মুসাররাত আবির

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুঁ মারলে বিভিন্ন পোস্ট বা রিলসে ভিশন বোর্ডের দেখা মেলে। বলা হয়, নিউ ইয়ার রেজল্যুশনের একটি ইমেজ ভার্সন হলো ভিশন বোর্ড।
ভিশন বোর্ড কী
ভিশন বোর্ড যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায় তৈরি করা যায়। বছরের শেষে বা নতুন বছরের শুরুতে ভিশন বোর্ড তৈরির চল বেশি। কারণ, এ সময়ে নতুন বছরের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য স্থিরের জন্য ভিশন বোর্ড চমৎকার মাধ্যম হতে পারে। ভিশন বোর্ড হলো ছোট কিছু ছবি একত্র করে কোলাজ তৈরি করা; যার মাধ্যমে লক্ষ্য, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরা যায়। শুধু ছবি নয়, চাইলে পছন্দের উদ্ধৃতিও যুক্ত করতে পারেন। এটি আপনার সচেতন ও অবচেতন মন একত্র করতে সাহায্য করে এবং লক্ষ্য অর্জনে অনুপ্রাণিত করে।
কীভাবে ভিশন বোর্ড কাজ করে
ভিশন বোর্ড তৈরির আগে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন যে নতুন বছরে কী কী মাইলফলক স্পর্শ করতে চান। এরপর সেগুলোর ছবি ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে নিন। চাইলে সেগুলো প্রিন্ট করে আলাদা কাগজের ওপর লাগিয়ে নিতে পারেন। ডিজিটালি তৈরির জন্য বিভিন্ন ফটো এডিটর অ্যাপ ব্যবহার করে কোলাজ তৈরি করুন।
কীভাবে একটি ভিশন বোর্ড তৈরি করবেন
লক্ষ্যগুলো সুনির্দিষ্ট করুন, যেমন ‘আগামী বছর আমি অনেক টাকার মালিক হব’ বলার পরিবর্তে, কত টাকা সঞ্চয় করতে চান, তা নির্ধারণ করুন। বোর্ডটি এমন জায়গায় রাখুন, যা প্রতিদিন দেখতে পান। নিয়মিত আপডেট করুন। যদি লক্ষ্য পরিবর্তিত হয়, বোর্ডটি সংশোধন করুন। পুরোনো লক্ষ্য অর্জিত হলে সেটিতে ক্রস এঁকে দিতে পারেন। এটি আপনাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে। ভিশন বোর্ড তৈরির আগে নিজের লক্ষ্যের ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা রাখুন। নিজেকে নিচের প্রশ্নগুলো করতে পারেন—
আপনি কী অর্জন করতে চান
এসব লক্ষ্য কেন গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে আপনি এগুলো অর্জন করতে চান। চিন্তাভাবনার মাধ্যমে নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করুন। ভিশন বোর্ড নানাভাবে তৈরি করা যায়। চাইলে পোস্টার বোর্ড, ফোম বোর্ড, কর্ক বোর্ড, সাদা বোর্ড, নোটবুকে ছবি প্রিন্ট করে তৈরি করুন। ডিজিটালি তৈরি করতে চাইলে ক্যানভা, পাওয়ারপয়েন্ট বা অন্যান্য ভিডিও এডিটিং অ্যাপের মাধ্যমে করতে পারেন। যেখানে ছবি পেতে পারেন—পুরোনো ম্যাগাজিন ও ক্যাটালগ, ব্যক্তিগত ছবি, পোস্টকার্ড, ডিজিটাল ইমেজ ইত্যাদি। উপাদান—ইতিবাচক উদ্ধৃতি, রঙিন স্টিকার, ক্র্যাফট আইটেম (কাপড়ের টুকরা বা শুকনা ফুল)।
সাজানোর টিপস
লক্ষ্য অনুযায়ী ভাগ করুন (স্বাস্থ্য, স্কিল ও ক্যারিয়ার)। রঙিন প্যালেট ব্যবহার করুন। ছবিগুলোর ওপর উঁচু-নিচু স্তর তৈরি করুন। বোর্ডের মাঝখানে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলো রাখুন। বোর্ডটি এমন জায়গায় রাখুন, যা প্রতিদিন দেখতে পাবেন। উপযুক্ত স্থান—ফ্রিজ, আয়না, বিছানার পাশে ও টেবিলের ওপরে। লক্ষ্য পরিবর্তনের সঙ্গে বোর্ডটিও পরিবর্তন করুন। বোর্ডের বিষয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের জানাতে পারেন। এটি সচেতনতা বাড়াবে এবং আপনাকে আরও দায়বদ্ধ রাখবে।
ভিশন বোর্ডের বড় সুবিধা হলো, এটি আপনাকে প্রতিদিন লক্ষ্যগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রতিদিন ভিশন বোর্ড দেখার ফলে অবচেতন মনে লক্ষ্যগুলো গেঁথে যায়। এটি সুযোগ সম্পর্কে সচেতন করে এবং লক্ষ্য অর্জনের অনুপ্রেরণা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, লক্ষ্যকে ভিজ্যুয়ালি উপস্থাপন করলে তা অর্জনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। ভিশন বোর্ড অনুপ্রেরণার মাধ্যম নয়, বরং এটি প্রতিদিনের কাজ বৃহৎ উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত করে।

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুঁ মারলে বিভিন্ন পোস্ট বা রিলসে ভিশন বোর্ডের দেখা মেলে। বলা হয়, নিউ ইয়ার রেজল্যুশনের একটি ইমেজ ভার্সন হলো ভিশন বোর্ড।
ভিশন বোর্ড কী
ভিশন বোর্ড যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায় তৈরি করা যায়। বছরের শেষে বা নতুন বছরের শুরুতে ভিশন বোর্ড তৈরির চল বেশি। কারণ, এ সময়ে নতুন বছরের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য স্থিরের জন্য ভিশন বোর্ড চমৎকার মাধ্যম হতে পারে। ভিশন বোর্ড হলো ছোট কিছু ছবি একত্র করে কোলাজ তৈরি করা; যার মাধ্যমে লক্ষ্য, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরা যায়। শুধু ছবি নয়, চাইলে পছন্দের উদ্ধৃতিও যুক্ত করতে পারেন। এটি আপনার সচেতন ও অবচেতন মন একত্র করতে সাহায্য করে এবং লক্ষ্য অর্জনে অনুপ্রাণিত করে।
কীভাবে ভিশন বোর্ড কাজ করে
ভিশন বোর্ড তৈরির আগে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন যে নতুন বছরে কী কী মাইলফলক স্পর্শ করতে চান। এরপর সেগুলোর ছবি ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে নিন। চাইলে সেগুলো প্রিন্ট করে আলাদা কাগজের ওপর লাগিয়ে নিতে পারেন। ডিজিটালি তৈরির জন্য বিভিন্ন ফটো এডিটর অ্যাপ ব্যবহার করে কোলাজ তৈরি করুন।
কীভাবে একটি ভিশন বোর্ড তৈরি করবেন
লক্ষ্যগুলো সুনির্দিষ্ট করুন, যেমন ‘আগামী বছর আমি অনেক টাকার মালিক হব’ বলার পরিবর্তে, কত টাকা সঞ্চয় করতে চান, তা নির্ধারণ করুন। বোর্ডটি এমন জায়গায় রাখুন, যা প্রতিদিন দেখতে পান। নিয়মিত আপডেট করুন। যদি লক্ষ্য পরিবর্তিত হয়, বোর্ডটি সংশোধন করুন। পুরোনো লক্ষ্য অর্জিত হলে সেটিতে ক্রস এঁকে দিতে পারেন। এটি আপনাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে। ভিশন বোর্ড তৈরির আগে নিজের লক্ষ্যের ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা রাখুন। নিজেকে নিচের প্রশ্নগুলো করতে পারেন—
আপনি কী অর্জন করতে চান
এসব লক্ষ্য কেন গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে আপনি এগুলো অর্জন করতে চান। চিন্তাভাবনার মাধ্যমে নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করুন। ভিশন বোর্ড নানাভাবে তৈরি করা যায়। চাইলে পোস্টার বোর্ড, ফোম বোর্ড, কর্ক বোর্ড, সাদা বোর্ড, নোটবুকে ছবি প্রিন্ট করে তৈরি করুন। ডিজিটালি তৈরি করতে চাইলে ক্যানভা, পাওয়ারপয়েন্ট বা অন্যান্য ভিডিও এডিটিং অ্যাপের মাধ্যমে করতে পারেন। যেখানে ছবি পেতে পারেন—পুরোনো ম্যাগাজিন ও ক্যাটালগ, ব্যক্তিগত ছবি, পোস্টকার্ড, ডিজিটাল ইমেজ ইত্যাদি। উপাদান—ইতিবাচক উদ্ধৃতি, রঙিন স্টিকার, ক্র্যাফট আইটেম (কাপড়ের টুকরা বা শুকনা ফুল)।
সাজানোর টিপস
লক্ষ্য অনুযায়ী ভাগ করুন (স্বাস্থ্য, স্কিল ও ক্যারিয়ার)। রঙিন প্যালেট ব্যবহার করুন। ছবিগুলোর ওপর উঁচু-নিচু স্তর তৈরি করুন। বোর্ডের মাঝখানে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলো রাখুন। বোর্ডটি এমন জায়গায় রাখুন, যা প্রতিদিন দেখতে পাবেন। উপযুক্ত স্থান—ফ্রিজ, আয়না, বিছানার পাশে ও টেবিলের ওপরে। লক্ষ্য পরিবর্তনের সঙ্গে বোর্ডটিও পরিবর্তন করুন। বোর্ডের বিষয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের জানাতে পারেন। এটি সচেতনতা বাড়াবে এবং আপনাকে আরও দায়বদ্ধ রাখবে।
ভিশন বোর্ডের বড় সুবিধা হলো, এটি আপনাকে প্রতিদিন লক্ষ্যগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রতিদিন ভিশন বোর্ড দেখার ফলে অবচেতন মনে লক্ষ্যগুলো গেঁথে যায়। এটি সুযোগ সম্পর্কে সচেতন করে এবং লক্ষ্য অর্জনের অনুপ্রেরণা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, লক্ষ্যকে ভিজ্যুয়ালি উপস্থাপন করলে তা অর্জনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। ভিশন বোর্ড অনুপ্রেরণার মাধ্যম নয়, বরং এটি প্রতিদিনের কাজ বৃহৎ উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত করে।

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটিতে রিটেইল ইউনিট, এফভিপি-ভিপি বিভাগের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গত ১৩ জানুয়ারি এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
১২ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের ‘সহকারী পরিচালক’ (টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রশিক্ষণ) ও ‘সহকারী পরিচালক’ (টেলিভিশন প্রকৌশল প্রশিক্ষণ), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ‘চলচ্চিত্র পরিদর্শক’ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘উপসহকারী প্রকৌশলী’ পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) অফিস সহায়ক পদের প্রাক্-যাচাই (এমসিকিউ) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৭ জানুয়ারি এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
কর্মক্ষেত্র মানেই সহযোগিতা, দায়িত্ব ভাগাভাগি ও লক্ষ্য অর্জনের যৌথ প্রয়াস। তবে একই সঙ্গে সেখানে মতভেদ ও দ্বন্দ্বের আশঙ্কাও অনিবার্য। কখনো সহকর্মীর সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝি, কখনো ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত নিয়ে অনিশ্চয়তা; এ ধরনের পরিস্থিতি মনোবল নষ্ট করতে পারে, কাজের গতি কমিয়ে দিতে পারে, এমনকি চাকরি...
১৫ ঘণ্টা আগে