ক্যামেরা নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছেন। ছবিও তুললেন প্রচুর। বাসায় এসে সেগুলো ল্যাপটপে নিয়ে দেখলেন সব ছবিই ফ্যাকাশে। ছবির কোনো শার্পনেস নেই। এর জন্য ক্যামেরা নয়, ফাঙ্গাস দায়ী।
ড্রাই বক্স
বর্ষাকালে লেন্সের ধার ঘেঁষে শিরা-উপশিরার মতো ছড়ানো ফাঙ্গাস বেশি দেখা যায়। প্রথম দিকে অল্পস্বল্প ক্ষতি হয়। ধীরে ধীরে পুরো লেন্সে ফাঙ্গাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে চিরতরে আপনার সাধের লেন্স নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বৃষ্টির পানি না পড়লেও বাতাসের আর্দ্রতার কারণে ক্যামেরায় ফাঙ্গাস পড়তে পারে। তাই বাসায় ফিরেই আলমারিতে তুলে না রেখে শুকানোর জন্য ড্রাই বক্সে ক্যামেরা রেখে দিতে পারেন। এতে সিলিকা জেল থাকে বলে আর্দ্রতা শুষে নেয়। যদি ড্রাই বক্স না থাকে, তবে ক্যামেরার লেন্স খুলে কয়েক ঘণ্টা ফ্যানের নিচে রেখে দিতে পারেন। তবে কোনোভাবেই তা রোদে রেখে শুকানো যাবে না। বাসায় এসি থাকলে, সেখানেই ক্যামেরা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে ক্যামেরায় ফাঙ্গাস পড়ার আশঙ্কা কমবে।
প্লাস্টিকের কনটেইনার
ড্রাই বক্সের বদলে সাধারণ প্লাস্টিকের কনটেইনারে ক্যামেরা রাখতে পারেন। বিশাল এই কনটেইনারে সিলিকা জেলের প্যাকেট রাখতে পারেন। নতুন ক্যামেরার ব্যাগ কিনলে তাতে সিলিকা জেলের ছোট ছোট প্যাকেট পাওয়া যায়। এই প্যাকেটে খুব বেশি পরিমাণে সিলিকা জেল থাকে না। তাই বাজার থেকে কেজি হিসেবে সিলিকা জেল কিনতে পারেন।
পানি প্রতিরোধী কভার
বর্ষাকালে ক্যামেরা নিয়ে বের হলে অবশ্যই পানি প্রতিরোধী রেইন কভার সঙ্গে নিতে হবে। এটি পানি থেকে ক্যামেরা রক্ষা করবে।
ক্যামেরার হুড
বৃষ্টির হাত থেকে ক্যামেরা রক্ষা করতে হুড কাজে লাগাতে পারেন। এটি ধুলা থেকেও লেন্সকে রক্ষা করে। এ ছাড়া আশপাশে থাকা আলো যাতে লেন্সে সরাসরি না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে ক্যামেরায় লেন্স হুড ব্যবহার করা হয়। হুড ব্যবহার করলে ছবিতে কন্ট্রাস্টের মাত্রা কমে, এতে করে ছবির রং ভালো আসে। এটি আলাদাভাবে কেনার প্রয়োজন পড়ে না। ক্যামেরার সঙ্গেই পাওয়া যায়।
সার্ভিসিং
প্রতি সপ্তাহে ক্যামেরা নিয়ে বের হলে বছরে অন্তত একবার সার্ভিসিং করাতে হবে। প্রতিদিন বের হলে কয়েক মাসে একবার একে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কারের ব্যবস্থা করতে হবে।

মায়ের পর একে একে পাঁচ ভাইবোনকে যেন চোখের সামনে হারিয়ে যেতে দেখেছেন বার্ব। তাঁরা কেউই মারা যাননি, কিন্তু বয়স চল্লিশের কোঠায় পৌঁছানোর পর আচরণে এমন পরিবর্তন আসতে শুরু করে যে, ধীরে ধীরে তাঁরা হয়ে ওঠেন নিজেদেরই অচেনা মানুষ।
৯ ঘণ্টা আগে
আজকাল ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের ফিড স্ক্রল করলেই ভেসে ওঠে আবেগঘন ভালোবাসার মুহূর্ত। কোনোটিতে দেখা যায়, নদীর তীরে বা কোনো ছাদের রঙিন আলোকসজ্জায় হাঁটু গেড়ে প্রিয় মানুষটির দিকে আংটি ও একগুচ্ছ তাজা গোলাপ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কোনোটিতে দেখা যায় একদম সারপ্রাইজ আয়োজনে চোখের জল আর হাসির আবহে আংটি বদল...
১০ ঘণ্টা আগে
প্রতিদিনের ব্যস্ততায় হঠাৎ মনে হতে পারে মাসের পর মাস কেটে যাচ্ছে, কিন্তু জীবনের দিনগুলো যেন স্মৃতিহীন একটি ঝাপসা ক্যানভাস। সকালে গাড়ি বা বাইক চালিয়ে কর্মস্থলে যাওয়া, দুপুরের খাবার খাওয়া বা রাতের আড্ডা। কোনো কিছুই যেন স্পষ্টভাবে মনে নেই। জীবন যখন কোনো বিশেষ অনুভূতি ছাড়া কেবল অভ্যাসের বশে চলতে
১৩ ঘণ্টা আগে
একুশ শতকের শুরুর দিকের ভারতীয় সিনেমার কাল্পনিক নারী চরিত্রগুলো কেবল সিনেমার গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন জীবন্ত ট্রেন্ড-সেটার বা স্টাইলের এমন সব উদাহরণ, যা একটি প্রজন্মের পছন্দ-অপছন্দ ও আত্ম-উপলব্ধি গড়ে দিয়েছিল। এককথায় নিজেরা কিছু বলার আগেই তাঁদের পোশাক বলে দিত চরিত্রটি কেমন। ২০২৬ সালে...
১৬ ঘণ্টা আগে