মানুষের জীবনের প্রতিটি মোড়ে চ্যালেঞ্জ এবং কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হয়। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে, যেকোনো কাজে চেষ্টা-প্রচেষ্টা কেবল একটি উপলক্ষ মাত্র। মূলত কাজ সম্পাদন করা এবং তা সহজ করে দেওয়া একমাত্র মহান আল্লাহর কুদরতের অধীন।
আপনি যদি কোনো কঠিন কাজ বা পরীক্ষার সম্মুখীন হন, তবে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে নিচের বিশেষ দোয়াগুলো পাঠ করতে পারেন।
হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখনই কোনো কঠিন সমস্যা বা বিপদের সম্মুখীন হতেন, তখন এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়তেন:
يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ بِرَحْمَتِكَ اَسْتَغِيْثُ
উচ্চারণ: ‘ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুমু বিরাহমাতিকা আসতাগিছ।’
অর্থ: ‘হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, আমি আপনার রহমতের অছিলায় আপনার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি।’ (জামে তিরমিজি)
পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছুই নেই যদি আল্লাহর সাহায্য সঙ্গে থাকে। কোনো কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে নিচের দোয়াটি অত্যন্ত কার্যকর:
اللَّهُمَّ لا سَهْلَ إِلا مَا جَعَلْتَهُ سَهْلا، وَأَنْتَ تَجْعَلُ الْحَزَنَ إِذَا شِئْتَ سَهْلا
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লামা জাআলতাহু সাহলান, ওয়া আনতা তাজআলুল হাজনা ইজা শিতা সাহলান।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি যা সহজ করেছেন তা ছাড়া কোনো কিছুই সহজ নয়। আর যখন আপনি ইচ্ছা করেন, তখন কঠিনকেও সহজ করে দেন।’ (সহিহ্ ইবনে হিব্বান: ২৪২৭)
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, যখন মুসা (আ.)-কে অনেক বড় ও কঠিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তখন তিনি আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে এই দোয়াটি করেছিলেন:
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي-وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي
উচ্চারণ: ‘রাব্বিশরাহলি সাদরি, ওয়া ইয়াসসিরলি আমরি।’
অর্থ: ‘হে আমার প্রতিপালক, আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।’ (সুরা তোহা: ২৫-২৬)
যেকোনো নেক কাজ বা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব শেষ করার পর আল্লাহর কাছে তা কবুল হওয়ার জন্য এই দোয়াটি পড়া অত্যন্ত জরুরি:
رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّা اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ، وَتُبْ عَلَيْنَا اِنَّكَ اَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ
উচ্চারণ: ‘রাব্বানা তাকাব্বাল মিন্না ইন্নাকা আন্তাস সামিউল আলিম। ওয়াতুব আলাইনা ইন্নাকা আন্তাত তাওয়াবুর রাহিম।’
অর্থ: ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের এই কাজ কবুল করুন, নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাত। আমাদের ক্ষমা করুন, নিশ্চয়ই আপনি মহান ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।’
হতাশা কাটিয়ে ভরসা রাখুন মহান রবের ওপর। কাজ শুরুর আগে বিসমিল্লাহ বলুন এবং কাজ চলাকালীন ওপরে বর্ণিত দোয়াগুলো পাঠ করুন।

মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
৫ ঘণ্টা আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১৩ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৭ ঘণ্টা আগে
আমরা আখিরাতের অনন্ত জীবনের যাত্রী। এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার প্রতিটি কর্মকাণ্ডের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পাবে পরকালে—যার শেষ পরিণতি হয় চিরসুখের জান্নাত, না হয় ভয়াবহ জাহান্নাম। আজকাল আমরা অঢেল ধনসম্পদ, বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি কিংবা সমাজের উঁচু পদমর্যাদাকেই ‘সফলতা’ বলে ধরে নিয়েছি।
২ দিন আগে