শিশুদের আসলে কোন বয়সে লাইফ স্কিল শেখানো উচিত? মনোবিজ্ঞানীদের মতে, একেবারে জীবনের শুরু থেকে। আমরা সাধারণত ভেবে থাকি, ঘরের সব কাজ বড়রাই করবে। শিশুরা শুধু পড়াশোনা আর খেলাধুলা করবে। কিন্তু মনোবিজ্ঞান ও শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁদের পরামর্শ হলো, আসলে শিশুদের ছোটবেলা থেকে ঘরের টুকিটাকি কাজে অভ্যস্ত করালে তার ব্যক্তিত্ব গঠন ও পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় হয়।
শিশুকে কেন ঘরের বিভিন্ন কাজে যুক্ত করবেন
পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কাজ করার সময় শিশুর মধ্যে যোগাযোগ দক্ষতা, আপস করার মানসিকতা এবং দলগতভাবে কাজ করার ক্ষমতা তৈরি হয়। যখন শিশু বুঝতে পারে, তার ছোট একটি কাজে পরিবারের সবার উপকার হচ্ছে, তখন তার মধ্যে দায়িত্ববোধ এবং আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। বাড়ির ছোট ছোট কাজ শিশুর সামাজিক দক্ষতা বাড়ায়। আবার শিশু যখন ছোট ছোট কাজে সাহায্য করে, তখন বড়দের কাজ দ্রুত শেষ হয়। এতে হাতে বাড়তি সময় পাওয়া যায়।
বয়স অনুযায়ী কাজের তালিকা
ডা. সানজিদা শাহরিয়া বলেন, ‘শিশুকে কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে তার বয়স এবং সক্ষমতার দিকে খেয়াল রাখা খুব জরুরি। খুব কঠিন কাজ দিলে সে ভয় পেতে পারে, আবার খুব সহজ কাজ তাকে একঘেয়েমিতে ফেলে দিতে পারে।’ তিনি জানান, একেক বয়সের শিশুদের জন্য দিতে হবে একেক ধরনের কাজ।
যখন শিশু নিজের খেলনা গোছানো কিংবা খাবার টেবিল পরিষ্কারের মতো কাজগুলো করে, তখন তার মধ্যে স্বাবলম্বী হওয়ার মানসিকতা তৈরি হয়। রান্নায় সাহায্য করা, বাগান করা অথবা কাপড় গোছানোর মতো কাজগুলো তাকে পরবর্তী জীবনে একজন দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে।অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া চিকিৎসক, কাউন্সেলর ও সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার
উৎসাহ দিন, জোর নয়
ডা. সানজিদা শাহরিয়া বলেন, শিশুকে কাজে আগ্রহী করতে প্রশংসা ও উৎসাহের বিকল্প নেই। সেই কাজ নিখুঁতভাবে করতে না পারলেও তার প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান। কীভাবে জানাবেন? কোনো কাজের পর তাঁকে ‘ধন্যবাদ’ দিন, যাতে সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। মাঝেমধ্যে কাজের ধরন বদলে দিন, যাতে সে একঘেয়ে বোধ না করে। অনেকে কাজের বিনিময়ে শিশুকে হাতখরচ কিংবা পকেট মানি দেন। এটি শিশুকে উৎসাহিত করলেও তাকে বোঝাতে হবে, পরিবারের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার একটি নৈতিক কর্তব্য।
তবে মনে রাখা জরুরি, শিশুকে ঘরের কাজে যুক্ত করা মানে তাকে শুধু খাটানো নয়; বরং এটি তাকে একজন দায়িত্বশীল এবং আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রথম ধাপ। তাই আজ থেকে আপনার সোনামণিকে ছোট কোনো কাজে সঙ্গী করে নিন।

ডিজিটাল ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম অ্যাগোডা তাদের ‘২০২৬ ট্রাভেল আউটলুক রিপোর্ট’-এ এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের কাছে ভ্রমণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠছে স্থানীয় খাবার ও খাদ্যসংস্কৃতি।
৯ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে আঁশ বা ফাইবার বলতেই আমাদের মাথায় প্রথমে আসে ওটমিলের নাম। প্রতি কাপ ওটমিলে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে। তবে ওটমিলই একমাত্র আঁশের উৎস নয়। এমন অনেক সাধারণ খাবার আছে, যা ফাইবার বা আঁশের দিক থেকে ওটমিলকেও ছাড়িয়ে যায়। তাই যাঁরা ওটমিল খেতে পারেন না, তাঁদের জন্য এ খাবারগুলো সম্পর্কে জানা বেশি জরুরি।
১০ ঘণ্টা আগে
সচরাচর আমরা ভদ্রতার সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘দয়ালু’ বা ‘উদার’ শব্দ দুটি ব্যবহার করি। সমাজ আমাদের অনেক কিছুই শেখায়। অনেক নিয়মের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা মনে করি, কাউকে ‘ধন্যবাদ’ বলা বা কেউ বিপদ পড়লে তাকে ‘শুনে খুব খারাপ লাগল’ বলাটাই ভালো মানুষের লক্ষণ।
১১ ঘণ্টা আগে
পথে আসতে-যেতে পেয়ারা চোখে পড়ছে এখন। প্রায়ই হয়তো ফেরার পথে কিনে নিয়ে আসেন বাড়িতে। এবার তৈরি করে ফেলুন পেয়ারার টক-মিষ্টি চাটনি। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আলিফ’স ডেলিকেট ডিশেজের শেফ আলিফ রিফাত...
১৫ ঘণ্টা আগে