বিশ্বকাপ ফাইনাল

দীর্ঘ জল্পনাকল্পনা। মাঠের ভেতরে এবং মাঠের বাইরের উত্তেজনা শেষ হচ্ছে আজ রাতেই। বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনাল মানেই কোটি কোটি ভক্তের টানটান উত্তেজনা, উল্লাস আর চরম উৎকণ্ঠা। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসার কারণে এই সময়ে আবেগের পারদ থাকে সর্বোচ্চ চূড়ায়। তবে খেলা চলাকালীন তীব্র মানসিক চাপ এবং ম্যাচ শেষের জয়-পরাজয়ের ধাক্কা অনেকের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কার ঘরে ট্রফি উঠবে—তা আগে জানার উপায় নেই। তাই বিশ্বকাপ ফাইনাল উপভোগ করার পাশাপাশি কীভাবে নিজের মানসিক স্থিরতা ও ভারসাম্য বজায় রাখবেন, তা ভেবে রাখুন আগে থেকে।
- মনে রাখুন, এটি শুধুই একটি খেলা। নিজের দেশকে বা প্রিয় দলকে আবেগের সঙ্গে সমর্থন করা দারুণ বিষয়, তবে একটি ম্যাচ কখনোই আপনার ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক বা আত্মমর্যাদাকে সংজ্ঞায়িত করতে পারে না। খেলাধুলার মূল উদ্দেশ্য বিনোদন ও সম্প্রীতি। এই দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখলে ফাইনালের চরম উত্তেজনার মুহূর্তেও মন শান্ত রাখা সহজ হয়।

- বিশ্বকাপ নিয়ে প্রায় দেড় মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশাল উন্মাদনা চলছে। খেলে শেষে সমর্থক দল ও বিপক্ষ দলের মধ্যে রেষারেষি চলতেই থাকবে। তাই ডুম-স্ক্রলিং বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার বন্ধ করবেন সবার আগে। খেলা শেষ হওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে তর্ক-বিতর্ক, রেফারিং নিয়ে বিতর্ক এবং নেতিবাচক মন্তব্যের ঝড় নিয়ে মেতে থাকা বন্ধ রাখুন। কারণ, ম্যাচ শেষে দীর্ঘ সময় ধরে এগুলো স্ক্রল করা মানসিক চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই খেলা শেষে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিন। প্রয়োজনে ক্ষতিকর অ্যাকাউন্টগুলো মিউট করে রাখুন এবং অনলাইনে সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকুন।
নিজের ভালো লাগা এবং মানসিক সুস্থতাকে প্রাধান্য দিন। ফাইনাল ম্যাচ আবেগের সঙ্গে উপভোগ করুন। তবে খেলা যেন আপনার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ রাখুন।
সূত্র: বোনা ম্যাগাজিন, আইওএল

কর্টিসল ডিটক্স। ভাবছেন, এটা আবার কী? আর আদৌ কি কোনো হরমোন ডিটক্স করা যায়? বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তো বলছেন, যায়। আপনার শরীর অতিরিক্ত পরিমাণে কর্টিসল তৈরি করছে কি না তা কীভাবে নির্ণয় করবেন এবং এই স্ট্রেস হরমোনের কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলো সমাধান কী করে করবেন, জেনে নিন...
১ ঘণ্টা আগে
ধরুন, ঘড়িতে বাজে রাত ২টা। পুরো দুনিয়া গভীর ঘুমে মগ্ন আর আপনি বিছানায় শুয়ে সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে আছেন; কিংবা মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিংয়ের বিশ্ব রেকর্ড গড়ার চেষ্টা করছেন। যাঁরা রাতে ঘুমাতে পারেন না, কিন্তু সকালে ঠিকই অফিস বা ক্লাসের জন্য সময়মতো উঠতে অ্যালার্ম দিতে হয়,
৭ ঘণ্টা আগে
তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে আমাদের চারপাশে রয়েছে অবিরাম তথ্যের স্রোত, দীর্ঘ স্ক্রিন-টাইম আর নানামুখী ব্যস্ততা। এখন মানুষের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা বা অ্যাটেনশন স্প্যান আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে মন শান্ত করতে এবং মনোযোগের ক্ষমতা বাড়াতে মানুষ নানান উপায় খুঁজছে।
৯ ঘণ্টা আগে
নিয়ম মেনে রোজই বয়স বাড়বে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বয়সের ছাপ শরীরে বা মুখে কত দ্রুত পড়বে, তা অনেকটাই আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এই ধারণাকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে এখন দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে স্লো এজিং। এতে ত্বকের বয়স বাড়ে, কিন্তু ধীরে। না, বিজ্ঞাপন দেখে নামী ব্র্যান্ডের দামি অ্যান্টি-এজিং ক্রিম মাখা...
১১ ঘণ্টা আগে