সানজিদা জান্নাত পিংকি

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে সাভারের বাইশমাইল স্ট্যান্ডে নামলেই সবার চোখে পড়বে এক গেট। লাল-সাদা রঙের এই ফটকে লেখা ‘জ্ঞানের প্রবেশদ্বার’। এক পাশে খোদাই করা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের নেতাদের মুখাবয়ব, অন্য পাশে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারদের প্রতিকৃতি। কিছুটা এগোলেই দেখা মিলবে আরেকটি গেট। এটি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক। এই দুই ফটক যেন ইতিহাসের দুই প্রহরী। গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি) দাঁড়িয়ে আছে এর ছায়াতেই।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর হাতে গড়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যে স্পষ্ট মুক্তিযুদ্ধ ও মানবমুক্তির দর্শন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, শিক্ষা শুধু পেশা নয়, সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। তাই ক্যাম্পাসের প্রবেশদ্বারেই ইতিহাসকে দৃশ্যমান করে রাখা হয়েছে। এই গেটের এক পাশে তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামানসহ দেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীদের প্রতিকৃতি খোদাই করা। অন্য পাশে খচিত রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারদের মুখাবয়ব।
‘জ্ঞানের প্রবেশদ্বার’ পেরিয়ে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালস ও ঘোড়াপীর মাজার অতিক্রম করলে ডান পাশে চোখে পড়বে মূল ফটকটি। এর বাইরের দেয়ালে ভাষা আন্দোলনের দৃশ্য— ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’। ভেতরের দেয়ালে খোদাই করা আছে বাংলার বিপ্লবী নারীদের মুখাবয়ব—বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামাল, ইলা মিত্র, জাহানারা ইমাম, নভেরা আহমেদসহ অনেকে। এই শিল্পকর্ম নারীর সংগ্রাম, প্রতিবাদ এবং অবদানের ইতিহাসকে স্থায়ী রূপ দিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ও শিল্পকর্মে মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন ও নারী জাগরণ—তিনটি বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শক্ত কংক্রিট ও মাটির রঙের ব্যবহারে গেটগুলো যেন সময়ের সঙ্গে ইতিহাসকে ধারণ করে রাখার প্রতীক।

কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী শেখ রোহান বলেন, ‘আজকের প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে উদাসীনতা বাড়ছে। কিন্তু এই ফটকগুলো প্রতিদিন আমাদের মনে করিয়ে দেয় স্বাধীনতার মূল্য আর দায়িত্বের কথা। এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে পেরে আমি গর্বিত।’
ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক লিটন হোসেনের মতে, ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারের এই শিল্পকর্মগুলো প্রমাণ করে, এখানে ইতিহাস কোনো বিচ্ছিন্ন অধ্যায় নয়, বরং শিক্ষাজীবনের অংশ।’

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে সাভারের বাইশমাইল স্ট্যান্ডে নামলেই সবার চোখে পড়বে এক গেট। লাল-সাদা রঙের এই ফটকে লেখা ‘জ্ঞানের প্রবেশদ্বার’। এক পাশে খোদাই করা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের নেতাদের মুখাবয়ব, অন্য পাশে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারদের প্রতিকৃতি। কিছুটা এগোলেই দেখা মিলবে আরেকটি গেট। এটি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক। এই দুই ফটক যেন ইতিহাসের দুই প্রহরী। গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি) দাঁড়িয়ে আছে এর ছায়াতেই।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর হাতে গড়া এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যে স্পষ্ট মুক্তিযুদ্ধ ও মানবমুক্তির দর্শন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, শিক্ষা শুধু পেশা নয়, সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। তাই ক্যাম্পাসের প্রবেশদ্বারেই ইতিহাসকে দৃশ্যমান করে রাখা হয়েছে। এই গেটের এক পাশে তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এম মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামানসহ দেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীদের প্রতিকৃতি খোদাই করা। অন্য পাশে খচিত রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারদের মুখাবয়ব।
‘জ্ঞানের প্রবেশদ্বার’ পেরিয়ে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালস ও ঘোড়াপীর মাজার অতিক্রম করলে ডান পাশে চোখে পড়বে মূল ফটকটি। এর বাইরের দেয়ালে ভাষা আন্দোলনের দৃশ্য— ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’। ভেতরের দেয়ালে খোদাই করা আছে বাংলার বিপ্লবী নারীদের মুখাবয়ব—বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামাল, ইলা মিত্র, জাহানারা ইমাম, নভেরা আহমেদসহ অনেকে। এই শিল্পকর্ম নারীর সংগ্রাম, প্রতিবাদ এবং অবদানের ইতিহাসকে স্থায়ী রূপ দিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ও শিল্পকর্মে মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন ও নারী জাগরণ—তিনটি বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শক্ত কংক্রিট ও মাটির রঙের ব্যবহারে গেটগুলো যেন সময়ের সঙ্গে ইতিহাসকে ধারণ করে রাখার প্রতীক।

কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী শেখ রোহান বলেন, ‘আজকের প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে উদাসীনতা বাড়ছে। কিন্তু এই ফটকগুলো প্রতিদিন আমাদের মনে করিয়ে দেয় স্বাধীনতার মূল্য আর দায়িত্বের কথা। এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে পেরে আমি গর্বিত।’
ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক লিটন হোসেনের মতে, ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারের এই শিল্পকর্মগুলো প্রমাণ করে, এখানে ইতিহাস কোনো বিচ্ছিন্ন অধ্যায় নয়, বরং শিক্ষাজীবনের অংশ।’

সুপার গ্লু এত দ্রুত শক্ত হয়; কারণ, এটি অল্প আর্দ্রতার সংস্পর্শ পেলে কাজ শুরু করে। হাতের ঘাম, বাতাসের আর্দ্রতা বা যে বস্তুতে গ্লু লাগানো হচ্ছে—সবখানে এই আর্দ্রতা থাকে। ফলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শক্ত হয়ে যায়। এ কারণেই সুপার গ্লু তুলতে সাধারণ পানি বা কাপড় যথেষ্ট নয়, দরকার হয় সঠিক কৌশল।...
৯ ঘণ্টা আগে
এই অতি ডিজিটাল যুগে এসেও নিজের নিভৃত ব্যক্তিগত জার্নাল বা ডায়েরি লেখার গুরুত্ব কি ফুরিয়ে গেছে? বিজ্ঞান এবং সফল মানুষদের জীবন বলছে, একদমই নয়। সোশ্যাল মিডিয়ার এই কোলাহলের যুগে নিজের জন্য অন্তত ১০ মিনিট সময় বের করে ডায়েরি লেখা আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হতে পারে। নিজের দুর্বলতা ও শক্তিকে চেনা...
১৩ ঘণ্টা আগে
গত কয়েক বছরে ‘ওয়েলবিয়িং’ শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এর সঙ্গে যোগব্যায়ামের সম্পর্ক কতটা গভীর? প্রশিক্ষকদের মতে, যোগব্যায়াম শুধু কিছু আসন নয়, এটি শরীর ও মনের ভারসাম্য রক্ষার একটি বিজ্ঞানও।
২১ ঘণ্টা আগে
পকেটে হাত দেওয়ার আগে তিনবার সঞ্চয়ের নাম জপুন। অফিসে আপনার এনার্জি দেখে বস ভয় পেয়ে যেতে পারেন। মনে হবে একাই পুরো কোম্পানি টেনে দেবেন, কিন্তু আদতে দুপুরের লাঞ্চের পর হাই তুলতে তুলতেই দিন কাবার হবে।
২১ ঘণ্টা আগে