ফিচার ডেস্ক

আপনার চুল কি শুষ্ক, কোঁকড়া ও প্রাণহীন হয়ে পড়ছে? তাহলে নারকেল দুধ ব্যবহার করে দেখতে পারে। এটি ভিটামিন, খনিজ ও ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। অ্যালোভেরা, ডিম এবং দইয়ের মতো অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে নিলে নারকেল দুধ আপনার চুলের হারানো স্বাস্থ্য ফিরিয়ে দিতে পারে। এতে চুল হবে রেশমি ও তরতাজা।
জেনে নিন, নারকেল দুধের এমন কয়েকটি হেয়ার প্যাক, যা আপনি সহজে বাড়িতে তৈরি করতে পারেন এবং যেগুলো সব ধরনের চুলের জন্য উপযুক্ত।
যদি আপনার চুল শুকনো, নিস্তেজ এবং প্রাণহীন মনে হয়, তাহলে নারকেল দুধ ও মধু দিয়ে তৈরি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। আধা কাপ নারকেল দুধে দুই টেবিল চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে মাথার ত্বক ও পুরো চুলে মাখুন। এবার মাথার ত্বকে আঙুল দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট। এতে রক্তসঞ্চালন বাড়বে এবং চুল বড় হবে। এবার এই প্যাক ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের জন্য চুলে রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ভিটামিন সি, ই এবং আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে ভরপুর। নারকেল দুধ আপনার চুলের গভীরে প্রবেশ করে গোড়া মজবুত করে এবং আগা সুস্থ রাখতে সহায়ক। অন্যদিকে মধু চুলকে হাইড্রেটেড রাখে।
আপনার চুল শুষ্ক, নিস্তেজ ও প্রাণহীন হয়ে পড়লে নারকেলের দুধ এবং শুকনো জবা ফুলের গুঁড়া দিয়ে তৈরি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। জবা ফুলের মধ্য়কার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ভিটামিন চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। সপ্তাহে এক দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে উল্লেখযোগ্য ফল চোখে পড়বে। শারমিন কচি রূপবিশেষজ্ঞ এবং স্বত্বাধিকারী, বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ কেয়ার
এই হেয়ার প্যাক আপনার চুলের প্রাকৃতিক চিকিৎসা হয়ে উঠতে পারে। ভিটামিন, খনিজ এবং ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ আধা কাপ নারকেল দুধের সঙ্গে একটি মাঝারি আকারের কলা চটকে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এই প্যাক মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে মেখে রাখুন আধা ঘণ্টা। এরপর ধুয়ে নিন। কলা চুল মসৃণ করে, চাকচিক্য ফিরিয়ে আনে এবং দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে চুল বাঁচাতে সহায়তা করে।
প্রাকৃতিকভাবে চুল যদি দ্রুত বড় করতে চান, তাহলে এই প্যাক আপনার জন্য। আধা কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ সাধারণ দই যোগ করুন। এই উপাদান দুটি খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মাথার ত্বক ও পুরো চুলে মেখে আঙুল দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট। এতে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং চুল বড় হবে। এবার এই প্যাক ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের জন্য চুলে রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ব্যবহারে আপনার চুল আগের চেয়ে অনেক বেশি মসৃণ ও ঝলমলে হয়ে উঠবে। টক দইয়ে প্রচুর ভিটামিন এবং ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত শক্তিশালী করে তুলবে এবং পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া টক দই প্রোটিন ও ল্যাকটিক অ্যাসিডে ভরপুর, যা চুলের ভঙ্গুরতা দূর করতেও সহায়ক।
আধা কাপ নারকেল দুধের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ জলপাই তেল মেশান। এবার এই প্যাক মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে মেখে রাখুন আধা ঘণ্টা। এরপর ধুয়ে নিন। জলপাই তেল ভিটামিন, খনিজ এবং ফ্যাটি অ্যাসিডে পূর্ণ, যা আপনার চুলকে শক্তিশালী এবং পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া এর ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য ক্ষতিগ্রস্ত চুলকে সারিয়ে তুলতে ভূমিকা রাখে।
সূত্র: ফেমিনা ও অন্যান্য

আপনার চুল কি শুষ্ক, কোঁকড়া ও প্রাণহীন হয়ে পড়ছে? তাহলে নারকেল দুধ ব্যবহার করে দেখতে পারে। এটি ভিটামিন, খনিজ ও ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। অ্যালোভেরা, ডিম এবং দইয়ের মতো অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে নিলে নারকেল দুধ আপনার চুলের হারানো স্বাস্থ্য ফিরিয়ে দিতে পারে। এতে চুল হবে রেশমি ও তরতাজা।
জেনে নিন, নারকেল দুধের এমন কয়েকটি হেয়ার প্যাক, যা আপনি সহজে বাড়িতে তৈরি করতে পারেন এবং যেগুলো সব ধরনের চুলের জন্য উপযুক্ত।
যদি আপনার চুল শুকনো, নিস্তেজ এবং প্রাণহীন মনে হয়, তাহলে নারকেল দুধ ও মধু দিয়ে তৈরি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। আধা কাপ নারকেল দুধে দুই টেবিল চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে মাথার ত্বক ও পুরো চুলে মাখুন। এবার মাথার ত্বকে আঙুল দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট। এতে রক্তসঞ্চালন বাড়বে এবং চুল বড় হবে। এবার এই প্যাক ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের জন্য চুলে রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ভিটামিন সি, ই এবং আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে ভরপুর। নারকেল দুধ আপনার চুলের গভীরে প্রবেশ করে গোড়া মজবুত করে এবং আগা সুস্থ রাখতে সহায়ক। অন্যদিকে মধু চুলকে হাইড্রেটেড রাখে।
আপনার চুল শুষ্ক, নিস্তেজ ও প্রাণহীন হয়ে পড়লে নারকেলের দুধ এবং শুকনো জবা ফুলের গুঁড়া দিয়ে তৈরি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। জবা ফুলের মধ্য়কার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ভিটামিন চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। সপ্তাহে এক দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে উল্লেখযোগ্য ফল চোখে পড়বে। শারমিন কচি রূপবিশেষজ্ঞ এবং স্বত্বাধিকারী, বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ কেয়ার
এই হেয়ার প্যাক আপনার চুলের প্রাকৃতিক চিকিৎসা হয়ে উঠতে পারে। ভিটামিন, খনিজ এবং ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ আধা কাপ নারকেল দুধের সঙ্গে একটি মাঝারি আকারের কলা চটকে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এই প্যাক মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে মেখে রাখুন আধা ঘণ্টা। এরপর ধুয়ে নিন। কলা চুল মসৃণ করে, চাকচিক্য ফিরিয়ে আনে এবং দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে চুল বাঁচাতে সহায়তা করে।
প্রাকৃতিকভাবে চুল যদি দ্রুত বড় করতে চান, তাহলে এই প্যাক আপনার জন্য। আধা কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ সাধারণ দই যোগ করুন। এই উপাদান দুটি খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মাথার ত্বক ও পুরো চুলে মেখে আঙুল দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট। এতে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং চুল বড় হবে। এবার এই প্যাক ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের জন্য চুলে রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ব্যবহারে আপনার চুল আগের চেয়ে অনেক বেশি মসৃণ ও ঝলমলে হয়ে উঠবে। টক দইয়ে প্রচুর ভিটামিন এবং ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত শক্তিশালী করে তুলবে এবং পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া টক দই প্রোটিন ও ল্যাকটিক অ্যাসিডে ভরপুর, যা চুলের ভঙ্গুরতা দূর করতেও সহায়ক।
আধা কাপ নারকেল দুধের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ জলপাই তেল মেশান। এবার এই প্যাক মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে মেখে রাখুন আধা ঘণ্টা। এরপর ধুয়ে নিন। জলপাই তেল ভিটামিন, খনিজ এবং ফ্যাটি অ্যাসিডে পূর্ণ, যা আপনার চুলকে শক্তিশালী এবং পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া এর ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য ক্ষতিগ্রস্ত চুলকে সারিয়ে তুলতে ভূমিকা রাখে।
সূত্র: ফেমিনা ও অন্যান্য

জেন-জি প্রজন্মের কাছে অর্থ উপার্জনের সংজ্ঞা বদলে গেছে। তারা এখন আর ৯ টা-৫টার নিয়ম বেঁধে চাকরি করতে চান না; বিশেষ করে এখন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের সুযোগ বাড়ায় এই মনোভাব দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। এই প্রজন্ম মূলত একাডেমিক জীবনের শেষে করোনা মহামারির সময় কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, এই প্রজন্মের প্রথম
৭ ঘণ্টা আগে
এই মৌসুমে আমাদের অনেকের হাতের আঙুলের ডগা, কিউটিকল এবং নখের চারপাশের ত্বক থেকে চামড়া ওঠে। সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে এগুলো নিজে থেকে সেরে যায়। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এটি মৌসুমি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। চামড়া উঠতে উঠতে একেবারে রক্তও বের হয় অনেক সময়। কিন্তু সহজে সারে না।
৮ ঘণ্টা আগে
আমাদের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে রোদে পোড়া বা ‘সানবার্ন’ খুবই পরিচিত সমস্যা। তবে আমরা অনেকে জানি না যে সাধারণ এই রোদে পোড়া দাগ যখন চরমে পৌঁছায়, তখন তাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘সান পয়জনিং’ বলা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
আজ ২১ জানুয়ারি, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে মিউজিয়াম সেলফি ডে। একসময় ‘ছবি তোলা নিষেধ’ লেখা সাইনবোর্ড আর অতীতমুখী নিস্তব্ধতায় মগ্ন থাকা জাদুঘর এখন খানিক উদার ও প্রাণবন্ত। বিশ্বের অনেক জাদুঘরে এখন ছবি তোলা যায়। আর সেলফি হলো সেই ছবি তোলার এক দারুণ মাধ্যম।
১৩ ঘণ্টা আগে