বাজারে এখন বিভিন্ন ধরনের ক্লিনজার পাওয়া যায়। তবে কোনটি আপনার ত্বকের জন্য উপযোগী, তা বুঝতে পারছেন না, তাই তো? কিছু ক্লিনজার ফেনাযুক্ত, অন্যগুলো আবার জেল ক্লিনজার হিসেবে পরিচিত। কোনটি কী কাজে ব্যবহৃত হয়, সেটি আপনার জানা থাকলে ক্লিনজার বেছে নেওয়া সহজ হবে।
এ ধরনের ক্লিনজার ত্বকের ওপর জমে থাকা অতিরিক্ত তেল, ঘাম, ধুলো এবং প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ সহজে পরিষ্কার করতে পারে। তাই যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত অথবা ব্রণপ্রবণ, তাঁদের জন্য এ ধরনের ক্লিনজার উপযোগী। ত্বক ডিপ ক্লিন করতে চাইলে ত্বকের রোমকূপ খুলে দিয়ে তার ভেতর থেকে ময়লা অপসারণেএ এই ক্লিনজার ভালো কাজ করে। তবে দিনে একাধিকবার এটি ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। এতে ত্বকে উৎপন্ন প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে যায় এবং ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে উঠতে পারে। কখনো কখনো ত্বকের ওপরের সুরক্ষা স্তরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
জেল ক্লিনজার কিন্তু ফোম ক্লিনজারের চেয়ে তুলনামূলক কোমল। এতে ফেনা তৈরি হয় না। কোনো কোনো জেল ক্লিনজারে ফেনা তৈরি হলেও তার পরিমাণ খুব কম। এটি ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে। তাই প্রায় সব রকম ত্বকের জন্য জেল ক্লিনজার ভালো বলা চলে। যাঁদের ত্বক মুখ ধোয়ার পর সহজে লালচে হয়ে যায়, তাঁদের জন্য এ ধরনের ক্লিনজার তুলনায় আরামদায়ক হতে পারে। কারণ, এতে প্রদাহনাশী উপাদান থাকে।
শুষ্ক ত্বকের জন্য জেল ক্লিনজার ব্যবহার করা ভালো। এতে প্যানথেনল, হায়ালুরনিক অ্যাসিড ও নিয়াসিনামাইডের মতো উপাদান থাকে। তবে এই ক্লিনজার ভারী মেকআপ কিংবা ত্বকের অতিরিক্ত তেল অপসারণ করতে পারে না। এসব বিশেষ ক্ষেত্রে আপনাকে ফোম ক্লিনজার ব্যবহার করতে হবে।
সূত্র: অ্যালিউর, ডার্মস্কিন ও অন্যান্য

এক ছাদের নিচেই বসবাস। তবু কেউ যেন কারও মুখের দিকেও ভালোভাবে তাকান না। প্রয়োজন ছাড়া বাড়তি কোনো কথা বলা হয় না। শেষ করে মনের কথা বলেছেন, ভুলেই গেছেন। বাড়ি ফিরে দু’জনেই নিজের ফোনে ব্যস্ত। খাওয়ার সময়ও আলাদা করে ফেলেছেন। মানসিক সম্পর্কের পাশাপাশি শারীরিক সম্পর্কেও ভাটা পড়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইদো। সেখানকার সবুজ প্রান্তর, বরফগলা হ্রদ আর বিশাল প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যটকদের আকর্ষণে বাধ্য করে। শুধু তা-ই নয়, দ্বীপটি আধুনিক রূপচর্চার জগতে তৈরি করেছে এক অনন্য বিপ্লব। প্রচলিত রাসায়নিক উপাদানের কৃত্রিমতা ছাড়িয়ে প্রকৃতির কোল থেকে পাওয়া একদম খাঁটি কাঁচামাল দিয়ে
৩ ঘণ্টা আগে
রোদ থেকে চোখ বাঁচাতে সানগ্লাস ব্যবহার করেন অনেকেই। তবে সানগ্লাস কেনার সময় লেন্স যত গাঢ়, সুরক্ষা তত বেশি এমন ধারণা বেশ প্রচলিত। আবার কেউ কেউ মনে করেন, রঙিন লেন্স মানেই সেটি অতিবেগুনি রশ্মি বা ইউভি রশ্মি থেকে চোখের সুরক্ষা দেবে। বাস্তবে বিষয়টি এতটা সরল নয়। চোখের সুরক্ষার জন্য লেন্সের
৫ ঘণ্টা আগে
ব্যস্ত দিনের মাঝে আমরা অনেক সময় এক কাপ চা বা কফি হাতে নিয়ে একটু বসতে চাই। কিন্তু সেই ‘একটু বসা’ কখনো হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে কথা বলার, হাসি ভাগ করে নেওয়ার কিংবা দিনের ক্লান্তি একটু দূরে সরিয়ে রাখার একটি সুবর্ণ সুযোগ। সুইডেনে এমন বিরতিকেই দেওয়া হয়েছে বিশেষ এক নাম—ফিকা। সেখানে কফি খাওয়ার এই মুহূর্ত শুধু
৭ ঘণ্টা আগে