তানবিরুল হক আবিদ

মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত কোরবানি। এই ইবাদতকে ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্যতম বলে মনে করা হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় আমি তোমাকে কাউসার দান করেছি। সুতরাং তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো। নিশ্চয় তোমার প্রতি শত্রুতা পোষণকারীই নির্বংশ। (সুরা কাউসার: ১-৩)
আল্লাহ তাআলার এই নির্দেশ অনুযায়ী মহানবী (সা.) প্রতিবছর কোরবানি করতেন। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) দুটি মেষ দিয়ে কোরবানি আদায় করতেন। আমিও কোরবানি আদায় করতাম দুটি মেষ দিয়ে। (সহিহ্ বুখারি: ৫৫৫৩)
যাঁদের ওপর জাকাত ওয়াজিব, তাঁদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব। এ ক্ষেত্রে কোরবানির দিনগুলো তথা জিলহজের ১০, ১১ ও ১২ তারিখে কারও কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়। জাকাতের নিসাবের মতো বছর পার হওয়া আবশ্যক নয়। সে হিসাবে অনেক লোক এমন পাওয়া যাবে, যাঁদের ওপর জাকাত ওয়াজিব না হলেও কোরবানি ওয়াজিব।
প্রবাসীর পক্ষ থেকে দেশে কোরবানি দেওয়াতে ইসলামে কোনো বাধা-নিষেধ নেই। তবে প্রবাসীর কোরবানির পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে কোরবানির সময়ের ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ভোর হলেই কোরবানি ওয়াজিব হয়। তাই এর আগে কোরবানি আদায় করলে তা শুদ্ধ হবে না। আর ১২ জিলহজের সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোরবানি করা যায়—এরপর কোরবানি শুদ্ধ হয় না। তাই প্রবাসীর কোরবানির পশু দেশে জবাই করার সময় তিনি যে দেশে বসবাস করছেন, সে দেশের তারিখ ও সময় মেনে কোরবানি করতে হবে। অর্থাৎ প্রবাসীর অবস্থিত দেশের তারিখ অনুযায়ী ১০ জিলহজ ভোরের পরে কোরবানি করতে হবে। সাবধানতার জন্য, প্রবাসীর পক্ষ থেকে যে ব্যক্তি দেশে কোরবানি করবেন, তিনি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে সেখানকার সময়ের সঙ্গে সমন্বয় করে নেবেন।
তথ্যসূত্র: ফতহুল কাদির: ৮ / ৪২৫ (হাবিবিয়্যাহ), তাবয়িনুল হাকায়েক: ৬ /২-৩ (ইমদাদিয়া), ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত: ১১ / ২০২

মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত কোরবানি। এই ইবাদতকে ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্যতম বলে মনে করা হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় আমি তোমাকে কাউসার দান করেছি। সুতরাং তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো। নিশ্চয় তোমার প্রতি শত্রুতা পোষণকারীই নির্বংশ। (সুরা কাউসার: ১-৩)
আল্লাহ তাআলার এই নির্দেশ অনুযায়ী মহানবী (সা.) প্রতিবছর কোরবানি করতেন। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) দুটি মেষ দিয়ে কোরবানি আদায় করতেন। আমিও কোরবানি আদায় করতাম দুটি মেষ দিয়ে। (সহিহ্ বুখারি: ৫৫৫৩)
যাঁদের ওপর জাকাত ওয়াজিব, তাঁদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব। এ ক্ষেত্রে কোরবানির দিনগুলো তথা জিলহজের ১০, ১১ ও ১২ তারিখে কারও কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়। জাকাতের নিসাবের মতো বছর পার হওয়া আবশ্যক নয়। সে হিসাবে অনেক লোক এমন পাওয়া যাবে, যাঁদের ওপর জাকাত ওয়াজিব না হলেও কোরবানি ওয়াজিব।
প্রবাসীর পক্ষ থেকে দেশে কোরবানি দেওয়াতে ইসলামে কোনো বাধা-নিষেধ নেই। তবে প্রবাসীর কোরবানির পশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে কোরবানির সময়ের ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ভোর হলেই কোরবানি ওয়াজিব হয়। তাই এর আগে কোরবানি আদায় করলে তা শুদ্ধ হবে না। আর ১২ জিলহজের সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোরবানি করা যায়—এরপর কোরবানি শুদ্ধ হয় না। তাই প্রবাসীর কোরবানির পশু দেশে জবাই করার সময় তিনি যে দেশে বসবাস করছেন, সে দেশের তারিখ ও সময় মেনে কোরবানি করতে হবে। অর্থাৎ প্রবাসীর অবস্থিত দেশের তারিখ অনুযায়ী ১০ জিলহজ ভোরের পরে কোরবানি করতে হবে। সাবধানতার জন্য, প্রবাসীর পক্ষ থেকে যে ব্যক্তি দেশে কোরবানি করবেন, তিনি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে সেখানকার সময়ের সঙ্গে সমন্বয় করে নেবেন।
তথ্যসূত্র: ফতহুল কাদির: ৮ / ৪২৫ (হাবিবিয়্যাহ), তাবয়িনুল হাকায়েক: ৬ /২-৩ (ইমদাদিয়া), ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত: ১১ / ২০২

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
৭ ঘণ্টা আগে
সভ্যতার বিকাশে যে উপাদানগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, কলম তার মধ্যে অন্যতম। আগুন যেমন মানুষকে সভ্য করেছে এবং চাকা দিয়েছে গতি, তেমনি কলম মানুষকে দিয়েছে চিন্তার গভীরতা ও ইতিহাস সংরক্ষণের অমর শক্তি। ইসলামে কলমের গুরুত্ব কেবল বৈষয়িক প্রয়োজন নয়; বরং এটি আখিরাত, তাকদির ও মহান আল্লাহর অসীম...
১২ ঘণ্টা আগে
মানুষকে আল্লাহ তাআলা আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা হিসেবে সর্বোত্তম আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। বেঁচে থাকার জন্য আসমান-জমিনে ছড়িয়ে দিয়েছেন অগণিত নিয়ামত। মানুষের ওপর আবশ্যক হলো আল্লাহর দেওয়া সেসব নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায় করা।
১৫ ঘণ্টা আগে
দৈহিক পবিত্রতার অন্যতম মাধ্যম অজু। ইসলামের প্রধান ইবাদত নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য এটিকে শর্ত হিসেবে ধরা করা হয়। দিনে অন্তত পাঁচবার অজু করতে হয় একজন মুসলিমকে। যাঁরা অজুকে গুরুত্ব দেন, নিয়মিত অজু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করেন, তাঁদের জন্য রয়েছে দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে মুক্তির প্রতিশ্রুতি।
১ দিন আগে