সুন্দর দেখাতে ঘরে শুধু দামি আসবাব নয়, বরং সেই ঘরে দরকার আলো-ছায়ার এক নিখুঁত সমন্বয়। আলোকসজ্জা শুধু ঘর আলোকিত করে না, এটি রুচি ও ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। সঠিক রঙের দেয়াল ও আসবাবের সঙ্গে সঠিক আলোর ব্যবহার মুহূর্তে আপনার ঘরের আবহ বদলে দিতে পারে। সঙ্গে আপনার ঘর করে তুলবে প্রাণবন্ত ও ইতিবাচক শক্তিতে ভরপুর। এটি যেমন আভিজাত্যপূর্ণ, তেমনি মন ভালো রাখতেও যথেষ্ট কার্যকর। এখন খুব সহজে একটি সুইচ টিপে নিজের ঘর ছবির মতো অনন্য করে তোলা যায়। ঘর স্মার্টভাবে সাজাতে কোন জায়গায় কী রকম আলো ব্যবহার করতে হবে, তা জেনে নিন এখানে।
আলোর ধরন ও ব্যবহার
ঘর সাজাতে সাধারণত কয়েক ধরনের আলো ব্যবহার করা হয়—
উৎসবে বিভিন্ন ঘরে আলোর ব্যবহার
শোয়ার ঘর
শোয়ার ঘর যেহেতু বিশ্রামের জায়গা, তাই সেখানে আলো হওয়া উচিত নরম। তবে বাড়িতে দাওয়াত বা উৎসবের দিনগুলোয় অতিথি সমাগম হলে শোয়ার ঘরেও আড্ডা জমে ওঠে। উৎসবকে কেন্দ্র করে শোয়ার ঘর আলোয় সাজাতে পারেন। দেয়ালের ল্যাম্প অথবা সিলিং থেকে ঝোলানো পেন্ডেন্ট লাইটে ঘরে আভিজাত্য এনে দেয়। এই ঘরের আলোকসজ্জায় ফ্ল্যাশ-মাউন্ট-ফিক্সচার বেছে নিতে পারেন।

বসার ঘর
এটি সবাই মিলে বসে টিভি দেখা বা আড্ডা দেওয়ার জায়গা। এই ঘরে টিভির পেছনে ‘বায়াস লাইটিং’ ব্যবহার করলে চোখের ওপর চাপ কম পড়বে। এখানে আড্ডার আবহ ঠিক রাখতে সাধারণ আলোর পাশাপাশি মৃদু আলোর ব্যবস্থাও রাখা উচিত।

ডাইনিং
খাবার টেবিলের ঠিক ওপরে একটি ঝাড়বাতি বা মাল্টি-লাইট পেন্ডেন্ট বসালে তা সব দিকে সমানভাবে আলো ছড়াবে। খাবারের পরিবেশ উৎসবমুখর রাখতে আলোর তীব্রতা কমানো-বাড়ানোর জন্য ‘ডিমার সুইচ’ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

পড়ার ঘর
পড়ার টেবিলে অবশ্যই অ্যাডজাস্টেবল ল্যাম্প রাখতে হবে। এখানে আলো এমনভাবে সেট করতে হবে, যাতে বইয়ের ওপর সরাসরি আলো পড়ে এবং চোখের ওপর চাপ তৈরি না করে।
সিঁড়ি ও আউটডোর
নিরাপত্তার জন্য সিঁড়িতে স্ট্রিপ লাইট বা ওয়াল মাউন্টেড স্পটলাইট ব্যবহার করতে পারেন। আর উৎসবে বাড়ির প্রবেশপথ বা বাগানে হাঙ্গিং লাইট লাগালে তা বাড়ির সৌন্দর্য বহুগুণে বাড়িয়ে দেবে।
সূত্র: হোমলেন

ঈদে শাড়ি পরার কথা ভাবছেন? তাহলে একটু দাঁড়ান, জুতার আলমারি খুলে দেখুন, তাতে কত ধরনের জুতা রয়েছে। একবার চোখ বুলিয়ে তবেই শাড়ি কিনতে যান। ভাবছেন, এমন কথা কেন বলছি? শাড়ির জন্য সঠিক জুতা বেছে নেওয়া আমরা মামুলি বিষয় হিসেবে দেখি।
২ ঘণ্টা আগে
আজকের মেজাজ সুপারহিরো ভাইবস। শরীরে এনার্জি লেভেল এত বেশি থাকবে যে মনে হবে এক লাফে এভারেস্টে চড়ে বসেন। তবে সাবধান! এই অতি-উৎসাহে বসের কেবিনে বিনা অনুমতিতে ঢুকে পড়বেন না। আজ আপনার জন্য শুভ কাজ হলো—কোনো তর্কে না জড়িয়ে চুপচাপ নিজের কাজ করা।
৩ ঘণ্টা আগে
অনেককে বলতে শোনা যায়, উৎসব কিংবা বিশেষ দিনের আগে মুখে ব্রণ বা র্যাশ গজায়। আবার দুশ্চিন্তায় চোখের কোণে কালি পড়ে। এ ছাড়া কেন যেন মুখের ত্বকে সব সমস্যার দেখা মেলে। অথচ বিশেষ দিনে মেকআপ বসবে মুখত্বকেই।
৩ ঘণ্টা আগে
ঈদুল আজহায় ব্যস্ত সময় কাটাতে হয় রান্নাঘরে। কাটাকুটি, রান্নাবান্না—সব মিলিয়ে জমজমাট অবস্থা। ঈদের দিন যেন শান্তিমতো কাজ করা যায়, তাই আগেই রান্নাঘর ডিপ ক্লিন করে ফেলা প্রয়োজন। এই ঈদে প্রায় সবাই একবার রান্নাঘর ভালোভাবে পরিষ্কার করার কথা ভাবেন।
৩ ঘণ্টা আগে