পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা মেনে চললে ঋতুভিত্তিক রোগের ভয় অনেকটা কমে যায়। যেসব শিশু সবে স্কুলে যেতে শুরু করেছে, তাদের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া জরুরি। এরই মধ্যে অনেক গরম পড়েছে। তা হয়তো আরও বাড়বে। তাই শিশুরা স্কুলে ও বাড়িতে যেন ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারটি মেনে চলে, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি।
খাওয়ার আগে, ওয়াশরুম ব্যবহারের পর কিংবা খেলাধুলা এবং কোনো কাজ করার পর হাত ধুতে হবে ২০ সেকেন্ড সময় ধরে, ভালো মানের হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে। কারণ, বাড়ি বা স্কুলে শিশুদের বিভিন্ন জিনিস ধরার প্রবণতা বেশি। ফলে কোথা থেকে কী ধুলো-ময়লা লাগছে, আপনি টেরও পাচ্ছেন না। তাই ভালো করে হাত ধুয়ে নেওয়া জরুরি।
অনেক শিশুর এই বদভ্যাস রয়েছে। মুখে হাত দেওয়ার ফলে পেটে ধুলো, ময়লা চলে গিয়ে পেটের অসুখ হওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই শিশুকে এই বিষয়ে সচেতন করুন।
এই অভ্যাসও অনেকের মধ্যে দেখা যায়। হাত পরিষ্কার থাকলেও নখে অনেক সময় ময়লা জমে। শিশুর হাত ও পায়ের নখ পরিষ্কার করে কেটে রাখতে হবে নিয়মিত।
এটাও শুরু থেকে শিশুকে বোঝাতে হবে। তাকে বোঝান, সকালে ব্রাশ করা যতটা জরুরি, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্রাশ করাটা ঠিক ততটাই দরকারি।

পরিচ্ছন্ন থাকতে গেলে দিনে একবার গোসল করতে হবে। না হলে শরীরে ময়লা কিংবা ঘাম জমে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তাই গ্রীষ্মকালে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে প্রয়োজনে দুবার গোসল করাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে খুব বেশি সময় নেওয়া যাবে না। গোসলের সময় শিশুর ত্বকের উপযোগী সাবান ব্যবহার করুন।
শিশু যেন গোসলের পর আগের পোশাক ছেড়ে পরিষ্কার জামাকাপড় পরে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। প্রতিদিন তার কাপড়চোপড় সাবানে কেচে ধুয়ে কড়া রোদে শুকিয়ে নিতে হবে।
শিশু যে বিছানায় ঘুমায়, সেটির বেডশিট কয়েক দিন পরপর বদলে দিতে হবে। সঙ্গে বালিশের কভারও বদলানো জরুরি। বালিশ ও তোশক মাসে একবার রোদে দিতে হবে। এতে সেগুলোও স্বাস্থ্যকর থাকবে।
সূত্র: হেলথ ডিরেক্ট ও অন্যান্য

শাড়ি পরার সময় আয়নার দিকে তাকাতেই যেন বুকটা মোচড় দিয়ে উঠল। কী আপনি কী হয়ে গেছেন–একথাই ভাবছেন নিশ্চয়ই। মেঘে মেঘে বেলা তো কম হয়নি, বয়স পেরিয়েছে ৫০–এর কোঠা। প্রাকৃতিক নিয়মেই শারীরিক গঠনে পরিবর্তন তো আসারই কথা।
৩ ঘণ্টা আগে
এই শহুরে জীবনে বাড়ির সামনে বাগান করার সৌভাগ্য আর কজনের মেলে? শখ-আহ্লাদ যেটুকু মেটানোর যার ফুরসত দেয় এক চিলতে বারান্দা। অবশ্য সুন্দর একটা বারান্দা পাওয়াও সৌভাগ্যের ব্যাপার।
৬ ঘণ্টা আগে
বয়স বৃদ্ধি জীবনের এক চরম সত্য। কিন্তু এই বেড়ে চলা বয়সকে অনেকে মেনে নিতে পারেন না। আগের শক্তি কিংবা কাজের গতি ধীরে ধীরে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে। তেমনই আমাদের ত্বকে তার প্রভাব পড়তে শুরু করে। অনেকে বয়সের এই ছাপ লুকাতে দামি ক্রিম, লোশন বা সেরামের ওপর ভরসা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী যেসব কিশোর-কিশোরী দিনে দুই ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, এক বছর পর তাদের মধ্যে বিষণ্নতার লক্ষণ এবং সুখের অনুভূতি বা হ্যাপিনেস লেভেল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এই নেতিবাচক প্রভাব বেশি দেখা গেছে ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সী কিশোরীদের ক্ষেত্রে, যারা মাত্র বয়ঃসন্ধিতে পা দিয়েছে...
১০ ঘণ্টা আগে