
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ী হাফেজদের সঙ্গে শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে বিশ্বজয়ী হাফেজদের অনন্য অর্জনে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে তাঁর পক্ষ থেকে বিজয়ী হাফেজদের হাতে বিশেষ সম্মাননা উপহার তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এবং ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার।
উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বমঞ্চে কৃতিত্বের অনন্য স্বাক্ষর রাখেন বাংলাদেশের চার তরুণ ও তরুণী। প্রতিযোগিতায় নিজ নিজ গ্রুপে প্রথম স্থানসহ শীর্ষ স্থান অর্জন করেন—শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, মুসফিরা বিনতে মাহমুদ, মুহাম্মদ জাকারিয়া এবং রাবিতা বিনতে রমাদান।
মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে আয়োজিত বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মক্কা অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সাউদ বিন মিশাল। এ ছাড়া ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজিত নারীদের আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ী হাফেজাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাদশাহ সালমানের স্ত্রী প্রিন্সেস ফাহদাহ বিনতে ফালাহ আল হাথলিন।

মরুভূমির বালুকাবেলা যেন আজও ধারণ করে আছে সুদূর অতীতের সোনালি ইমানি ইতিহাস। সৌদি আরবের আল-বাহা অঞ্চলের আল-মাআল্লামাহ্ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে সন্ধান মিলেছে ১৩০০ বছরের পুরোনো এক ঐতিহাসিক মসজিদের, যার কিবলার দেয়ালে খোদাই করা রয়েছে আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও দরুদমাখা...
৩ ঘণ্টা আগে
চোখ মহান আল্লাহর দেওয়া পরম অমূল্য এক নিয়ামত। এটি মানুষের অন্তরের প্রধান প্রবেশদ্বারও বটে। চোখের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গেলে মুহূর্তের মধ্যেই কলুষিত হয়ে পড়ে আত্মার শুভ্রতা। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর এই আধুনিক যুগে নির্জনে কিংবা রাজপথে—সবচেয়ে বড় ইমানি সংগ্রাম হলো চোখের কুদৃষ্টি থেকে বাঁচা...
৮ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৩ ঘণ্টা আগে
জাহেলি যুগে দাস-দাসী ও গৃহকর্মীদের পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হতো না। কটু কথা বলা কিংবা সাধ্যের অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেওয়া ছিল তখনকার স্বাভাবিক চিত্র। প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) সে যুগে এসে শ্রমিকের সামাজিক মর্যাদা এবং মানবাধিকারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
১ দিন আগে