জীবন চলায় বিপদ বা সমস্যা কখনো বলে আসে না। যেকোনো মুহূর্তে মানুষ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে। অনেক সময় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়ি, ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। কিন্তু ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—কীভাবে বিপদে ধৈর্য ধরে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হয়।
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা নামাজ ও সবরের (ধৈর্য) মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করো।’ (সুরা বাকারা: ১৫৩)
১. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
যেকোনো বিপদ বা অসহায় অবস্থায় এই দোয়া পড়া অত্যন্ত কার্যকর। হাদিসে একে জান্নাতের অন্যতম গুপ্তধন বলা হয়েছে।
আরবি: لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ
উচ্চারণ: লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
অর্থ: আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কোনো ভালো কাজের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এবং মন্দ কর্ম থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য নেই। (সহিহ্ মুসলিম: ৬৭৫৫)
২. হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল
কিয়ামতের ভয়াবহ বর্ণনা শুনে সাহাবিরা ভীত হলে রাসুল (সা.) তাঁদের এই দোয়া পড়তে বলেন:
আরবি: حسبُنا اللَّهُ ونعمَ الوَكيلُ على اللَّهِ توَكَّلنا
উচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল, আলাল্লাহি তাওয়াক্কালনা।
অর্থ: মহান আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধানকারী। আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম। (জামে তিরমিজি: ২৪৩১)
ব্যক্তিগত, পারিবারিক বা রাষ্ট্রীয় যেকোনো দায়িত্ব পালনে অথবা বিপদে মুষড়ে না পড়ে আল্লাহর শিখিয়ে দেওয়া এই দোয়াগুলো পড়া উচিত। মুমিন হিসেবে আমাদের বিশ্বাস—আল্লাহর সাহায্য থাকলে যেকোনো বড় বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সকাল এবং সন্ধ্যায় এমন কিছু বিশেষ জিকির ও দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা পাঠ করলে সারা দিনের নিরাপত্তা ও বরকতই লাভের পাশাপাশি আখিরাতের কঠিন সময়েও তা মুক্তির মাধ্যম হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১০ ঘণ্টা আগে
ফরজ নামাজের পর তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সবচেয়ে বেশি। শরিয়তের পরিভাষায় রাতের কিছু অংশ ঘুমানোর পর শেষ রাতে উঠে যে নামাজ আদায় করা হয়, তাকে তাহাজ্জুদ বলা হয়। রাসুল (সা.)-এর ওপর এই নামাজ ফরজ ছিল
১ দিন আগে
অত্যন্ত মনোযোগ ও একাগ্রতার সঙ্গে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমাদের কখনো কখনো ভুল হয়ে যায়। অনেক সময় রুকুতে গিয়ে আমরা ভুল করে সিজদার তাসবিহ পড়ে ফেলি, আবার সিজদায় গিয়ে রুকুর তাসবিহ বলে ফেলি।
১ দিন আগে