ফিচার ডেস্ক

বাইরের পৃথিবীতে হাসিমুখে থাকা কিংবা অন্যদের হাসানো আমাদের অনেকের কাছে খুব সহজ মনে হয়। কিন্তু দিন শেষে নিজের আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানো মাঝে মাঝে বেশ কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সাধারণত পরিবারকে এমন একটি নিরাপদ আশ্রয় ভাবি, যেখানে আমাদের সব ধরনের আবেগ, রাগ বা বিরক্তি সরাসরি প্রকাশ করে দিই।
পরিবারে সুখ ও শান্তি বজায় রাখার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে ছোট ছোট কিছু কাজে। প্রিয়জনকে খুশি রাখা খুব কঠিন কোনো কাজ নয়, যদি আপনি কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে নজর দেন। কাউকে খুশি রাখার অর্থ হলো, তাঁকে বোঝানো যে তিনি আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনি তাঁকে অনুভব করেন। কী সেই সব কাজ, তাই ভাবছেন তো? জেনে নিন—

কথা বলুন কম, শুনুন বেশি
কাউকে খুশি করার প্রথম ধাপ হলো তাঁর কথা মন দিয়ে শোনা। অনেক সময় মানুষ সমস্যার সমাধান চায় না; তারা শুধু চায়, কেউ যেন তার মনের কথাগুলো অন্তত শোনে। অন্যদের চিন্তাভাবনা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন। যখন কেউ বুঝতে পারে যে তাকে গুরুত্ব দিয়ে শোনা হচ্ছে, তখন সেই মানুষ মানসিকভাবে অনেক বেশি সুখী বোধ করে। ব্যস্ততার মাঝেও শুধু তার জন্য কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখুন। মোবাইল ফোন ব্যবহার বা টেলিভিশন দেখা ইত্যাদি ছাড়া এই সময়ে শুধু একে অপরকে সময় দিন।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও প্রশংসা করুন
পরিবারের সদস্যদের কখনো টেকেন ফর গ্রান্টেড হিসেবে নেবেন না। কেউ আপনার জন্য ছোট কিছু করলেও তাকে ধন্যবাদ দিন বা তার কাজের প্রশংসা করুন। বিভিন্ন গবেষণার তথ্যে জানা যায়, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে মানুষের সুখের মাত্রা বেড়ে যায়। ‘ধন্যবাদ’ বা ‘চমৎকার কাজ করেছ’ এই সাধারণ শব্দ ও কথাগুলো কারও পুরো দিনটি উজ্জ্বল করে দিতে পারে।

নিজে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন
পরিবারের সবাই সাহায্য চাইতে স্বচ্ছন্দ বোধ করে না। তাই কেউ বলার আগেই লক্ষ করুন, কারও কোনো সাহায্য প্রয়োজন কি না। ঘরের কাজে হাত লাগানো বা কারও কোনো কাজ সহজ করে দেওয়ার মতো ছোট ছোট সহমর্মিতা অন্য মানুষটির মানসিক চাপ কমিয়ে দেয় এবং তাকে আনন্দ দেয়। ছোটখাটো ভুল ধরে না রেখে ক্ষমা করার মানসিকতা রাখুন। এটি সম্পর্কে তিক্ততা কমিয়ে দেয় এবং শান্তি বজায় রাখে।
নিজের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিন
অন্যকে খুশি করার আগে নিজেকে খুশি রাখা জরুরি। আপনি নিজে হাসিখুশি থাকলে সেই ইতিবাচক প্রভাব অন্যদের ওপরও পড়বে। মজার কোনো গল্প বলা, কৌতুক বা মজার কোনো মিম শেয়ার করা তাৎক্ষণিকভাবে সবার মন ভালো করে দিতে পারে। পরিবারের সদস্যদের ওপর আমরা সহজে রেগে যাই। কিন্তু কাউকে খুশি রাখতে হলে ধৈর্য এবং ক্ষমাশীল হওয়া খুব জরুরি। কারও ভুল হলে তা নিয়ে সমালোচনা না করে কোমলভাবে কথা বলুন। দয়া বা কাইন্ডনেস হলো কাউকে চাঙা করার বড় কৌশল।

ছোট কিন্তু অর্থবহ উপহার দিন
কাউকে খুশি করতে সব সময় দামি উপহারের প্রয়োজন হয় না। প্রিয়জনের পছন্দের কোনো খাবার নিয়ে আসা, হাতে লেখা একটি চিরকুট বা ছোট কোনো সারপ্রাইজ তাদের বুঝিয়ে দেয় যে আপনি তাদের কথা ভাবছেন। এই ধরনের চিন্তাশীল আচরণ সম্পর্কের গভীরতা বাড়ায়।
গুণগত সময় কাটান
আজকাল ব্যস্ততার কারণে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু নিয়মিত একসঙ্গে খাওয়া, বিকেলে হাঁটতে যাওয়া বা একসঙ্গে সিনেমা দেখা—এই ছোট সময়গুলোই পারস্পরিক বন্ধন শক্ত করে। মানুষ যখন অনুভব করে যে সে একা নয়, তখন সে এমনিতেই সুখী ও তৃপ্ত থাকে।
প্রত্যেক মানুষের ভালোবাসার ভাষা আলাদা। আপনার প্রিয়জনের প্রয়োজন ও ভালো লাগার জায়গাটি বুঝে এই কাজগুলো করলে তিনি নিজেকে মূল্যবান ও সুখী মনে করবেন।
সূত্র: হেলথ শর্টস

বাইরের পৃথিবীতে হাসিমুখে থাকা কিংবা অন্যদের হাসানো আমাদের অনেকের কাছে খুব সহজ মনে হয়। কিন্তু দিন শেষে নিজের আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানো মাঝে মাঝে বেশ কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সাধারণত পরিবারকে এমন একটি নিরাপদ আশ্রয় ভাবি, যেখানে আমাদের সব ধরনের আবেগ, রাগ বা বিরক্তি সরাসরি প্রকাশ করে দিই।
পরিবারে সুখ ও শান্তি বজায় রাখার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে ছোট ছোট কিছু কাজে। প্রিয়জনকে খুশি রাখা খুব কঠিন কোনো কাজ নয়, যদি আপনি কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে নজর দেন। কাউকে খুশি রাখার অর্থ হলো, তাঁকে বোঝানো যে তিনি আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনি তাঁকে অনুভব করেন। কী সেই সব কাজ, তাই ভাবছেন তো? জেনে নিন—

কথা বলুন কম, শুনুন বেশি
কাউকে খুশি করার প্রথম ধাপ হলো তাঁর কথা মন দিয়ে শোনা। অনেক সময় মানুষ সমস্যার সমাধান চায় না; তারা শুধু চায়, কেউ যেন তার মনের কথাগুলো অন্তত শোনে। অন্যদের চিন্তাভাবনা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন। যখন কেউ বুঝতে পারে যে তাকে গুরুত্ব দিয়ে শোনা হচ্ছে, তখন সেই মানুষ মানসিকভাবে অনেক বেশি সুখী বোধ করে। ব্যস্ততার মাঝেও শুধু তার জন্য কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখুন। মোবাইল ফোন ব্যবহার বা টেলিভিশন দেখা ইত্যাদি ছাড়া এই সময়ে শুধু একে অপরকে সময় দিন।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও প্রশংসা করুন
পরিবারের সদস্যদের কখনো টেকেন ফর গ্রান্টেড হিসেবে নেবেন না। কেউ আপনার জন্য ছোট কিছু করলেও তাকে ধন্যবাদ দিন বা তার কাজের প্রশংসা করুন। বিভিন্ন গবেষণার তথ্যে জানা যায়, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে মানুষের সুখের মাত্রা বেড়ে যায়। ‘ধন্যবাদ’ বা ‘চমৎকার কাজ করেছ’ এই সাধারণ শব্দ ও কথাগুলো কারও পুরো দিনটি উজ্জ্বল করে দিতে পারে।

নিজে থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন
পরিবারের সবাই সাহায্য চাইতে স্বচ্ছন্দ বোধ করে না। তাই কেউ বলার আগেই লক্ষ করুন, কারও কোনো সাহায্য প্রয়োজন কি না। ঘরের কাজে হাত লাগানো বা কারও কোনো কাজ সহজ করে দেওয়ার মতো ছোট ছোট সহমর্মিতা অন্য মানুষটির মানসিক চাপ কমিয়ে দেয় এবং তাকে আনন্দ দেয়। ছোটখাটো ভুল ধরে না রেখে ক্ষমা করার মানসিকতা রাখুন। এটি সম্পর্কে তিক্ততা কমিয়ে দেয় এবং শান্তি বজায় রাখে।
নিজের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিন
অন্যকে খুশি করার আগে নিজেকে খুশি রাখা জরুরি। আপনি নিজে হাসিখুশি থাকলে সেই ইতিবাচক প্রভাব অন্যদের ওপরও পড়বে। মজার কোনো গল্প বলা, কৌতুক বা মজার কোনো মিম শেয়ার করা তাৎক্ষণিকভাবে সবার মন ভালো করে দিতে পারে। পরিবারের সদস্যদের ওপর আমরা সহজে রেগে যাই। কিন্তু কাউকে খুশি রাখতে হলে ধৈর্য এবং ক্ষমাশীল হওয়া খুব জরুরি। কারও ভুল হলে তা নিয়ে সমালোচনা না করে কোমলভাবে কথা বলুন। দয়া বা কাইন্ডনেস হলো কাউকে চাঙা করার বড় কৌশল।

ছোট কিন্তু অর্থবহ উপহার দিন
কাউকে খুশি করতে সব সময় দামি উপহারের প্রয়োজন হয় না। প্রিয়জনের পছন্দের কোনো খাবার নিয়ে আসা, হাতে লেখা একটি চিরকুট বা ছোট কোনো সারপ্রাইজ তাদের বুঝিয়ে দেয় যে আপনি তাদের কথা ভাবছেন। এই ধরনের চিন্তাশীল আচরণ সম্পর্কের গভীরতা বাড়ায়।
গুণগত সময় কাটান
আজকাল ব্যস্ততার কারণে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু নিয়মিত একসঙ্গে খাওয়া, বিকেলে হাঁটতে যাওয়া বা একসঙ্গে সিনেমা দেখা—এই ছোট সময়গুলোই পারস্পরিক বন্ধন শক্ত করে। মানুষ যখন অনুভব করে যে সে একা নয়, তখন সে এমনিতেই সুখী ও তৃপ্ত থাকে।
প্রত্যেক মানুষের ভালোবাসার ভাষা আলাদা। আপনার প্রিয়জনের প্রয়োজন ও ভালো লাগার জায়গাটি বুঝে এই কাজগুলো করলে তিনি নিজেকে মূল্যবান ও সুখী মনে করবেন।
সূত্র: হেলথ শর্টস

অনেকে মনে করেন, ভাগ্য হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে আসে। কিন্তু বাস্তবে ভাগ্য তৈরি হয় আমাদের অভ্যাস, দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আচরণের মাধ্যমে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমায় কাজ করছিলেন সুতোমু ইয়ামাগুচি। সেদিন ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরিত হয় ঠিক তাঁর সামনেই।
৪ ঘণ্টা আগে
শীতে বাড়িতে কোনো না কোনো স্য়ুপ তো তৈরি করছেনই। খাওয়ার সময় একটা জিনিসই মিস করছেন, তা হলো অনথন। ইতস্তত না করে বাড়িতে এবার বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু এই খাবার।
৬ ঘণ্টা আগে
কথাটা সবার সঙ্গে নিশ্চয় মিলে গেল! আমরা যারা ফিট থাকতে চাই, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাই, বছরের শেষ দিনটিতে প্রায় প্রত্যেকে একটি প্রতিজ্ঞা করি। সেই প্রতিজ্ঞায় থাকে, এই বছর আমরা কোনো অস্বাস্থ্যকর খাবার খাব না, কোনো ধরনের ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত শর্করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার, চিনি ইত্যাদি এড়িয়ে চলব...
১০ ঘণ্টা আগে
এখন শীতকাল। শীতকালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সাধারণত বেশি ঘটে। বিভিন্ন জায়গা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। রান্নাঘর এর মধ্যে অন্যতম। বাসাবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের বড় কারণও এটি। যেকোনোভাবেই হোক, অসাবধানতাবশত এখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
১১ ঘণ্টা আগে