
আর কদিন বাদেই বিজয় দিবস। উৎসব ও ছুটির এই দিনে দুপুরে জম্পেশ খাওয়াদাওয়ার আয়োজন তো নিশ্চয়ই থাকবে। মূল খাবারের সঙ্গে রাখতে পারেন স্বাস্থ্যকর ও মজাদার এই আইটেমগুলো। রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন সিম্পল কুকিং বাই নাতাশার স্বত্বাধিকারী নাদিয়া নাতাশা।
চিকেন ক্যাসুনাট সালাদ
উপকরণ
চিকেনের জন্য: ছোট ছোট টুকরো করা চিকেন ব্রেস্ট ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার দেড় টেবিল চামচ, সয়া সস আধা চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ করে, ডিম ১টি, লবণ স্বাদমতো, তেল সামান্য।
সালাদের জন্য: কাজু বাদাম, টুকরো করা শসা, টুকরো করা টমেটো ও গাজরকুচি ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ করে, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, স্প্রিং অনিয়ন ১ টেবিল চামচ, ফিশ সস সামান্য, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, সুইট চিলি সস ২ টেবিল চামচ, তিলের তেল বা অলিভ অয়েল আধা চা-চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, চিনি আধা চা-চামচ, লবণ এক চিমটি।
প্রণালি
প্রথমে চিকেনের সঙ্গে কর্নফ্লাওয়ার, সয়া সস, লবণ, মরিচের গুঁড়া, আদা ও রসুনবাটা এবং ডিম মিশিয়ে চিকেনগুলো তেলে ভেজে প্লেটে তুলে রাখুন। একই তেলে বাদাম সামান্য লালচে করে ভেজে নিন। এখন একটি প্লেটে সালাদের সব উপকরণ নিয়ে এর সঙ্গে ভেজে রাখা চিকেন ও বাদাম ভালো করে মিশিয়ে নিলে তৈরি হয়ে যাবে চিকেন ক্যাসুনাট সালাদ।
ওটস ভেজিটেবল স্যুপ
উপকরণ
ওটস ২ টেবিল চামচ, গাজর ছোট কিউব করে কাটা আধা কাপ, ক্যাপসিকাম লাল, হলুদ, সবুজ ছোট কিউব ১ কাপ, সুইট কর্ন আধা কাপ, রসুন ও আদাকুচি ১ চা-চামচ করে, বাটার ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সাদা গোলমরিচ আধা চা-চামচ, পার্সলে পাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, পানি ২ কাপ।
প্রণালি
প্যানে বাটার দিয়ে তাতে আদা ও রসুনকুচি ভেজে সব সবজি দিয়ে দিতে হবে। হালকা ভেজে ২ কাপ পানি দিয়ে তাতে ওটস, লবণ, গোলমরিচ দিয়ে দিন। স্যুপ ঘন হয়ে এলে পার্সলে কুচি ও লেবুর রস দিয়ে নামিয়ে নিন। গরম-গরম পরিবেশন করুন।

আর কদিন বাদেই বিজয় দিবস। উৎসব ও ছুটির এই দিনে দুপুরে জম্পেশ খাওয়াদাওয়ার আয়োজন তো নিশ্চয়ই থাকবে। মূল খাবারের সঙ্গে রাখতে পারেন স্বাস্থ্যকর ও মজাদার এই আইটেমগুলো। রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন সিম্পল কুকিং বাই নাতাশার স্বত্বাধিকারী নাদিয়া নাতাশা।
চিকেন ক্যাসুনাট সালাদ
উপকরণ
চিকেনের জন্য: ছোট ছোট টুকরো করা চিকেন ব্রেস্ট ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার দেড় টেবিল চামচ, সয়া সস আধা চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ করে, ডিম ১টি, লবণ স্বাদমতো, তেল সামান্য।
সালাদের জন্য: কাজু বাদাম, টুকরো করা শসা, টুকরো করা টমেটো ও গাজরকুচি ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ করে, ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, স্প্রিং অনিয়ন ১ টেবিল চামচ, ফিশ সস সামান্য, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, সুইট চিলি সস ২ টেবিল চামচ, তিলের তেল বা অলিভ অয়েল আধা চা-চামচ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, চিনি আধা চা-চামচ, লবণ এক চিমটি।
প্রণালি
প্রথমে চিকেনের সঙ্গে কর্নফ্লাওয়ার, সয়া সস, লবণ, মরিচের গুঁড়া, আদা ও রসুনবাটা এবং ডিম মিশিয়ে চিকেনগুলো তেলে ভেজে প্লেটে তুলে রাখুন। একই তেলে বাদাম সামান্য লালচে করে ভেজে নিন। এখন একটি প্লেটে সালাদের সব উপকরণ নিয়ে এর সঙ্গে ভেজে রাখা চিকেন ও বাদাম ভালো করে মিশিয়ে নিলে তৈরি হয়ে যাবে চিকেন ক্যাসুনাট সালাদ।
ওটস ভেজিটেবল স্যুপ
উপকরণ
ওটস ২ টেবিল চামচ, গাজর ছোট কিউব করে কাটা আধা কাপ, ক্যাপসিকাম লাল, হলুদ, সবুজ ছোট কিউব ১ কাপ, সুইট কর্ন আধা কাপ, রসুন ও আদাকুচি ১ চা-চামচ করে, বাটার ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সাদা গোলমরিচ আধা চা-চামচ, পার্সলে পাতাকুচি ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, পানি ২ কাপ।
প্রণালি
প্যানে বাটার দিয়ে তাতে আদা ও রসুনকুচি ভেজে সব সবজি দিয়ে দিতে হবে। হালকা ভেজে ২ কাপ পানি দিয়ে তাতে ওটস, লবণ, গোলমরিচ দিয়ে দিন। স্যুপ ঘন হয়ে এলে পার্সলে কুচি ও লেবুর রস দিয়ে নামিয়ে নিন। গরম-গরম পরিবেশন করুন।

কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
৩ ঘণ্টা আগে
এখন শীতকাল। শীতকালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সাধারণত বেশি ঘটে। বিভিন্ন জায়গা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। রান্নাঘর এর মধ্যে অন্যতম। বাসাবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের বড় কারণও এটি। যেকোনোভাবেই হোক, অসাবধানতাবশত এখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
আজ অফিসে এমনভাবে প্রবেশ করবেন যেন আপনিই কোম্পানির মালিক। কিন্তু লাঞ্চের আগেই বস আপনাকে এমন সব ফাইলের পাহাড় দেবে যে সেই ‘সিংহ’ ভাবটা মুহূর্তেই ‘ভেজা বেড়াল’-এ পরিণত হবে। সহকর্মীদের থেকে সাবধান, তারা আপনার টিফিনের ওপর নজর রেখেছে!
৪ ঘণ্টা আগেমনমাতানো গন্ধ আর রঙের মিশেলে তৈরি ক্যান্ডি ছোটবেলার কথা মনে করিয়ে দেয় সব সময়। ক্যান্ডির কচকচে প্যাকেট খুললে কখনো গোলাপি আর সাদা তো কখনো লাল, কমলা, হলুদ রঙের ঢেউয়ের নকশা। ছেলেবেলার ক্যান্ডির স্মৃতি যদি পোশাকেও বয়ে বেড়ানো যায়, মন্দ কি!
৫ ঘণ্টা আগে