
স্থানকাল পাত্র বেঁধে ক্ষেত্র বিশেষ রাগের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও, সার্বিক বিবেচনায় কোনো মুমিন-মুত্তাকির জন্য রাগ কাম্য নয়। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণকে আল্লাহ কোরআনে মুত্তাকিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রাগ নিয়ন্ত্রণ করা, মানুষকে ক্ষমা করা মুমিনের অন্যতম গুণ।
রাগ নিয়ন্ত্রণের ফজিলত সম্পর্কে পবিত্র কোরআন ও হাদিসে অনেক আয়াত ও হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় (আল্লাহর জন্য অর্থ) ব্যয় করে এবং যারা নিজেদের ক্রোধ হজম করে ও মানুষকে ক্ষমা করতে অভ্যস্ত; আল্লাহ এরূপ পুণ্যবানদের ভালোবাসেন।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৩৪)
কোরআনের আরেকটি আয়াতে মুমিনদের গুণ বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা বড় বড় গুনাহ ও অশ্লীল কর্ম পরিহার করে এবং যখন তাদের ক্রোধ দেখা দেয়, তখন ক্ষমা প্রদর্শন করে।’ (সুরা শুরা: ৩৭)
হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি রাগের সময় ক্ষমতা থাকার পরও নিজেকে সংযত করে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাকে সবার সামনে ডেকে বিশেষভাবে সম্মানিত করবেন। (সুনানে ইবনে মাজা: ৪১৮৬)
হজরত আবু দারদা (রা.) একবার রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলে দিন যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘তুমি রাগ করবে না। তাহলে তোমার জন্য জান্নাত। (তবারানি: ২৩৫৩)
আরেকটি হাদিসে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ (প্রকৃত) বীর সে নয়, যে কুস্তিতে (অপরকে পরাজিত করে)। প্রকৃত বীর (কুস্তিগির) তো সেই ব্যক্তি, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে। (সহিহ্ বুখারি: ৬১১৪)
ওপর একটি হাদিসে এসেছে, ‘আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য বান্দার ক্রোধ সংবরণে যে মহান প্রতিদান রয়েছে, তা অন্য কিছু সংবরণে নেই।’ (সুনানে ইবনে মাজা: ৪১৮৯)
লেখক: শিক্ষক ও মুহাদ্দিস

হজ কোনো সাধারণ সফর নয়, এটি মহান আল্লাহর সান্নিধ্যলাভের এক অনন্য মাধ্যম। এই ইবাদত যেমন শরীরের পরিশ্রমে ঋদ্ধ, তেমনি আত্মার প্রশান্তিতে ধন্য। তবে প্রস্তুতির অভাবে অনেক সময় এই পবিত্র সফর কেবল ভ্রমণে পর্যবসিত হয়। তাই হজে যাওয়ার আগে প্রতিটি হাজিকে কিছু মৌলিক বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
এই নশ্বর জীবনে প্রতিটি মানুষেরই নিজস্ব কর্মপদ্ধতি ও ব্যস্ততা রয়েছে। কিন্তু একজন মুমিনের জীবনের মূল চালিকাশক্তি হলো পরকালের চিন্তা। দুনিয়াবি ব্যস্ততার পসরা যতই বড় হোক, মুমিন তার ইমান ও আমলের জন্য সময় বের করে নেয়।
১০ ঘণ্টা আগে
খিভা থেকে আমু দরিয়া (প্রাচীন অক্সাস নদী) পার হলেই চোখে পড়ে মাওয়ারাননাহার বা ট্রান্স-অক্সিয়ানার দিগন্ত। এই জনপদেই গড়ে উঠেছে উজবেকিস্তানের দুই গৌরবোজ্জ্বল শহর—সমরকন্দ ও বুখারা। তবে সব ছাপিয়ে বুখারাকে বলা হয় ‘কুব্বাতুল ইসলাম’ বা ইসলামের গম্বুজ; যা শতাব্দীকাল ধরে ঐতিহ্য, পাণ্ডিত্য এবং সুফি ঐতিহ্যের...
১০ ঘণ্টা আগে
শৈশবে শিখেছিলাম—‘নামাজে ডান পা নাড়াচাড়া করা যাবে না।’ এর পর থেকে আজ পর্যন্ত নামাজের শেষ পর্যন্ত ডান পা নাড়াচাড়া না করে সালাম ফেরাই। কিন্তু অনেককে দেখি বিষয়টি সম্পর্কে উদাসীন। তাহলে কি আমি ভুল জেনেছি এত দিন? এ ব্যাপারে ইসলামের সঠিক বিধান কী?’
১০ ঘণ্টা আগে