দাঁড়াও, বইটার নাম আগে বলে নিই। ‘গল্পে গল্পে রবীন্দ্রনাথ’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে লেখা আবুল মোমেনের এ বইটিতে তুমি পড়তে পারবে বিশ্বকবির জীবনের বিভিন্ন গল্প। তিনি বেঁচে ছিলেন ৮০ বছর। তাঁর জন্মদিন আমরা পালন করি ২৫ বৈশাখ ও মৃত্যুদিন ২২ শ্রাবণ। তাঁরা ছিলেন ১৪ ভাইবোন। তাঁর বাবা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মা সারদাসুন্দরী দেবী।
এটুকু তো জানোই যে স্কুল কবির একদম ভালো লাগত না। কিন্তু স্কুলে না গেলেও সারা দিন তাঁর পড়াশোনা চলত বাড়িতেই।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভোরে ডাকসাইটে পালোয়ানের কাছে কুস্তি শিখতেন। তার পরেই মেডিকেলের ছাত্রের কাছে হাড় চেনা চলত। এরপর ঘড়ি ধরে চলে আসতেন নীলকমল মাস্টার। তাঁর কাছে অঙ্ক ও বাংলা শিখতেন রবীন্দ্রনাথ পরিবারের অন্য শিশুদের সঙ্গে।
সতীনাথ দত্ত পড়াতেন বিজ্ঞান। ব্যাকরণ পড়তে হতো হেরম্ব তর্ক রত্নের কাছে। তারপর ঘুম না আসা পর্যন্ত অঘোর মাস্টারের কাছে ইংরেজি পড়তেন তিনি।
কোনো কোনো দিন গানের মাস্টার যদু ভট্টও আসতেন। তাঁর বাবা কিশোর বয়সে একদিন তাঁকে হিমালয়ের পাহাড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি স্কুলে যাচ্ছেন না বলে বড় ভাইদের খুব চিন্তা হতো। একদিন ঠিক করা হলো, তাঁকে বিদেশে লেখাপড়া করার জন্য পাঠানো হবে।
রবীন্দ্রনাথ মাঝে মাঝেই কবিতা, গান ও নাটক লিখতেন। সাহিত্য়ে তিনি নোবেল পেলেনও। যেই বইটির ইংরেজি অনুবাদের ফলে তিনি নোবেল পান, তার নাম ‘গীতাঞ্জলি’। শেষ বয়সে তিনি ছবি আঁকায় মেতে উঠেছিলেন।
শুরুর কথায় ফিরে আসি। এ বইটি থেকে ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ কেমন ছিলেন, তিনি ছোটবেলায় কী করতেন ইত্যাদি জানতে পারবে তুমি। বইটি প্রকাশ করেছে পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স।

বিদায়ী বছরকে স্মরণীয় রাখতে আমাদের যাত্রা ছিল বগা লেক ও কেওক্রাডং। পাহাড়, মেঘ ও নীল পানির সেই দিনগুলো পেছনে ফেলে বান্দরবানে ফেরার পথে হঠাৎ থমকে গেল মন। হাতে তখনো পুরো দিন, শনিবার সাপ্তাহিক ছুটিও রয়েছে। আজই ঢাকায় ফিরতে মন চাইছে না। ইট-পাথরের শহরে ফেরার চেয়ে গহিন অরণ্যের কোলে আরেকটি...
৩ ঘণ্টা আগে
চাকরিতে প্রমোশন বা পরিবর্তনের যোগ প্রবল। তবে বসকে অতিরিক্ত তেল দিতে গিয়ে পিছলে যাওয়ার ভয় আছে। সহকর্মীদের সঙ্গে তর্কে না জড়ানোই ভালো। কারণ, আজ আপনার জেতার সম্ভাবনা কম। পার্টনারের সঙ্গে কোনো পুরোনো ইস্যু নিয়ে হাসাহাসি হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
কুয়াশার মায়াবী আড়মোড়া ভেঙে পুব আকাশে যখন শীতের সূর্য সোনা রোদ উঁকি দেয়, তখন চরাচরের রূপ বদলে যায় নিমেষে। হিমেল হাওয়ার মৃদু ঝাপটায় ফসলের মাঠ যেন সবুজাভ-হলুদ ঢেউয়ে মেতে ওঠে। দুপাশে অবারিত সরিষাখেত, মাঝখান দিয়ে এঁকেবেঁকে চলে গেছে মেঠো পথ। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, ধরিত্রী বুঝি তার অঙ্গে হলুদ রঙের...
৫ ঘণ্টা আগে
রোজেলার মৌসুমে প্রায়ই তো ডালে রোজেলা দিচ্ছেন। এবার ঘন ডালে দিয়ে দেখুন। টক টক স্বাদের এই ডাল থাকলেই দুপুরের খাওয়া জমে যাবে। আপনাদের জন্য রোজেলার ঘন টক ডালের রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী
৫ ঘণ্টা আগে