প্রায়ই রুই মাছ খেতে খেতে আর মুখে স্বাদ লাগছে না? তাহলে এবার রেঁধে ফেলুন ভাপা রুই। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আভা তাজনোভা ইরা।
উপকরণ
রুই মাছ ৬ পিস, কালো সরিষা ২ টেবিল চামচ, সাদা সরিষা ২ টেবিল চামচ, পোস্তদানা দেড় চা-চামচ, টক দই ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ স্বাদমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, পানি পরিমাণমতো, চিনি আধা চা-চামচ, হলুদগুঁড়া পরিমাণমতো।
প্রণালি
প্রথমে রুই মাছের টুকরোগুলো ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর সামান্য হলুদ ও লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণের জন্য ঢেকে রেখে দিন। ব্লেন্ডার বা পাটায় কালো ও সাদা সরিষা, পোস্তদানা, ৪টি কাঁচা মরিচ এবং সামান্য লবণ দিয়ে একেবারে মসৃণ করে বেটে নিন।
এবার ঢাকনাযুক্ত একটি টিফিন ক্যারিয়ার বা স্টিলের বাটি নিন। এতে বেটে রাখা মসলার পেস্ট, ফেটানো টক দই এবং এক চিমটি চিনি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই পর্যায়ে স্বাদমতো লবণ দিন। এবার মেরিনেট করে রাখা মাছের টুকরোগুলো একে একে মসলার মিশ্রণে দিয়ে খুব সাবধানে মাখিয়ে নিন। মসলা মাখানো মাছের ওপর দিয়ে ২ টেবিল চামচ খাঁটি সরিষার তেল ছড়িয়ে দিন এবং কয়েকটি আস্ত বা চেরা কাঁচা মরিচ দিয়ে বাটির ঢাকনা ভালো করে আটকে দিন।
একটি বড় হাঁড়ি বা প্যানে বেশ কিছুটা পানি দিন। পানির ঠিক মাঝে একটি স্ট্যান্ড বসিয়ে তার ওপর মাছের বাটি সাবধানে বসিয়ে দিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, পানি যেন ফুটে উঠলে বাটির ভেতরে ঢুকে না যায়। চুলার আঁচ মাঝারি রেখে বড় পাত্রটি ঢেকে দিন এবং ২৫ থেকে ৩০ মিনিট এভাবেই ভাপে রান্না হতে দিন। এরপর চুলা বন্ধ করে বাটিটি সাবধানে নামিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল দারুণ সুস্বাদু ভাপা রুই! ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার এই পদ।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বড় দুটি পর্যটন দেশ ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড। এই দেশ দুটি আঞ্চলিক বিমান চলাচল হাব হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ক্রমবর্ধমান যাত্রী এবং কার্গো পরিবহনের চাপ সামলাতে দুই দেশই তাদের বিমানবন্দর অবকাঠামো ঢেলে সাজাতে বিপুল বিনিয়োগের মহাপরিকল্পনা হাতে...
৯ ঘণ্টা আগে
মানুষ জ্বর না হলেও যে ‘জ্বরে কাঁপে’, তার নাম বিশ্বকাপ ফুটবল। খুব সম্ভবত, পৃথিবীর সবচেয়ে গোমড়া মুখের মানুষটির মনেও কখনো কখনো দোলা দিয়ে যায় বিশ্ব ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ। যাঁরা মাঠে খেলা দেখার সুযোগ পাননি, কিংবা খেলাটির প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ না থাকলেও ইতিহাসের প্রতি আগ্রহ আছে, বিশ্বকাপের...
১৫ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের শুরুতে অ্যান্টার্কটিকা অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন তিনি। এবার উত্তর মেরুর হাই আর্কটিক বা সুমেরু অঞ্চলে নতুন এক রোমাঞ্চকর অভিযানে নেমেছেন বাংলাদেশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালাহউদ্দিন সুমন নামে বিখ্যাত আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। সঙ্গে রয়েছেন ভ্রমণবিষয়ক লেখক ও উদ্যোক্তা নিলয় কুমার বিশ্বাস।
১৬ ঘণ্টা আগে
পথ চলতে চলতে ফেনীর নিজকুঞ্জরা গ্রামে বন্ধু রাশেদের পরিত্যক্ত বাড়িতে এসে থামতে হলো। পূর্বঘোষিত ডিনার সেখানে শেষ করতে হলো। এরপর ভরা চান্দের মিঠা মিঠা আলোয় ভাইরাল গায়ক হুমায়ূন সরকারের সঙ্গে আমাদের আড্ডা চলল রাত ১১টা পর্যন্ত। তারপর গাড়ি স্টার্ট নিল গন্তব্যের উদ্দেশে।
১৭ ঘণ্টা আগে