চাঁদরাতে ঘটা করে মেহেদি দিয়ে হাত সাজানো হয় প্রায় সব বাড়িতে। আগের দিনের মতো এখন আর শিল-পাটায় মেহেদি পাতা বেটে হাতে লাগানো হয় না। আগে মেহেদি পাতা পাটায় বেটে হাতে প্রলেপ দেওয়া হতো। গাঢ় রং করতে মেহেদি পাতা বাটার সময় ব্যবহার করা হতো খয়ের। তখন নখ, আঙুলের সামনের দিক আর হাতের তালু বা হাতের পিঠে গোলাকৃতির প্রলেপ ছিল মেহেদির নকশা। বাটা মেহেদি হাতে লাগানোর পর সারা রাত ওভাবেই রেখে পরের দিন সকালে হাত ধোয়া হতো। আবার নানি-দাদিদের টিপস ছিল, মেহেদি তুলে হাতে সরষের তেল ঘষে নিলে রং ভালো হয়। এখন বাটা মেহেদির ব্যবহার উঠেই গেছে বলা যায়।
বর্তমানে বাজারে নানা ধরনের, নানা ব্র্যান্ডের টিউব মেহেদি পাওয়া যায়। প্রয়োজন আর পছন্দ অনুযায়ী যে যার মতো করে কেনেন। আগের আর এখনকার হাতে মেহেদি লাগানোর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে, এখন মেহেদির নকশাই ফ্যাশনেবল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ নকশাতেও আসে পার্থক্য। কখনো জড়োয়া ভারী নকশা, আবার কখনো হালকা নকশা। বর্তমানে ওয়েস্টার্ন প্যাটার্নও প্রাধান্য পাচ্ছে মেহেদির নকশায়। মেহেদির প্যাকেটের ভেতরেই থাকে ফ্রি ডিজাইন বুক। ঈদ উপলক্ষে অনেকে পারলারে গিয়ে নানা নকশায় মেহেদি লাগান।
তবে ঘরে বসে মেহেদি বানিয়ে নিতে চাইলে সেটাও সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন মেহেদি পাউডার, চিনি, কফি পাউডার ও চায়ের লিকার।
মেহেদি বানানোর প্রণালি
মেহেদি পাউডার, চিনি ও কফি পাউডার মিশিয়ে তাতে চায়ের লিকার অল্প অল্প করে দিয়ে মিশ্রণ বানাতে হবে। এই মিশ্রণ এক ঘণ্টা শক্ত করে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এক ঘণ্টা পর পলিথিন দিয়ে কোণ বানিয়ে তার ভেতর মেহেদি দিয়ে হাতে পরলেই পেয়ে যাবেন গাঢ় বাদামি রঙের মেহেদি।
মেহেদি লাগানোর আগে পরে
* মেহেদি লাগানোর আগে হাত ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে।
* হাতে মরা কোষ থাকলে মেনিকিউর করে মেহেদি দিলে রং গাঢ় হবে।
* হাতে মেহেদি দিয়ে সারা রাত রেখে দিন। না হলে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা হাতে রাখুন।
* সারা রাত রেখে পরের দিন শুকনো মেহেদি ভালোভাবে পরিষ্কার করে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে।
* পরিমাণমতো লেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে নিয়ে তুলায় লাগিয়ে আলতোভাবে নকশার ওপরে লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তাতে মেহেদির রং গাঢ় ও স্থায়ী হবে। তবে লেবুর রস বেশি লাগানো যাবে না।
* মেহেদি শুকিয়ে গেলে হাত থেকে তুলে নিয়ে সরিষার তেল দিয়ে হাতের তালু ভালোভাবে মালিশ করুন। তেল মালিশ মেহেদির রং গাঢ় ও স্থায়ী করতে সাহায্য করবে।
লেখক: রূপবিশেষজ্ঞ ও বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ কেয়ারের স্বত্বাধিকারী

ডিজিটাল ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম অ্যাগোডা তাদের ‘২০২৬ ট্রাভেল আউটলুক রিপোর্ট’-এ এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এশিয়ার ভোজনরসিক পর্যটকদের কাছে ভ্রমণের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠছে স্থানীয় খাবার ও খাদ্যসংস্কৃতি।
৫ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে আঁশ বা ফাইবার বলতেই আমাদের মাথায় প্রথমে আসে ওটমিলের নাম। প্রতি কাপ ওটমিলে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে। তবে ওটমিলই একমাত্র আঁশের উৎস নয়। এমন অনেক সাধারণ খাবার আছে, যা ফাইবার বা আঁশের দিক থেকে ওটমিলকেও ছাড়িয়ে যায়। তাই যাঁরা ওটমিল খেতে পারেন না, তাঁদের জন্য এ খাবারগুলো সম্পর্কে জানা বেশি জরুরি।
৬ ঘণ্টা আগে
সচরাচর আমরা ভদ্রতার সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘দয়ালু’ বা ‘উদার’ শব্দ দুটি ব্যবহার করি। সমাজ আমাদের অনেক কিছুই শেখায়। অনেক নিয়মের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমরা মনে করি, কাউকে ‘ধন্যবাদ’ বলা বা কেউ বিপদ পড়লে তাকে ‘শুনে খুব খারাপ লাগল’ বলাটাই ভালো মানুষের লক্ষণ।
৭ ঘণ্টা আগে
পথে আসতে-যেতে পেয়ারা চোখে পড়ছে এখন। প্রায়ই হয়তো ফেরার পথে কিনে নিয়ে আসেন বাড়িতে। এবার তৈরি করে ফেলুন পেয়ারার টক-মিষ্টি চাটনি। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন আলিফ’স ডেলিকেট ডিশেজের শেফ আলিফ রিফাত...
১১ ঘণ্টা আগে