকেও ভালো আয় করেছেন। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার।

রিয়ান্না
সংগীতশিল্পী, অভিনেত্রী ও ব্যবসায়ী রিয়ান্না ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক বলে জানা যায়। তাঁর আসল নাম রবিন ফেন্টি। পাঁচ বছর আগে তিনি প্রসাধনী ব্র্যান্ড ফেন্টি বিউটি চালু করেছিলেন। তারপর থেকে তিনি ত্বকের যত্ন এবং পোশাক ইন্ডাস্ট্রি থেকে বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।
টেইলর সুইফট

ফোর্বসের মতে, গায়িকা ও গীতিকার টেলর সুইফট ২০২৩ সালে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। সে বছর তিনি গান এবং লাইভ পারফরম্যান্স থেকে এক বিলিয়ন ডলার আয়কারী প্রথম নারী সংগীতশিল্পী। তথ্য অনুসারে, সুইফট রয়্যালটি ও ট্যুর থেকে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন, গানের ক্যাটালগ থেকে আনুমানিক ৬০০ মিলিয়ন এবং রিয়েল এস্টেট থেকে অতিরিক্ত ১২৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।

ম্যাডোনা
৮৫০ মিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ম্যাডোনা। ফোর্বস জানিয়েছে, ‘লাইক আ ভার্জিন’ গায়িকা তাঁর ক্যারিয়ারে আনুমানিক ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।
সেলেনা গোমেজ

কারদাশিয়ান ও রিয়ান্নার মতো, সেলেনা গোমেজের বিনোদনবহির্ভূত কাজই ছিল তাঁর আয়ের প্রধান উৎস। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৮০০ মিলিয়ন ডলার। সেলেনা নিজের স্কিন কেয়ার এবং মেকআপ লাইন রেয়ার বিউটি চালু করেছিলেন ২০১৯ সালে। তারপর থেকে তা দাপটের সঙ্গে চলছে বলে জানা যায়।

সেলিন ডিওন
‘টাইটানিক’ সিনেমার সেই বিখ্যাত গান ‘মাই হার্ট উইল গো অন’ এর কথা মনে আছে? সেই গান গেয়েছিলেন বিখ্যাত সংগীতশিল্পী সেলিন মারি ক্লদেত দিয়ঁ। যাঁকে আমরা ইংরেজি উচ্চারণে চিনি সেলিন ডিওন নামে। স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি বর্তমানে ছুটি কাটাচ্ছেন। বর্তমানের খোঁজ পাওয়া না গেলেও আগের হিসাবে তাঁর মোট সম্পদ ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের। তিনি এখনো তাঁর গান থেকে বছরে লাখ লাখ ডলার আয় করছেন।
বিয়ন্সে নোলস

সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী হিসেবে খ্যাতিমান এই তারকার মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০০ মিলিয়ন ডলার। কোটি কোটি টাকার স্ট্রিমিং ছাড়াও বিয়ন্সে তাঁর কনসার্টগুলো থেকে ১১ হাজার ডলার আয় করে থাকেন।

জেনিফার লোপেজ
সুপরিচিত তো বটেই, অনেকে তাঁকে সর্বকালের অন্যতম সেলিব্রিটি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জেনিফার লোপেজ। অভিনেত্রী, গায়িকা এবং নৃত্যশিল্পী হিসেবে খ্যাত এই তারকার সম্পদের পরিমাণ ৪০০ মিলিয়ন ডলার।
নাওমি ক্যাম্পবেল

খুব সম্ভবত তিনি পৃথিবীর শেষ সুপার মডেল হিসেবে পরিচিতি পাওয়া নারী নাওমি ক্যাম্পবেল। তিনি ১৫ বছর বয়সে মডেলিং শুরু করেছিলেন। লন্ডনে জন্মগ্রহণকারী ক্যাম্পবেল নব্বইয়ের দশকে সুপারমডেল হিসেবে বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। ক্রিশ্চিয়ান ডিওর, ল্যাক্রোইক্স এবং ভ্যালেন্টিনোর মতো বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের সঙ্গে ক্যাম্পবেলের লাভজনক মডেলিং চুক্তি তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৮০ মিলিয়ন ডলারে নিয়ে যায়।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
২০০০ সালের মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পর ভারতীয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ‘চোপড়া উই ক্যান বি হিরোস’, ‘কোয়ান্টিকো’, ‘বেওয়াচ’, ‘বাজিরাও’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। প্রায় ৭০ মিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক এই বিশ্বসুন্দরী।
এই তালিকায় আরও রয়েছেন গাল গাদোদ, গ্রেস কেলি, বেলা হাদিদ, কাইলি জেনার, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, জেনিফার অ্যানিস্টোন, সেরেনা উইলিয়ামস, কেটি পেরিসহ জনপ্রিয় আরও অনেক নারী নক্ষত্র।
সূত্র: আর্টিকেলস ভ্যালি

কিয়ারা আদভানি তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের কারণে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। সম্প্রতি মা হয়েছেন এই অভিনেত্রী। যদিও তাঁর কাজ, ব্যক্তিগত জীবন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যকলাপ প্রায় সবই আমাদের আকর্ষণ করে। তবু তাঁর সৌন্দর্য নিয়ে যেন না বললেই নয়। আমাদের বাক্রুদ্ধ করে দেয় তাঁর অসাধারণ সৌন্দর্য...
৭ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ‘রেমিটলি’ প্রকাশ করেছে বিশ্বের ভদ্র বা মার্জিত দেশের তালিকা। তাতে তৃতীয় স্থান দখল করে নিয়েছে ভিয়েতনাম। পর্যটকদের প্রতি স্থানীয়দের বিনয়ী আচরণ এবং চমৎকার আতিথেয়তার কারণে দেশটি ভ্রমণপিয়াসিদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষ আসন দখল করেছে। যারা কোলাহলমুক্ত পরিবেশে প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে...
৯ ঘণ্টা আগে
বৈশাখ মাস শুরু হয়ে গেল। তার মানে, গ্রীষ্মকাল শুরু। প্রচণ্ড গরম পড়বে এখন। হঠাৎ হঠাৎ হবে ঝড়। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম মানে তীব্র দাবদাহ, উচ্চ আর্দ্রতা এবং ক্লান্তিকর আবহাওয়া। মার্চ থেকে জুন—এই সময়টায় দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়।
১১ ঘণ্টা আগে
যেকোনো কর্মজীবী মানুষ সকালে অফিসের উদ্দেশে বের হন ঝরঝরে আমেজে। সব ঠিক থাকলে আগের রাতে ভালো একটা ঘুম দিয়ে, নাশতা করে আয়নায় নিজেকে সতেজ দেখেই বের হন সবাই। কিন্তু ঠিক দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই কেমন যেন ম্যাড়ম্যাড়ে আর ক্লান্ত হয়ে পড়েন অনেকে। নারীদের মেকআপ কোথাও নষ্ট হয়ে যায়। আবার চুল হয়ে যায় রুক্ষ, চোখ...
১১ ঘণ্টা আগে