আপনার জিজ্ঞাসা
আব্দুল্লাহ মিয়াজি

প্রশ্ন: জমজমের পানি কি অবশ্যই দাঁড়িয়ে পান করতে হবে? অনেকে বলেন, বসে পান করলে নাকি পাপ হয়। বিষয়টি নিয়ে আমার জানার আগ্রহ আছে। দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।
আব্দুল্লাহ মিয়াজি, নোয়াখালী
উত্তর: আপনার মূল্যবান প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জমজমের পানি পান করার নিয়ম নিয়ে অনেকের মনেই এমন প্রশ্ন জাগে। বস্তুত, জমজমের পানির রয়েছে বিশেষ মর্যাদা ও ফজিলত। এই বরকতময় পানি পান করার পদ্ধতি নিয়ে ইসলামি শরিয়তের নির্দেশনা খুবই সহজ এবং স্পষ্ট।
জমজমের পানি সাধারণ কোনো পানি নয়। এটি বরকতময়, যা হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর ছেলে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর স্মৃতিবিজড়িত। নবীজি মুহাম্মদ (সা.) নিজে জমজমের পানি পান করেছেন এবং এর ফজিলত বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘জমজমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য এবং রোগীর ওষুধ।’ (সহিহ মুসলিম)। এই বিশেষ মর্যাদার কারণে জমজমের পানি পান করার কিছু আদব বা সুন্নত রয়েছে, যার মধ্যে কিবলামুখী হওয়া, বিসমিল্লাহ বলা, তিন শ্বাসে পান করা, তৃপ্তিসহকারে পান করা এবং শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা অন্যতম।
দাঁড়িয়ে না বসে—জমজমের পানি পানের সঠিক নিয়ম
জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করা সুন্নত। হাদিস শরিফে স্পষ্টভাবে এসেছে, হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করেছেন।’ (সহিহ মুসলিম, জামে তিরমিজি)। এই হাদিসের ভিত্তিতেই বহু প্রাজ্ঞ ইসলামি গবেষক ও ফকিহ জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করাকে উত্তম ও আদব বলেছেন।
তবে জমজমের পানি বসে পান করা কোনো মারাত্মক পাপের কাজ নয়; বরং এটিও বৈধ। হাদিস ও ফিকহের কিতাবে উল্লেখ আছে, কেউ যদি বসে পান করে, তাতে কোনো পাপ হবে না। মূলত, জমজমের পানি দাঁড়িয়ে এবং বসে—উভয়ভাবেই পান করা জায়েজ বা বৈধ। তবে রাসুল (সা.)-এর আমল অনুসরণ করে দাঁড়িয়ে পান করা উত্তম ও আদবের অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য পানি ও জমজমের পানি পানের পার্থক্য
সাধারণত অন্য যেকোনো পানি দাঁড়িয়ে পান করা মাকরুহে তানজিহি বা অপছন্দের। কারণ, রাসুলুল্লাহ (সা.) দাঁড়িয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। তবে জমজমের পানি এই নিয়মের ব্যতিক্রম, এটি দাঁড়িয়ে পান করা উত্তম। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন নবীজির (সা.) সুন্নাহ পালন হয়, তেমনি এই বিশেষ পানির মর্যাদাও প্রকাশ পায়।
জমজমের পানি পান করার ক্ষেত্রে মূল কথা হলো, দাঁড়িয়ে পান করা উত্তম ও আদব। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) দাঁড়িয়ে পান করেছেন। বসে পান করাও সম্পূর্ণ বৈধ, এতে কোনো পাপ নেই। তাই আপনি যেকোনো অবস্থাতেই জমজমের পানি পান করতে পারেন। তবে কিবলামুখী হয়ে, বিসমিল্লাহ বলে, তিন শ্বাসে এবং তৃপ্তিসহকারে পান করার আদবগুলো মেনে চলবেন। এটি পান করার সময় একটি বড় কাজ হলো আল্লাহর কাছে দোয়া করা। আপনি আপনার প্রয়োজন ও ভালো কিছুর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।
উত্তর দিয়েছেন: মুফতি শাব্বির আহমদ, ইসলামবিষয়ক গবেষক

প্রশ্ন: জমজমের পানি কি অবশ্যই দাঁড়িয়ে পান করতে হবে? অনেকে বলেন, বসে পান করলে নাকি পাপ হয়। বিষয়টি নিয়ে আমার জানার আগ্রহ আছে। দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।
আব্দুল্লাহ মিয়াজি, নোয়াখালী
উত্তর: আপনার মূল্যবান প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জমজমের পানি পান করার নিয়ম নিয়ে অনেকের মনেই এমন প্রশ্ন জাগে। বস্তুত, জমজমের পানির রয়েছে বিশেষ মর্যাদা ও ফজিলত। এই বরকতময় পানি পান করার পদ্ধতি নিয়ে ইসলামি শরিয়তের নির্দেশনা খুবই সহজ এবং স্পষ্ট।
জমজমের পানি সাধারণ কোনো পানি নয়। এটি বরকতময়, যা হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর ছেলে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর স্মৃতিবিজড়িত। নবীজি মুহাম্মদ (সা.) নিজে জমজমের পানি পান করেছেন এবং এর ফজিলত বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘জমজমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য এবং রোগীর ওষুধ।’ (সহিহ মুসলিম)। এই বিশেষ মর্যাদার কারণে জমজমের পানি পান করার কিছু আদব বা সুন্নত রয়েছে, যার মধ্যে কিবলামুখী হওয়া, বিসমিল্লাহ বলা, তিন শ্বাসে পান করা, তৃপ্তিসহকারে পান করা এবং শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা অন্যতম।
দাঁড়িয়ে না বসে—জমজমের পানি পানের সঠিক নিয়ম
জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করা সুন্নত। হাদিস শরিফে স্পষ্টভাবে এসেছে, হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করেছেন।’ (সহিহ মুসলিম, জামে তিরমিজি)। এই হাদিসের ভিত্তিতেই বহু প্রাজ্ঞ ইসলামি গবেষক ও ফকিহ জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পান করাকে উত্তম ও আদব বলেছেন।
তবে জমজমের পানি বসে পান করা কোনো মারাত্মক পাপের কাজ নয়; বরং এটিও বৈধ। হাদিস ও ফিকহের কিতাবে উল্লেখ আছে, কেউ যদি বসে পান করে, তাতে কোনো পাপ হবে না। মূলত, জমজমের পানি দাঁড়িয়ে এবং বসে—উভয়ভাবেই পান করা জায়েজ বা বৈধ। তবে রাসুল (সা.)-এর আমল অনুসরণ করে দাঁড়িয়ে পান করা উত্তম ও আদবের অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য পানি ও জমজমের পানি পানের পার্থক্য
সাধারণত অন্য যেকোনো পানি দাঁড়িয়ে পান করা মাকরুহে তানজিহি বা অপছন্দের। কারণ, রাসুলুল্লাহ (সা.) দাঁড়িয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। তবে জমজমের পানি এই নিয়মের ব্যতিক্রম, এটি দাঁড়িয়ে পান করা উত্তম। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন নবীজির (সা.) সুন্নাহ পালন হয়, তেমনি এই বিশেষ পানির মর্যাদাও প্রকাশ পায়।
জমজমের পানি পান করার ক্ষেত্রে মূল কথা হলো, দাঁড়িয়ে পান করা উত্তম ও আদব। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) দাঁড়িয়ে পান করেছেন। বসে পান করাও সম্পূর্ণ বৈধ, এতে কোনো পাপ নেই। তাই আপনি যেকোনো অবস্থাতেই জমজমের পানি পান করতে পারেন। তবে কিবলামুখী হয়ে, বিসমিল্লাহ বলে, তিন শ্বাসে এবং তৃপ্তিসহকারে পান করার আদবগুলো মেনে চলবেন। এটি পান করার সময় একটি বড় কাজ হলো আল্লাহর কাছে দোয়া করা। আপনি আপনার প্রয়োজন ও ভালো কিছুর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।
উত্তর দিয়েছেন: মুফতি শাব্বির আহমদ, ইসলামবিষয়ক গবেষক

মৃত্যু—এমন এক অনিবার্য বাস্তবতা, যা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। চাই সে মুসলমান হোক কিংবা অমুসলিম, ইমানদার হোক কিংবা বেইমান, আস্তিক হোক কিংবা নাস্তিক। তবে আশ্চর্যজনক বাস্তবতা হলো, সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষ মৃত্যু থেকে পালানোর পথ খুঁজে বেড়িয়েছে অহর্নিশি। কেউ খুঁজেছে আবে হায়াত, কেউবা...
১৬ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগে
মহান আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমা করাকে ভালোবাসেন। যারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে তাঁর কাছে ফিরে আসে, তিনি তাদের পরম আদরে গ্রহণ করেন। আল্লাহ চান, বান্দা তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে হাত তুলুক। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই...
১ দিন আগে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে ইসলাম একমাত্র ধর্ম, যা জ্ঞান অর্জনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেছে। মহান আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টি করে তাকে অন্যান্য সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন মূলত জ্ঞানের মাধ্যমেই। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই জ্ঞান চর্চাকে ইমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
২ দিন আগে