পবিত্র কাবা শরিফ—গোটা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে আবেগ, অনুভূতি আর পরম পবিত্রতার এক নাম। মহান আল্লাহ তাআলার এই ঘরকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয় মুসলিম উম্মাহর ইবাদত-বন্দেগি। তবে কাবার বাইরের দৃশ্য সবার পরিচিত হলেও এর অভ্যন্তরীণ পরিবেশ কেমন, ভেতরে কী কী রয়েছে—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই।
কাবার দরজা বছরে মাত্র দুবার ধৌতকরণ ও বিশেষ রাষ্ট্রীয় মেহমানদের জন্য খোলা হয়। কাবার ভেতরের পরিবেশ অত্যন্ত আধ্যাত্মিক, শান্ত ও জাঁকজমকহীন আভিজাত্যে ঘেরা। এর উচ্চতা ১২ থেকে ১৩ মিটার।


কাবার ভেতরে বেশ কিছু ঐতিহাসিক ও বিশেষ বস্তু সংরক্ষিত রয়েছে:



কাবার বর্তমান দরজাটি ১৯৭৭ সালে বাদশাহ খালিদ বিন আবদুল আজিজের নির্দেশে তৈরি। ১০ সেন্টিমিটার পুরুত্বের উন্নতমানের কাঠে নির্মিত এই দরজায় প্রায় ২৮০ কেজি খাঁটি সোনা ব্যবহার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কাবার বাইরের অংশ ঢাকা থাকে কালো রঙের গিলাফ বা ‘কিসওয়া’ দিয়ে। এটি তৈরিতে প্রায় ৬৭০ কেজি রেশম ও ১৫ কেজি সোনার সুতা প্রয়োজন হয়, যার ব্যয়ভার ৫০ কোটি টাকার বেশি।
পবিত্র কাবার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে জমজমের পানি, খাঁটি গোলাপজল ও বিশেষ ‘উদ’ সুগন্ধি ব্যবহার করা হয়। খেজুর পাতা ও কোমল সাদা কাপড় দিয়ে অত্যন্ত যত্নসহকারে এর মেঝে ও দেয়াল পরিষ্কার করা হয়।

সব মিলিয়ে, পবিত্র কাবার ভেতরে কোনো আড়ম্বরপূর্ণ জৌলুশ নয়, বরং সরলতা ও আধ্যাত্মিক গাম্ভীর্যে পূর্ণ। এটি এমন এক স্থান, যেখানে গেলে মহান রবের শ্রেষ্ঠত্ব ও ইসলামের সুপ্রাচীন ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে।

মহান আল্লাহ আমাদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পশুকে হালাল ঘোষণা করেছেন। বিশেষ করে গরু, মহিষ, উট, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা—এই পশুগুলোর গোশত খাওয়া এবং এগুলো দিয়ে কোরবানি করা সম্পূর্ণ বৈধ। তবে একটি পশু হালাল হওয়ার অর্থ এই নয় যে তার শরীরের প্রতিটি অঙ্গই ভক্ষণযোগ্য।
৬ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৯ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীর ইতিহাসে কোটি কোটি মানুষের মধ্যে একমাত্র হাকিম ইবনে হিজাম (রা.)-ই সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি, যিনি পবিত্র কাবাঘরের ভেতরে ভূমিষ্ঠ হওয়ার অনন্য মর্যাদা লাভ করেছেন। হস্তী বাহিনীর ঘটনার ১৩ বছর আগে এই বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে।
১৮ ঘণ্টা আগে
কোরবানি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত এবং মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলিমের ওপর এটি পালন করা ওয়াজিব। তবে ঠিক কতটুকু সম্পদ বা টাকা থাকলে কোরবানি দেওয়া আবশ্যক হয়, তা নিয়ে অনেক সময় সাধারণ মানুষের মনে অস্পষ্টতা থাকে।
২০ ঘণ্টা আগে