মদিনার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন প্রিয় নবী (সা.)। তাঁর সঙ্গে ছিল ছোট সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে জাফর। আবদুল্লাহকে তিনি নিজের খচ্চরের পিঠে বসিয়ে নিলেন। আবদুল্লাহর কাছে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ স্থানে আছেন।
চলার পথে নবীজি (সা.) ফিসফিস করে কিছু কথা বললেন। নবীজির কণ্ঠস্বরে এমন এক কোমলতা ছিল, যা আবদুল্লাহকে মুগ্ধ করে তুলল। নবীজি তাঁকে বললেন, ‘এই কথাগুলো কাউকে বলো না।’ আবদুল্লাহ মাথা নেড়ে সায় দিলেন।
পথ চলতে চলতে একসময় তাঁদের যাত্রা বিরতি হলো। নবীজি (সা.) প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার জন্য একটি খেজুর বাগানের দিকে গেলেন। বাগানটি ছিল সবুজ আর ঘন গাছে ভরা। এমন সময় হঠাৎ একটি উটের করুণ কান্নার শব্দ ভেসে এলো তাঁর কানে। তিনি থমকে দাঁড়ালেন। উটটির চোখ থেকে অঝোরে পানি গড়িয়ে পড়ছে, যেন সে কোনো গভীর দুঃখের ভারে ভারাক্রান্ত।
নবীজি (সা.) দ্রুত তার কাছে গেলেন। উটটি নবীজিকে দেখে কান্না আরও বাড়িয়ে দিল। নবীজি (সা.) তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন পরম মমতায়। তাঁর হাতের স্পর্শে উটের কান্না মুহূর্তেই থেমে গেল।
নবীজি (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই উটের মালিক কে?’
এক আনসারি যুবক দৌড়ে এলো। সে বলল, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ, এই উটটি আমার।’
নবীজি (সা.) তখন যুবকের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আল্লাহ যে তোমাকে এই নিরীহ প্রাণীটির মালিক বানিয়েছেন, এর অধিকারের ব্যাপারে কি তুমি আল্লাহকে ভয় করো না? উটটি আমার কাছে অভিযোগ করেছে, তুমি একে ক্ষুধার্ত রাখো এবং কষ্ট দাও।’
যুবক লজ্জায় মাথা নিচু ফেললো। নবীজি (সা.) তখন সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘তোমরা এসব বাকশক্তিহীন পশুর ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। সুস্থ-সবল পশুর পিঠে আরোহণ করবে এবং এদের উত্তমরূপে আহার করাবে।’
তথ্যসূত্র: সুনানে আবু দাউদ: ২৫৪৮

গভীর রাতে অপছন্দনীয় কোনো স্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে সুন্নাহ অনুযায়ী কিছু আমল করলে দ্রুতই মনের ভয় কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত থাকা সম্ভব হয়। দুঃস্বপ্ন দেখলে ৫টি করণীয় হলো...
২ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
ইসলামে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে বংশীয় পবিত্রতা এবং আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষার স্বার্থে সুনির্দিষ্ট বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। কোরআন-হাদিসে স্থায়ী ও সাময়িক নিষিদ্ধ নারীদের (মাহরাম) যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, তার আলোকে ফিকহের ইমামগণ প্রতিটি সূক্ষ্ম বিষয়ের সমাধান প্রদান করেছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
আল্লাহ তাআলা সর্বময় ক্ষমতার একক মালিক। মানুষের জীবনের আলো-ছায়া, সুখ-দুঃখ, ভালো-মন্দ—সবই তাঁর সৃষ্টি ও হুকুমের অধীন। অরণ্যের একটি বৃক্ষপত্রও তাঁর অগোচরে এবং হুকুম ছাড়া ঝরে পড়ে না—এ সত্য প্রতিটি মুমিনের সুদৃঢ় বিশ্বাস। তবু প্রাত্যহিক জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতে দেখা যায়, মানুষ অজান্তেই ইমানের সরল-সোজা পথ
১ দিন আগে