ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

ভাঙা জিনিস দ্রুত জোড়া লাগাতে সুপার গ্লু বা গরিলা গ্লু নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি উপকরণ। ধাতু, কাচ, প্লাস্টিক, চামড়া কিংবা কাঠ—সব ধরনের বস্তু মুহূর্তে জোড়া লাগাতে পারে এই আঠা। তবে সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন অসাবধানতায় গ্লু হাত, কাপড়, আসবাব বা ঘরের অন্য কোনো জিনিসে লেগে যায়। অনেকে ভাবেন, এটি কোনোভাবেই তোলা যাবে না। তবে বিষয়টি তেমন নয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে চললে প্রায় সব জায়গা থেকে সুপার গ্লু নিরাপদে তোলা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যায়, সুপার গ্লু এত দ্রুত শক্ত হয়; কারণ, এটি অল্প আর্দ্রতার সংস্পর্শ পেলে কাজ শুরু করে। হাতের ঘাম, বাতাসের আর্দ্রতা বা যে বস্তুতে গ্লু লাগানো হচ্ছে—সবখানে এই আর্দ্রতা থাকে। ফলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শক্ত হয়ে যায়। এ কারণেই সুপার গ্লু তুলতে সাধারণ পানি বা কাপড় যথেষ্ট নয়, দরকার হয় সঠিক কৌশল।
ত্বকে লেগে গেলে কী করবেন
হাত বা আঙুলে সুপার গ্লু লেগে গেলে প্রথমে আতঙ্কিত না হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, কখনোই জোরে টান দিয়ে গ্লু তুলতে যাবেন না। এতে ত্বক উঠে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রথমে কুসুম গরম পানিতে সাবান মিশিয়ে আক্রান্ত জায়গা কয়েক মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর নরম কাপড় বা স্পঞ্জ দিয়ে আলতো করে ঘষতে থাকুন। সাবান ধীরে ধীরে গ্লু দুর্বল করে দেয় এবং কিছু সময় পর গ্লু খসে পড়তে শুরু করে।
কাচে লাগলে
কাচ শক্ত হওয়ায় এখান থেকে সুপার গ্লু তুলে ফেলা তুলনামূলক সহজ। তুলার বল বা নরম কাপড়ে অল্প নেইলপলিশ রিমুভার বা রাবিং অ্যালকোহল লাগিয়ে গ্লুর দাগের ওপর লাগান। এরপর ছোট বৃত্তাকারে ঘষুন। সঙ্গে সঙ্গে না উঠলে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে আবার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে এই কাজ কয়েকবার করতে হতে পারে।
প্লাস্টিকে লাগলে
প্লাস্টিকের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। অনেক সময় শক্ত রাসায়নিক ব্যবহারে প্লাস্টিক গলে যেতে পারে বা রং নষ্ট হতে পারে। ছোট দাগের ক্ষেত্রে অল্প নেইলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করা যেতে পারে। দাগ বড় হলে তুলনামূলক হালকা পদ্ধতি বেছে নেওয়াই নিরাপদ।
কাপড়ে লাগলে
কাপড়ে সুপার গ্লু লাগলে নেইলপলিশ রিমুভার ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ, এতে কাপড়ের রং উঠে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কটন বা পলিয়েস্টার কাপড়ের ক্ষেত্রে রাবিং অ্যালকোহল ভালো কাজ করে। পরিষ্কার কাপড়ে অল্প অ্যালকোহল নিয়ে দাগের ওপর ঘষতে থাকুন। চামড়ার কাপড়, ব্যাগ বা জুতায় গ্লু লাগলে ভিনেগার বা সামান্য ডব্লিউডি-৪০ ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে গ্লু নরম হয়ে আসে এবং চামড়ার ক্ষতিও তুলনামূলক কম হয়।
কাঠ বা আসবাবে লাগলে
পলিশবিহীন কাঠে সুপার গ্লু তুলতে তুলনামূলক কম ঝামেলা হয়। তবে পলিশ করা কাঠ বা আসবাবে সরাসরি নেইলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করলে পালিশ উঠে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে মিনারেল অয়েল লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে গ্লু নরম হয়ে আসে। এরপর আলতো করে তুলে ফেলা যায়। ছোট দাগ হলে কটন বাডে অল্প রিমুভার নিয়ে শুধু গ্লুর ওপর লাগানো যেতে পারে, তবে খুব সাবধানে।
কিছু জরুরি সতর্কতা
সুপার গ্লু তোলার আগে সম্ভব হলে শুকনো অংশ আলতো করে খুঁচিয়ে তুলুন। ছোট জায়গার জন্য কটন বাড ব্যবহার করতে পারেন। যেকোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের আগে যাচাই করে নেওয়া উচিত। ত্বকের ক্ষেত্রে শক্ত রাসায়নিক এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।
হঠাৎ প্রয়োজনের সময় সুপার গ্লু যেমন উপকারী, তেমনি অসাবধানতায় লেগে গেলে তা ভোগান্তির কারণও হতে পারে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে প্রায় সব জায়গা থেকে সুপার গ্লু নিরাপদে তোলা সম্ভব। ত্বক, কাপড়, কাচ কিংবা আসবাব—প্রতিটি ক্ষেত্র থেকে সুপার গ্লু তুলতে আলাদা কৌশল ব্যবহার করুন।
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

ভাঙা জিনিস দ্রুত জোড়া লাগাতে সুপার গ্লু বা গরিলা গ্লু নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি উপকরণ। ধাতু, কাচ, প্লাস্টিক, চামড়া কিংবা কাঠ—সব ধরনের বস্তু মুহূর্তে জোড়া লাগাতে পারে এই আঠা। তবে সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন অসাবধানতায় গ্লু হাত, কাপড়, আসবাব বা ঘরের অন্য কোনো জিনিসে লেগে যায়। অনেকে ভাবেন, এটি কোনোভাবেই তোলা যাবে না। তবে বিষয়টি তেমন নয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে চললে প্রায় সব জায়গা থেকে সুপার গ্লু নিরাপদে তোলা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যায়, সুপার গ্লু এত দ্রুত শক্ত হয়; কারণ, এটি অল্প আর্দ্রতার সংস্পর্শ পেলে কাজ শুরু করে। হাতের ঘাম, বাতাসের আর্দ্রতা বা যে বস্তুতে গ্লু লাগানো হচ্ছে—সবখানে এই আর্দ্রতা থাকে। ফলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শক্ত হয়ে যায়। এ কারণেই সুপার গ্লু তুলতে সাধারণ পানি বা কাপড় যথেষ্ট নয়, দরকার হয় সঠিক কৌশল।
ত্বকে লেগে গেলে কী করবেন
হাত বা আঙুলে সুপার গ্লু লেগে গেলে প্রথমে আতঙ্কিত না হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, কখনোই জোরে টান দিয়ে গ্লু তুলতে যাবেন না। এতে ত্বক উঠে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রথমে কুসুম গরম পানিতে সাবান মিশিয়ে আক্রান্ত জায়গা কয়েক মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর নরম কাপড় বা স্পঞ্জ দিয়ে আলতো করে ঘষতে থাকুন। সাবান ধীরে ধীরে গ্লু দুর্বল করে দেয় এবং কিছু সময় পর গ্লু খসে পড়তে শুরু করে।
কাচে লাগলে
কাচ শক্ত হওয়ায় এখান থেকে সুপার গ্লু তুলে ফেলা তুলনামূলক সহজ। তুলার বল বা নরম কাপড়ে অল্প নেইলপলিশ রিমুভার বা রাবিং অ্যালকোহল লাগিয়ে গ্লুর দাগের ওপর লাগান। এরপর ছোট বৃত্তাকারে ঘষুন। সঙ্গে সঙ্গে না উঠলে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে আবার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে এই কাজ কয়েকবার করতে হতে পারে।
প্লাস্টিকে লাগলে
প্লাস্টিকের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। অনেক সময় শক্ত রাসায়নিক ব্যবহারে প্লাস্টিক গলে যেতে পারে বা রং নষ্ট হতে পারে। ছোট দাগের ক্ষেত্রে অল্প নেইলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করা যেতে পারে। দাগ বড় হলে তুলনামূলক হালকা পদ্ধতি বেছে নেওয়াই নিরাপদ।
কাপড়ে লাগলে
কাপড়ে সুপার গ্লু লাগলে নেইলপলিশ রিমুভার ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ, এতে কাপড়ের রং উঠে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কটন বা পলিয়েস্টার কাপড়ের ক্ষেত্রে রাবিং অ্যালকোহল ভালো কাজ করে। পরিষ্কার কাপড়ে অল্প অ্যালকোহল নিয়ে দাগের ওপর ঘষতে থাকুন। চামড়ার কাপড়, ব্যাগ বা জুতায় গ্লু লাগলে ভিনেগার বা সামান্য ডব্লিউডি-৪০ ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে গ্লু নরম হয়ে আসে এবং চামড়ার ক্ষতিও তুলনামূলক কম হয়।
কাঠ বা আসবাবে লাগলে
পলিশবিহীন কাঠে সুপার গ্লু তুলতে তুলনামূলক কম ঝামেলা হয়। তবে পলিশ করা কাঠ বা আসবাবে সরাসরি নেইলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করলে পালিশ উঠে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে মিনারেল অয়েল লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে গ্লু নরম হয়ে আসে। এরপর আলতো করে তুলে ফেলা যায়। ছোট দাগ হলে কটন বাডে অল্প রিমুভার নিয়ে শুধু গ্লুর ওপর লাগানো যেতে পারে, তবে খুব সাবধানে।
কিছু জরুরি সতর্কতা
সুপার গ্লু তোলার আগে সম্ভব হলে শুকনো অংশ আলতো করে খুঁচিয়ে তুলুন। ছোট জায়গার জন্য কটন বাড ব্যবহার করতে পারেন। যেকোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের আগে যাচাই করে নেওয়া উচিত। ত্বকের ক্ষেত্রে শক্ত রাসায়নিক এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।
হঠাৎ প্রয়োজনের সময় সুপার গ্লু যেমন উপকারী, তেমনি অসাবধানতায় লেগে গেলে তা ভোগান্তির কারণও হতে পারে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে প্রায় সব জায়গা থেকে সুপার গ্লু নিরাপদে তোলা সম্ভব। ত্বক, কাপড়, কাচ কিংবা আসবাব—প্রতিটি ক্ষেত্র থেকে সুপার গ্লু তুলতে আলাদা কৌশল ব্যবহার করুন।
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

এই ভরা পৌষে ভাপা পিঠা হবে না! বাড়িতেই তৈরি করুন মিঠাই ভরা ভাপা পিঠা। নতুনদের জন্য এই পিঠার রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।...
২ ঘণ্টা আগে
আজকের অনিশ্চিত বিশ্বে দ্বিতীয় পাসপোর্ট শুধু ভ্রমণের সুবিধা নয়; এর সঙ্গে নিরাপত্তা, সুযোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। তবে সুবিধার পাশাপাশি আইনি, রাজনৈতিক ও আর্থিক দিকগুলো ভেবে দেখা জরুরি। দ্বিতীয় পাসপোর্ট কখনো কখনো সুবিধা দেয়। কিন্তু এর কিছু অসুবিধাও আছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে...
৪ ঘণ্টা আগে
আপনি আজ এনার্জির পাওয়ার হাউস। মনে হবে একা হাতেই পুরো অফিসের কাজ নামিয়ে দেবেন। তবে অতিরিক্ত উৎসাহে টেবিল চাপড়াতে গিয়ে ল্যাপটপ ভেঙে ফেলবেন না। সঙ্গীর সঙ্গে অযথা তর্কে যাবেন না। তিনি আজ ‘ভুল’ হলেও আপনার জন্য ‘ঠিক’—এই মন্ত্র জপে শান্তি বজায় রাখুন।
৪ ঘণ্টা আগে
শীত জেঁকে বসেছে। সঙ্গে ত্বক ও শরীরেও দেখা দিচ্ছে নানান সমস্যা। যদি বলা হয়, শীতের প্রকোপে এসব সমস্যার সমাধান মিলবে গোসলের পানিতে, তাহলে খুব রেগে যাবেন কি? না, শুনুন, বলছি কুসুম গরম পানিতে কয়েকটি উপকরণ যোগ করে কিন্তু ত্বক ও শরীরের বেশ কিছু সমস্যার সমাধান সম্ভব। আর সেসব উপকরণ রয়েছে আপনার রসুইঘরে।...
৬ ঘণ্টা আগে