ঋণগ্রস্ত মানুষের প্রতি দরদ ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা ইসলামের মহান শিক্ষা। সুদবিহীন ঋণদানের মাধ্যমে ঋণগ্রস্তকে সাহায্য করা উদার মানবিকতার প্রতীক। এর মাধ্যমে ঋণদাতা আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভ করে। কাউকে করজে হাসানা বা সুদবিহীন ঋণ দিলে আল্লাহ তাআলা তাকে দ্বিগুণ প্রতিদান দেবেন এবং তার সব গুনাহ ক্ষমা করবেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা যদি আল্লাহকে উত্তম ঋণ (সুদবিহীন ঋণ) দাও, তবে আল্লাহ তা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবেন এবং তোমাদের গুনাহ মাফ করে দেবেন। আল্লাহ তাআলা অতি গুণগ্রাহী, মহা সহনশীলতার অধিকারী।’ (সুরা তাগাবুন: ১৭) আল্লাহ তাআলা অমুখাপেক্ষী হওয়া সত্ত্বেও এই আয়াতে তাঁকে ঋণদানের কথা বলা হয়েছে। মূলত এ থেকে উদ্দেশ্য হলো, কোনো মুখাপেক্ষী ও অক্ষম ব্যক্তিকে ঋণ দিয়ে সাহায্য করার কথা বোঝানো হয়েছে।
কাউকে ঋণ দিলে সে ঋণ পরিমাণ সম্পদ সদকা করার প্রতিদান লাভ করবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘কোনো মুসলমান অন্য মুসলমানকে দুবার ঋণ দিলে, সে সেই পরিমাণ সম্পদ একবার দান-খয়রাত করার সমান সওয়াব পায়।’ (ইবনে মাজাহ: ২৪৩০)
কাউকে ঋণ দেওয়া যেমন সওয়াবের কাজ, তেমনি ঋণগ্রস্তকে ঋণ পরিশোধের সুযোগ দেওয়াও সওয়াবের কাজ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যদি ঋণগ্রহীতা অভাবগ্রস্ত হয়, তবে তাকে সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত সময় দেওয়া উচিত। আর যদি ক্ষমা করে দাও, তবে তা খুবই উত্তম, যদি তোমরা উপলব্ধি করো।’ (বাকারা: ২৮০)
ঋণগ্রস্তকে সুযোগ দিলে কিয়ামতের দিন আরশের নিচে জায়গা মিলবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি (ঋণ পরিশোধে) অক্ষমকে সুযোগ দেয়, আল্লাহ তাআলা তাকে কিয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়াতলে জায়গা দেবেন, যখন আরশের ছায়া ছাড়া কোনো ছায়া থাকবে না।’ (তিরমিজি: ১৩০৬)
লেখক: শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

ইসলামে গুনাহকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে—১. সগিরা (ছোট) গুনাহ ও ২. কবিরা (বড়) গুনাহ। কবিরা গুনাহ এমন সব পাপ, যার জন্য পরকালে কঠিন শাস্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং যা তওবা ছাড়া মাফ হয় না।
৯ ঘণ্টা আগে
উপমহাদেশের ইসলামি চিন্তাধারা ও আধ্যাত্মিক সংস্কারের ইতিহাসে মাওলানা আশরাফ আলী থানভি (রহ.) এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৮৬৩ সালে (১২৮০ হিজরি) ভারতের উত্তর প্রদেশের থানা ভবনে জন্মগ্রহণকারী এই মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন একাধারে মুফাসসির, মুহাদ্দিস, ফকিহ এবং বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সমাজসংস্কারক।
১০ ঘণ্টা আগে
রমজানে রোজা রাখা অবস্থায় অসুস্থতার প্রয়োজনে চোখ, কান বা নাকে ড্রপ বা ওষুধ ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে। অনেক সময় আমরা দ্বিধায় ভুগি যে এতে রোজা ভেঙে যাবে কি না। ইসলামি শরিয়ত ও ফিকহ শাস্ত্রের আলোকে এই মাসআলাগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
১১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৬ ঘণ্টা আগে