জান্নাত মুমিনদের চিরস্থায়ী বসবাসের পরম আগ্রহের জায়গা। প্রতিটি মুমিন মনেপ্রাণে জান্নাত কামনা করে। মুমিনের আমলের মাধ্যমে জান্নাত সমৃদ্ধ হয়। হাদিসে জান্নাতে ঘর তৈরির কিছু আমলের কথা এসেছে। নিচে পাঁচটি আমলের কথা তুলে ধরা হলো:
এক. রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ১০ বার সুরা এখলাস পাঠ করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি বাড়ি বানিয়ে রাখবেন।’ (সহিহুল জামি)
দুই. রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘জান্নাতের প্রাসাদগুলো এমন হবে যে এর ভেতর থেকে বাইরের সব কিছু দেখা যাবে এবং বাইরে থেকে ভেতরের সব কিছু দেখা যাবে।’ এক বেদুইন দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করল, ‘হে আল্লাহর রাসুল (সা.), এসব প্রাসাদ কাদের জন্য?’ তিনি বললেন, ‘যারা উত্তম ও সুমধুর কথা বলে, ক্ষুধার্তকে খাবার দেয়, প্রায়ই রোজা রাখে এবং লোকেরা রাতে ঘুমিয়ে থাকাবস্থায় জাগ্রত থেকে আল্লাহ তাআলার জন্য নামাজ আদায় করে, তাদের জন্য।’ (তিরমিজি)
তিন. রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলিম বান্দা যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় প্রতিদিন ফরজ ছাড়া আরও ১২ রাকাত নফল (সুন্নতে মুআক্কাদা) নামাজ আদায় করে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করেন।’ (মুসলিম)
চার. রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কাতারের মধ্যে ফাঁকা স্থান পূর্ণ করে, বিনিময়ে আল্লাহ তার মর্যাদা উন্নীত করেন এবং জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর তৈরি করেন।’ (আত তারগিব)
পাঁচ. রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ন্যায়সংগত হওয়া সত্ত্বেও ঝগড়া পরিহার করবে, আমি তার জন্য জান্নাতের বেষ্টনীর মধ্যে একটি ঘরের জিম্মাদার; আর যে ব্যক্তি তামাশার ছলেও মিথ্যা বলে না, আমি তার জন্য জান্নাতের মাঝখানে একটি ঘরের জিম্মাদার। আর যে ব্যক্তি তার চরিত্রকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে, আমি তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থিত একটি ঘরের জিম্মাদার।’ (আবু দাউদ)

কোরবানি ইসলামের অন্যতম একটি মৌলিক ইবাদত। আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, কোরবানি কেবল পরিবারের পুরুষ বা উপার্জনক্ষম ব্যক্তিদের ওপরই বর্তায়। অনেক নারীই মনে করেন, যেহেতু তাঁদের কোনো ব্যক্তিগত আয় বা ইনকাম নেই, সেহেতু তাঁদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
৮ ঘণ্টা আগেপবিত্র কাবা শরিফ—গোটা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে আবেগ, অনুভূতি আর পরম পবিত্রতার এক নাম। মহান আল্লাহ তাআলার এই ঘরকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয় মুসলিম উম্মাহর ইবাদত-বন্দেগি। তবে কাবার বাইরের দৃশ্য সবার পরিচিত হলেও এর অভ্যন্তরীণ পরিবেশ কেমন, ভেতরে কী কী রয়েছে—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই।
১৫ ঘণ্টা আগে
মহান আল্লাহ আমাদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পশুকে হালাল ঘোষণা করেছেন। বিশেষ করে গরু, মহিষ, উট, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা—এই পশুগুলোর গোশত খাওয়া এবং এগুলো দিয়ে কোরবানি করা সম্পূর্ণ বৈধ। তবে একটি পশু হালাল হওয়ার অর্থ এই নয় যে তার শরীরের প্রতিটি অঙ্গই ভক্ষণযোগ্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে